টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরকীয়া করতে গিয়ে আটক হয়েছেন সফিক সিকদার নামে এক বিএনপি নেতা। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে মুক্তি মেলে তার। সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামে এক নারীর বাড়ি ঘেরাও করে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন।
সফিক সিকদার একই ওয়ার্ডের কটামারা গ্রামের রহমান সিকদারের ছেলে। তিনি বাঁশতৈল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুই সন্তানের জননী ওই নারী সঙ্গে সফিক সিকদারের দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল। এর মধ্যে গতকাল রাতে ওই নারীর বাড়িতে যান সফিক। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা বাড়ি ঘেরাও করে সফিক সিদকারকে আটক করেন। খবর পেয়ে বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন আল আজাদ, বাঁশতৈল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আক্কাছ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কিয়াম উদ্দিনসহ স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে যান। পরে সফিক ও ওই নারীর সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত হলে সফিক মিয়াকে পুলিশ আর আটক করেনি।
বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান বলেন, স্থানীয়দের হাতে নারী-পুরুষ আটকের খবর শুনে ঘটনাস্থলে যাই। পরে রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিতিতে মীমাংসার প্রক্রিয়া শুরু হলে আমরা চলে আসি।
বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, দুইজনের সম্মতিতে ৫ লাখ টাকার কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।






