• ই-পেপার

সিরাজগঞ্জে ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে টাকা দাবি

শ্রেণিকক্ষেই থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা!

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
শ্রেণিকক্ষেই থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা!
ছবি: কালের কণ্ঠ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত কালারাই বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরেই পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশের জন্য এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত। বিদ্যালয়টির চার পাশে সবুজ প্রকৃতি, পরিপাটি শ্রেণিকক্ষ, সুন্দর ফুলের বাগান এবং গোছানো পরিবেশ দেখে অনেকেই একে উপজেলার সীমান্ত এলাকার অন্যতম আকর্ষণীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বলে অভিহিত করেন।

বিদ্যালয়টিতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেও বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর কোনো ঘাটতি নেই বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত বেঞ্চ, বই সংরক্ষণের ব্যবস্থা, পাঠদানের সরঞ্জামসহ অন্যান্য সরকারি সুবিধাও রয়েছে। ফলে স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝেও বিদ্যালয়টি নিয়ে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি বিদ্যালয়টিকে ঘিরে উঠেছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির একটি কক্ষ ব্যবহার করা হচ্ছে ভাতের হোটেল ও থাকার ঘর হিসেবে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কক্ষে রান্নাবান্নার সরঞ্জাম, খাট-বিছানা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহার্য বিভিন্ন সামগ্রী রাখা হয়েছে। এমনকি মাঝে মাঝে সেখানে লোকজনের অবস্থানও দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের মতে, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ এভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা শিক্ষা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

একাধিক অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়টি এত সুন্দর ও গোছানো হওয়ার পরও এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখতে হলে বিদ্যালয়ের প্রতিটি কক্ষ শুধুমাত্র শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে শিক্ষা সচেতন মহল বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়কে ঘিরে এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রশাসনের নজরদারি আরো বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করলে এ ধরনের অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগ দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যাতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুনমুন বনিক বিষয়টি স্বীকার করেন বলেন, আমার স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা তার বাচ্চা নিয়ে এখানে থাকেন। বাচ্চাটা ছোট থাকায় কাজের মহিলাসহ বাচ্চা দেখাশোনা করেন এখানে। তিনি বলেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে, দুই-একদিনের মধ্যে স্কুল থেকে সকল সরঞ্জাম সড়িয়ে স্বাভাবিক রাখা হবে। পরবর্তীতে আর এমন হবে না বলেন জানান তিনি।’

এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুর রহিম বাবর বলেন, ‘বিষয়টি সংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। খুঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষ এভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা শিক্ষা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্দেশ দিয়েছেন। দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।’

ফুলপুর মহাসড়ক যেন মরণ ফাঁদ!

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ফুলপুর মহাসড়ক যেন মরণ ফাঁদ!

ময়মনসিংহের ঢাকা-শেরপুর মহাসড়ক যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফুলপুর শেরপুর রোডের সাহাপুর, মোকামিয়া ভাইটকান্দি শেরপুর পর্যন্ত বোরো ধানের খড়, ধান শুকানো ও মহাসড়কের রাস্তার পাশে মাড়াই কল দিয়ে ধান শুকানোর কার্যক্রম চলছে সারাদিন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহাসড়কের পাশে ধান ও খড়ের জন্য প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। সোমবার শেরপুর রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এরশাদ আলী নামের এক ব্যবসায়ী।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কয়েকজন পথচারী আহত হয়। মহাসড়কের রাস্তাগুলো বোরো ধান শুকানোর নামে বেদখল প্রায়। রাস্তার পাশে এভাবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে ধানসহ যেকোনো স্থাপনা নিষেধ হলেও তা কার্যকর হচ্ছে না। রাস্তার এমন অবস্থায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে নেই কোনো তৎপরতা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরসভার মহাসড়কে কোনো কোনো স্থানে প্রভাবশালীরা রাস্তার পাশে অবৈধভাবে বালু ফেলে রাখায় চরম ভোগান্তিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভবনা থাকলেও উপজেলা  প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পথচারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে রয়েছে চরম হতাশা।

আবুল হাসনাত সুমন নামের এক পথচারী জানান, ফুলপুর থেকে ভাইটকান্দি যাওয়ার পথে মহাসড়কের রাস্তার পাশে খড় ও ধানের জন্য শেরপুরগামী বাসকে সাইড দিতে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলাম। মহাসড়কে এ ধরনের কাজ অবৈধ। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ফুলপুর থানার ওসি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহাসড়কের রাস্তার পাশে এ ধরনের কাজকর্ম করতে দেওয়া হবে না।

