চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আমার বাবা মরহুম আহমেদুর রহমান সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি বাকলিয়া আদর্শ মহিলা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে বাকলিয়ায় শিক্ষার আলো ছড়িয়েছেন। এছাড়া তিনি চট্টগ্রাম রেশনিং মালিক সমিতির সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্ব দেন। তিনি শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে যে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আমাদের জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে মানবকল্যাণে কাজ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
শুক্রবার (১২ জুন) বাদে জুমা চকবাজার ধুনিরপুল ফালাহ গাজী জামে মসজিদে তার বাবা বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মরহুম আলহাজ্ব আহমেদুর রহমানের ২১তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আহমেদুর রহমান স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেতৃবৃন্দ। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুম আহমেদুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সমাজ কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা থেকে বাবা চাইতেন আমাকে চিকিৎসক হিসেবে গড়তে। বাবার অনুপ্রেরণায় চিকিৎসক হয়ে করোনা মহামারীকালে হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজ করেছি, গণমানুষের ভাগ্যবদলের রাজনীতিতে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। ইনশাল্লাহ বাবার আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্যবদলে সবসময় পাশে থাকব।’
তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্য কাজ করাই সবচেয়ে বড় ইবাদত। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে সেটিই হবে মরহুমের আত্মার জন্য সর্বোত্তম উপহার। আমি সকলের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ‘মরহুম আলহাজ্ব আহমেদুর রহমান ছিলেন একজন জনহিতৈষী ব্যক্তি, যিনি নীরবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করবে।’
আহমেদুর রহমান স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহবায়ক কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদীন জিয়া, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, মো. কামরুল ইসলাম, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ প্রমুখ।




