• ই-পেপার

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ত্রুটি উদ্বেগজনক নয় — এনপিসিবিএল

বাঁধ রক্ষায় ১৫৪২ কোটির প্রকল্প পেল ফেনী, জেলাবাসীর উচ্ছ্বাস

ফেনী প্রতিনিধি
বাঁধ রক্ষায় ১৫৪২ কোটির প্রকল্প পেল ফেনী, জেলাবাসীর উচ্ছ্বাস
২০২৪ সালে ফেনী, নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুরসহ দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভয়াবহ বন্যা হয়। ফাইল ছবি।

বন্যার হাত থেকে ফেনী জেলাকে স্থায়ীভাবে রক্ষা করতে এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙন প্রতিরোধে ২০১২ সালে মুহুরী-কহুয়া এফসিডিআই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছিল। তবে জলবায়ু পরিবর্তন ও নদীর ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় তা বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় অপর্যাপ্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর প্রত্যেক উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ২৯ জনের  মৃত্যু হয়। 

প্রকল্প অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বিদ্যমান বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, একটি আধুনিক হাইড্রোলিক এলিভেটেড ড্যাম নির্মাণ, তিনটি নতুন রেগুলেটর এবং ২৭টি বিদ্যমান সেচ অবকাঠামোর পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষিজমিসহ আনুমানিক ১৪ হাজার ২০৯ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পাবে। এ ছাড়া বার্ষিক পৌনে চার লাখ টন অতিরিক্ত শস্য ও মৎস্য সম্পদ উৎপাদন বন্যার হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হবে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে দুই হাজার ৩৭০ জন এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ১৭ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এদিকে, প্রকল্পটি অনুমোদনের খবর ফেনীতে পৌঁছালে বন্যায় বারবার ক্ষতিগ্রস্ত পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার মানুষের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। 

ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হোসেন এবং ফেনী জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল এই জনদাবি পূরণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। আশা করি এ টেকসই বাঁধ নির্মাণের ফলে আমরা ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা থেকে রক্ষা পাবো। 

ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রকল্পটি পাস হওয়ায় আমি অত্যন্ত খুশি। প্রকল্পটির বিষয়ে আমি এর আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে বারবার তাগাদাপত্র দিয়েছি। বিশেষ করে ২০২৪-এর বন্যা পরিস্থিতির কারণে এই অঞ্চলে যে ক্ষতি হয়েছে, তা যেন আর না হয়। যেহেতু জমি অধিগ্রহণের ঝামেলা নেই, তাই আশা করছি আগামী এক মাসের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারব।

২০২৪ সালে ভারতের ত্রিপুরা থেকে আসা উজানের পানিতে ফেনী, নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর ও আশপাশের জেলাগুলো ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ফেনীকে বন্যার হাত থেকে রক্ষার জন্য বার বার অর্থ বরাদ্দ দিলেও স্থায়ীভাবে কোনো সমাধান হয়নি। এনিয়ে ফেনীর মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। 

জানা গেছে, ভারতের ত্রিপুরা থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এবং জেলার মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে ‘ফেনী জেলাধীন মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) চলতি বছর থেকে শুরু করে ২০৩১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

‘তারেক রহমান আইলেও কাম হইব না’ বলা সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
‘তারেক রহমান আইলেও কাম হইব না’ বলা সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুর মহানগরীর ৫১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি রাতুল শিকদার অমিকে বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল। মঙ্গলবার (১৬ জুন) গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রোহানুজ্জামান শুক্কুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে সোমবার রাতে রাতুল শিকদারকে বহিষ্কার করা হয়। একইদিন ফাঁস হওয়া ফোনালাপে তাকে এক ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করতে এবং অকথ্য ভাষায় হুমকি দিতে শোনা যায়। 

এ বিষয়ে জানতে রাতুল শিকদার অমির মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রোহানুজ্জামান শুক্কুর জানান, ওই অডিও রেকর্ডটি আমি শুনেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সোমবার রাতে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