মোংলা নদীতে দুই ট্রলারের সংঘর্ষ, ৬ ইপিজেড শ্রমিক নিখোঁজ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
মোংলা নদীতে দুই ট্রলারের সংঘর্ষ, ৬ ইপিজেড শ্রমিক নিখোঁজ

বাগেরহাটের মোংলা নদীতে যাত্রীবাহী দুই ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৬ জন ইপিজেড শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৯টার দিকে মোংলা খেয়াঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নদী থেকে সাঁতরে তীরে ওঠা শ্রমিকরা জানান, রাত ৮টার দিকে কারখানার ছুটি শেষে ইপিজেড শ্রমিকরা খেয়াঘাটে জড়ো হন। পরে প্রায় ৫০ জন শ্রমিক নিয়ে একটি ট্রলার মোংলা খেয়াঘাট থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি যাত্রীবাহী ট্রলারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন শ্রমিক নদীতে পড়ে যান।

স্থানীয়দের সহায়তায় অনেক শ্রমিক সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও এখনো অন্তত ৫ থেকে ৬ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও মোংলা থানা পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। 

স্থানীয়দের সহায়তায় বেশ কয়েকজন শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। সাঁতরে তীরে ওঠা শ্রমিকদের তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ৫ থেকে ৬ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে মোংলা নদীতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জে অপহৃত দুই শিশু উদ্ধার, বাবাসহ গ্রেপ্তার ৩

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
সিদ্ধিরগঞ্জে অপহৃত দুই শিশু উদ্ধার, বাবাসহ গ্রেপ্তার ৩
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অপহরণের শিকার হওয়া দুই শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত মানবপাচার চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় বিষয় গণমাধ্যমকে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জানান নারায়ণগঞ্জ পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- এমদাদুল হক রাব্বানী (২৩), বাচ্চাদের বাবা মেজবাহ উদ্দিন (৪০) ও নুর-ই-নাসরিন (২৯)।

পিবিআই জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি বুকস গার্ডেন এলাকা থেকে গত ২১ এপ্রিল দুই শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী মা অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত শুরু করে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা। তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়।

অভিযানে গত ১৮ মে গভীর রাতে রাজধানীর বনানী কড়াইল বস্তি এলাকার টিএনটি গেট এলাকা থেকে মামলার মূল হোতা এমদাদুল হক রাব্বানীকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পল্লবী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নুর-ই-নাসরিনকে (২৯) গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার হেফাজত থেকে অপহৃত ২৮ দিন বয়সী শিশু আব্দুর রহমান জুবায়েতকে উদ্ধার করা হয়।

এর আগে, গত ১৩ মে রাতে সাভারের আড়াপাড়া এলাকার নিঝুমনিবাস এলাকা থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আরিয়ানকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুদের বাবা মেজবাহ উদ্দিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাত বছর আগে ঝর্না আক্তারের সঙ্গে মেজবাহ উদ্দিনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আরিয়ান (৫) ও আব্দুর রহমান জুবায়েত (২৮ দিন) নামে দুই সন্তান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই মেজবাহ উদ্দিন বিভিন্ন নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং সংসারে কলহ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি স্ত্রীকে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেন এবং টাকা না দিলে সন্তানদের বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিতেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় মেজবাহ উদ্দিন তার পূর্বপরিচিত এমদাদুল হক রাব্বানীর সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে দুই সন্তানকে বাসা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগী মা বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন- শিশু দুটিকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরপর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

পিবিআই’র প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে- গ্রেপ্তারকৃত এমদাদুল হক রাব্বানী একটি সক্রিয় মানবপাচার চক্রের সদস্য। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারকে টার্গেট করে শিশু সংগ্রহ করে পাচার করতেন। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে একাধিক শিশুপাচারের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্তে আরো জানা গেছে, মেজবাহ উদ্দিন মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি একাধিক বিয়ে করে নিজের সন্তানদের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত এমদাদুল হক রাব্বানীর পাঁচ দিনের এবং নুর-ই-নাসরিনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া মেজবাহ উদ্দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ পিবিআই পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাব্বানীর বিরুদ্ধে আমরা আরো শিশু পাচারের অভিযোগ পেয়েছি। অন্যদিকে, শিশুটির বাবা মেজবাহ উদ্দিন এ পর্যন্ত ৪-৫টি বিয়ে করেছে এবং নিজের সন্তানদেরই পাচারের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’