• ই-পেপার

ক্ষেতলালে বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ

টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জাকারিয়া আলফাজ, টেকনাফ (কক্সবাজার)
টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে টেকনাফ সরকারি কলেজে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। 

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সন্তোষ কুমার শীল, প্রভাষক আব্দুল গফুর, প্রভাষক ফারুক আহমেদ, প্রভাষক আবু তাহের, প্রভাষক পারিয়েল সামিয়া, প্রভাষক রাবিয়া বেগম ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বিপ্লব।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) সন্তোষ কুমার শীল বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন প্রশংসাযোগ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের টেকনাফ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম বিপ্লব বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ টেকনাফ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে মাসব্যাপী উপজেলার সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলদ, বনজ ও ঔষধিসহ ২০টি করে গাছের চারা রোপণ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও আমরা বিভিন্ন সড়কের পাশে, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ এলাকায় গাছের চারা রোপণ করা হবে। পুরো উপজেলায় এ কর্মসূচির আওতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে এক হাজার চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে, যা এ মাসে বাস্তবায়ন করা হবে।’ 

এদিকে একই দিন দুপুর ২টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ হাজী বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা ফরিদুল আলম, সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ ফাহাদ, সেলিম রেজা, বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর হায়াত ও আসাদুজ্জামান প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্বস্তি ফেরাল বসুন্ধরা শুভসংঘের ২ বৈদ্যুতিক পাখা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্বস্তি ফেরাল বসুন্ধরা শুভসংঘের ২ বৈদ্যুতিক পাখা

শিক্ষার্থীদের স্বস্তি ও পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি বৈদ্যুতিক পাখা উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পাখাগুলো স্থাপন করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ২টার দিকে গৌরীপুর বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের হাতে বৈদ্যুতিক পাখা তুলে দেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে বজ্রপাতে বিদ্যালয়ের বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যা দেখা দেয়। এতে শ্রেণিকক্ষের একাধিক পাখা নষ্ট হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পড়াশোনায় সমস্যায় পড়ে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নজরে আসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌসের। বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমের কথা জানতে পেরে তিনি গৌরীপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দকে বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দুটি বৈদ্যুতিক পাখা দেওয়ার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি।

পাখা বিতরণের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়।

গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম মাজহারুল আনোয়ার ফেরদৌস বলেন, ‘বজ্রপাতের কারণে বিদ্যালয়ের কয়েকটি পাখা নষ্ট হয়ে যায়। এতে গরমের মধ্যে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। বসুন্ধরা শুভসংঘের মানবিক কর্মকাণ্ডের কথা জেনে তাদের বিষয়টি জানালে তারা দ্রুত সাড়া দেয়। দুটি পাখা দিয়ে তারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের এই উদ্যোগ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

গৌরীপুর বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি শংকর ঘোষ পিলু বলেন, ‘ভালো কাজ যেখানে, সেখানেই বসুন্ধরা শুভসংঘের উপস্থিতি থাকবে। শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন মিয়া বলেন, ‘মানবিক কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকাই শুভসংঘের লক্ষ্য। সারা দেশে শুভসংঘ ভালো কাজে যুক্ত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সবাইকে মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।’

পাখা বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন–গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল হক, রোজী সুলতানা, আফরোজা নাসরিন, শংকরী রানী দেবনাথ, নাজমা বেগম, সাবিরা আক্তার, দিতি বানু, মিনান নাহার, বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্য কাউসার আহমেদ, নুর মোহাম্মদ শাফি, শরিফুল ইসলাম আসিফ, জাহিদ আল ফাহাদ, শেখ সৌরভ, আতিক ইসলাম প্রমুখ।

বাগেরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের অনুপ্রেরণামূলক কর্মশালা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বাগেরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের অনুপ্রেরণামূলক কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাগেরহাটে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং ইতিবাচক মানসিকতা গঠনের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণামূলক কর্মশালা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও তরুণদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় আত্মবিশ্বাস, সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বেচ্ছাসেবা, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সৃজনশীলতা, চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণদের নিজেদের যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে যুবকদের উদ্দেশে ফ্যাসিলিটেশন করেন ওয়াদা সংস্থার প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. মইনুল হোসেন। তিনি তরুণদের ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব চর্চা এবং সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব প্রধান রাকিবুল ইসলাম কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেফ গার্ডিং ফোকাল তহমিনা আক্তার।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ বাগেরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমীন সরদার। তিনি বলেন, তরুণদের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে বসুন্ধরা শুভসংঘ নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ বাগেরহাট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাইমুর রহমান, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আলিমুন হক মুন্না, নারী বিষয়ক সম্পাদক সোনিয়া আক্তার, রাব্বি মোল্যা, সাবিহা তুল লামিয়া, নির্বাহী সদস্য তাছলিমা আক্তার, জেরিন, বৈশাখী, সুব্রত মন্ডল, আলিফ, তৌফিকা, মিম, রাজিয়া আক্তার, সিয়াম, দুর্লভ, নিলয়, আলিমুন আজাদসহ বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া তরুণরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নালিতাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নালিতাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে হাম প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

হাম প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় নালিতাবাড়ী পৌর শহরের তারাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিনসহ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে হাম প্রতিরোধ, এর লক্ষণ, করণীয় এবং টিকাদানের গুরুত্ব বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি তারাগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থী এবং আশপাশের এলাকার পথচারীদের মাঝেও একই ধরনের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ নালিতাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি তৌকির আহম্মদ তানজিল। প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা শিরিন তার বক্তব্যে বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সচেতনতা ও সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে তৌকির আহম্মদ তানজিল বলেন, একটি সচেতন সমাজ গঠনে স্বাস্থ্য সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। হাম প্রতিরোধে টিকাদান ও সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও শিশু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাঈমুর হাসান রিফাত বলেন, সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আমরা চাই প্রতিটি পরিবার হাম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুক এবং শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করুক। সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণেই হামমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন– সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত সরকার, দপ্তর সম্পাদক রাবায়েত হাসান রাব্বি, নারী বিষয়ক সম্পাদক ববিতা পারভীন আঁখি, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শান্তসহ অন্যান্য সদস্যরা।

আয়োজকরা জানান, স্কুল  শিক্ষার্থী, এসএসসি  পরীক্ষার্থী এবং সাধারণ পথচারীদের মধ্যে প্রায় এক হাজার সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং উপস্থিত সবাই হাম প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।