• ই-পেপার

সেতাবগঞ্জে পশুরহাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা

বকশীগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বকশীগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পানিতে ডুবে ইশতিয়াক হোসেন (৩০) ও মাহিদুল গাজী (৪) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) পৃথক স্থানে পানিতে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়। ইশতিয়াক ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সাতানীপাড়া এলাকার মৃত সিরাজুল হকের ছেলে ও মাহিদুল গাজী সাধুরপাড়া ইউনিয়নের গাজীরপাড়া গ্রামের সুজা আলীর ছেলে।

জানা যায়, ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের সাতানীপাড়া গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে ইশতিয়াক মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে একটি পুকুরে তার লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা তার পরিবারকে খবর দেয়। 

অপরদিকে মঙ্গলবার সকালে শিশু মাহিদুল গাজীকে বাড়ির উঠানে বসিয়ে রেখে মা লামিয়া আক্তার রান্না ঘরে কাজ করছিলেন। এসময় সবার অগোচরে শিশু মাহিদুল গাজী উঠান থেকে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশেই সিংগিডোবা বিলের পানিতে পড়ে যায়। অনেকক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সিংগিডোবা বিলের পাড় থেকে মাহিদুলের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। 

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, একই দিনে পানিতে ডুবে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি জেনেছি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-ইয়াবাসহ তিনজন আটক

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-ইয়াবাসহ তিনজন আটক

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি ও ৪৩ হাজার ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-৯ ব্লকের মো. জাহিদ হোসেন, সি-১৫ ব্লকের নুর হোসেন এবং একই ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকের আব্দুল হামিদ।

মোহাম্মদ সিরাজ আমীন জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে পুলিশ জানতে পারে, লম্বাশিয়া ১-ইস্ট ক্যাম্পের সি-১৫ ব্লকের একটি বসতঘরে মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা ইয়াবার বড় চালান লেনদেনের জন্য কয়েকজন জড়ো হয়েছে। খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল ওই ঘরটি ঘিরে অভিযান চালায়। এ সময় ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে আটক করা হলেও অন্যরা পালিয়ে গেছে।

কুয়াকাটা সৈকতে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্ত

অনলাইন ডেস্ক
কুয়াকাটা সৈকতে ১৬৩ কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্ত
সংগৃহীত ছবি

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে বিরল প্রজাতির ১৬৩টি কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লেম্বুরবন এলাকার সৈকতসংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত দোকানের নিচে থাকা গর্ত থেকে এসব কচ্ছপের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসন, বনবিভাগ ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বয়ে বাচ্চাগুলোকে আন্ধারমানিক নদীসংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সকালে ব্যবসায়ী মো. বায়েজিদ তার ফিশফ্রাই দোকান খুলতে গিয়ে দোকানের নিচে বালুর মধ্যে ছোট ছোট কচ্ছপের বাচ্চা নড়াচড়া করতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র সদস্যদের জানান। খবর পেয়ে সংগঠনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাচ্চাগুলো উদ্ধার করেন।

পরে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদের উপস্থিতিতে তিন নদীর মোহনায় বাচ্চা কচ্ছপগুলো নিরাপদে অবমুক্ত করেন।

এসময় বন বিভাগের মহিপুর সদর ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন বিবিসিএফ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম বাচ্চু, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মিরাজ, পরিবেশকর্মী আরিফুর রহমান, কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যসহ পরিবেশ ও পর্যটনকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন ‘উপরা’র আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু বলেন, উদ্ধার হওয়া বাচ্চাগুলো অলিভ রিডলি প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের। উদ্ধারকালে ডিমের খোসা ও ছোবলাও পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কিছুদিন আগে মা কচ্ছপ সেখানে ডিম পেড়ে গিয়েছিল। প্রাকৃতিকভাবে ডিম ফুটে বাচ্চাগুলো বের হলেও পরিত্যক্ত দোকানের নিচে আটকে থাকায় তারা সাগরে যেতে পারছিল না।

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটা উপকূল সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের আরো সচেতন হতে হবে।

মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপের বাচ্চাগুলো নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় এদের বিচরণ ও প্রজনন টিকিয়ে রাখতে বনবিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

ইউএনও কাওছার হামিদ বলেন, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি ঘটনা। পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সচেতন মানুষের ভূমিকা প্রশংসনীয়। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে প্রশাসনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা

জাহাজে এক নাবিকের ছুরিকাঘাতে আরেক থাই নাবিক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
জাহাজে এক নাবিকের ছুরিকাঘাতে আরেক থাই নাবিক নিহত
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার বহির্নোঙরে অবস্থানরত একটি বিদেশি জাহাজে নাবিকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির জেরে ছুরিকাঘাতে এক থাই নাগরিক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে আনোয়ারার সমুদ্র উপকূলবর্তী ‘চার্লি অ্যানকর পয়েন্টে’ অবস্থানরত ‘এমটিকেপিপি০১’নামের জাহাজে এ খুনের ঘটনা ঘটে।

নিহত নাবিকের নাম রাফিফং কালাহান (৩০)। তিনি থাইল্যান্ডের নাগরিক। ওই জাহাজে ক্রু হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে জাহাজে কর্মরত অবস্থায় দুই বিদেশি নাবিকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অন্য এক নাবিক রাফিফংকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করেন।

পরে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি জাহাজে দুই বিদেশি নাবিকের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে একজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে নিহত থাই নাগরিকের মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।