৭ দিনে ঢাকা জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮০৯

উদ্ধার বিপুল মাদক ও অস্ত্র

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)  প্রতিনিধি
৭ দিনে ঢাকা জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৮০৯
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা জেলার সাতটি থানায় গত ১ সপ্তাহে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৮০৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৭ সদস্য এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলার ১৩৪ আসামি রয়েছেন। একই সময়ে বিপুল পরিমাণ মাদক, আগ্নেয়াস্ত্র, চোরাই মালামাল ও বিভিন্ন যানবাহন উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, ‘৮ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত পরিচালিত সপ্তাহব্যাপী অভিযানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে এসব আসামিকে আটক করা হয়। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়ায় সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি জানান, মাদক, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে। নিয়মিত অভিযান এবং গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে চিহ্নিত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাদকবিরোধী অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা ও ৮ হাজার ২৯৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি বিদেশি রিভলভার, এক রাউন্ড গুলি এবং বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানে কয়েকটি আলোচিত অপরাধী চক্রের সদস্যদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রাজেন্দ্রপুর এলাকায় সক্রিয় কুখ্যাত ডাকাত সনি ও তার সহযোগীদের আটক করা হয়েছে। তারা এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে চলাচলকারী সিএনজি, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি করত বলে অভিযোগ রয়েছে।

একই অভিযানে ঝিলমিল এলাকায় সক্রিয় ‘ল্যাংড়া এরফান’ ডাকাত চক্রের প্রধান এরফানসহ চারজনকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এছাড়া কদমতলী এলাকায় সিএনজি ব্যবহার করে ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতা লিটনসহ চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, চক্রটি যাত্রীদের সিএনজিতে তুলে মারধর এবং চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের টাকা ছিনিয়ে নিত।

বসুন্ধরা রিভার ভিউ আবাসিক এলাকায় গ্রিল কেটে সংঘটিত চুরির ঘটনায় চক্রের মূল হোতা কালা ওয়াশিম ও তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি কদমতলীর আলোচিত বাবু হত্যা মামলার আসামি সিয়ামকে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আটক করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

অন্যদিকে শতাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত কুখ্যাত ‘ব্রিফকেস হান্নান’কে তার সহযোগীদেরসহ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, তিনি ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনকারী গ্রাহকদের অনুসরণ করে সুযোগ বুঝে ডাকাতি ও ছিনতাই করতেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, ‘অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পুলিশের কাজে বাধা কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঢাকা জেলা পুলিশ পেশাদারি ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ অভিযানগুলো ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।’

পদ্মা রেল সেতুর পিলারের মাটি কাটায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
পদ্মা রেল সেতুর পিলারের মাটি কাটায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় পদ্মা রেল সেতুর পিলারের নিচ ও পাশ থেকে মাটি কাটার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পদ্মা রেলসেতুর নিরাপত্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ভেকু মেশিন ব্যবহার করে পদ্মা রেল সেতুর ৮৫, ৮৬ ও ৮৭ নম্বর পিলারের আশপাশ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব মাটি পাশের ইটভাটাগুলোতে বিক্রি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মাটি অপসারণের ফলে পিলারসংলগ্ন এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে অনেকটা পুকুরসদৃশ জলাধারে পরিণত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে পানি জমে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা পিয়াস বলেন, ২০২৪ সালেও এখানে মাটি কাটার চেষ্টা হয়েছিল। তখন স্থানীয়দের বাধার মুখে তা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সম্প্রতি রাতের আঁধারে মাটি কেটে এলাকাটিকে প্রায় একটি বড় জলাশয়ে পরিণত করা হয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিক মণি ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে খুলনা থানার বিএনপি সাবেক ও বহিষ্কৃত নেতা রিয়াজ চৌধুরী ও সাগর সিদ্দিকী সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি অপসারণ করেছে। এখান থেকে প্রায় চার শতাধিক ট্রাক মাটি সরানো হয়েছে। 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ চৌধুরী। তিনি বলেন, যারা মাটি কাটার অনুমোদন পেয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছে। কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

অন্যদিকে, এখনো পর্যন্ত সন্তোষজনক কাগজপত্র পাওয়ার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্টরা সন্তোষজনক কোনো অনুমোদনপত্র দেখাতে পারেনি। তাই আপাতত কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকেন, তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের উপসচিব শিমুল কুমার সাহা কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে মাটি কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। 

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবীর বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই মাটি কাটা বন্ধ করা হয়েছে। কারা, কী ধরনের অনুমতি নিয়ে এই কাজ করেছে, সে বিষয়ে কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। পিলার সংলগ্ন এলাকায় মাটি কাটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়ায় আপাতত সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এখান থেকে আর মাটি কাটা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।