• ই-পেপার

চন্দনাইশে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যু

সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভার পৌর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

সাভার পৌর ছাত্রদলের ১৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করায় সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আরমান হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মোশারফ হিমেল খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তাজ খান নাঈমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন কমিটি ঘোষণার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী এবং বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ও সম্ভাবনাময় নেতাকর্মীদেরও সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান দেওয়া হয়েছে। 

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সাভার পৌর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও সুসংগঠিত হবে।

নবগঠিত পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হিমেল খান বলেন, নবগঠিত কমিটি সাভার পৌর এলাকায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে এবং ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পঞ্চগড় সীমান্তে পুশ ইন ঘিরে ফের উত্তেজনা, বিজিবির কড়া জবাব

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশ ইন ঘিরে ফের উত্তেজনা, বিজিবির কড়া জবাব
ছবি : কালের কণ্ঠ

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর আরেকটি প্রচেষ্টা রবিবার (৭ জুন) দুপুরে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র জানায়, বিএসএফের সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি কড়া অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সময় কিছু সময়ের জন্য দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং উভয় বাহিনী মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

এদিকে তিন দিন ধরে সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন পুশ ইনের শিকার ১০ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে। খোলা আকাশের নিচে রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা।

জানা যায়, গত শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে বড়বাড়ী প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি তাদের সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে আটকে দেয়। এরপর থেকে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন।

ঘটনার পর এ পর্যন্ত বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে তিন দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

পঞ্চগড়ের ঘাগড়া কোম্পানি কমান্ডার আলী আজাদ বলেন, ‘১০ জন ব্যক্তি এখনও নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। বিএসএফ তাদের ফেরত নেওয়ার পরিবর্তে রবিবার আবারও বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে আমরা কঠোরভাবে বাধা দিই। কড়া ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। পরে তারা সরে যায়।’

তবে বিষয়টির স্থায়ী সমাধান কবে হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের দাবি, মানবিক দিক বিবেচনায় দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করা প্রয়োজন।

সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বিষধর সাপের কামড়ে আব্দুল আলিম নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

রবিবার (৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

মৃত যুবক আব্দুল আলিম (২৬) শিবগঞ্জ পৌর ৩ নং ওয়ার্ডের পিঠালিতলা মহল্লার আব্দুল মালেকের ছেলে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে পুঁঠিমারি বিল এলাকার একটি আমবাগানে রবিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কাজে যান আলিম। এ সময় বাঁ পায়ে বিষাক্ত সাপে কামড় দিলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনার পর বিকেল ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনরচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাও প্রক্রিয়াধীন।

নওগাঁ সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি

নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁ সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি
ছবি : কালের কণ্ঠ

প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা প্রতিরোধে নওগাঁ সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় রাত্রিকালীন টহলে বাঁশি, টর্চলাইট, নাইট ভিশন গগলস, বাইনোকুলার এবং ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

রবিবার (৭ জুন) বিকেলে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সীমান্ত পথে বাংলাদেশে পুশ ইনের প্রচেষ্টার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

বিজিবি জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিবা-রাত্রি সার্বক্ষণিক নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং নিরবচ্ছিন্ন টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত এলাকায় রাত্রিকালীন টহলে আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম না করার বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। ড্রোনের মাধ্যমে সম্ভাব্য পুশ-ইন এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মানবপাচার, অনুপ্রবেশ ও পুশ ইনের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়।

পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন আরো জানায়, পুশ ইন, মানবপাচার, অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত হত্যা প্রতিরোধে এবং সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিপক্ষ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সমন্বয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, পুশ ইন সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রচলিত যোগাযোগ ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যথাযথ প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো অপরিচিত ব্যক্তির চলাচল, সন্দেহজনক কার্যক্রম বা পুশ ইনের সম্ভাব্য তথ্য নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করতে হবে।

বিজিবি বলেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় বাহিনীটি সর্বদা সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, পুশ ইন কিংবা সার্বভৌমত্ববিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।