• ই-পেপার

রাজধানী

মিছিলের সময় আ. লীগের ১০ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশে দিল ছাত্রদল

টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ

অনলাইন ডেস্ক
টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর দারুসসালাম থানার টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দারুসসালাম থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম।

তিনি জানান, টেকনিক্যাল মোড়ে একটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পেয়েছে পুলিশ।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার দিকে টেকনিক্যাল ক্রসিংয়ের আউটগোয়িং অংশ থেকে প্রায় ১০০ ফুট পশ্চিমে অতর্কিতভাবে কে বা কারা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত জরুরি : ডিসি ফরিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক
মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত জরুরি : ডিসি ফরিদা

একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও হামের মতো রোগের জটিলতা এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর আজিমপুরে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি ফরিদা বলেন, সচেতনতার অভাবে একটি শিশুও যেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে না পড়ে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। অপুষ্টি ও ভিটামিন ‘এ’ ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে শিশুদের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ঢাকা জেলার কোনো শিশুই যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল গ্রহণ থেকে বঞ্চিত না হয়। বিশেষ করে বস্তি এলাকা, ভাসমান জনগোষ্ঠী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে আনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি করে লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকরা সমাজে সচেতনতা তৈরির অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাদের প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং তারা সন্তানদের নিয়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত হবেন। তাই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুরুত্ব সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে সংবাদমাধ্যমকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় জাতীয় পুষ্টি সেবা, সেভ দ্য চিলড্রেন, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনালসহ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগী সংস্থাগুলোর অবদানের প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরো সুস্থ ও সবল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সারা দেশে একযোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় জাতীয়ভাবে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন শিশু।

যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসির সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে ডিএসসিসির সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্রতত্র ময়লা-বর্জ্য ফেলা প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), বিডি ক্লিন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৩ টায় নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির ৫টি অঞ্চলের ২২টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পুরো এলাকাকে ১০টি ব্লকে বিভক্ত করে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ বা হটস্পটে কাজ করবেন স্বেচ্ছাসেবকরা। সপ্তাহে সাত দিনই বিডি ক্লিনের ৭০ জন এবং রেড ক্রিসেন্টের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মাঠে থাকবেন। তারা নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার ব্যাপারে সচেতন করবেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রচারণা চালাবেন, ওয়েস্টবিনের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন এবং সতর্কীকরণ নোটিশ প্রদান করবেন। একই সঙ্গে প্রয়োজনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনকে জরিমানা করার সুপারিশও করবেন তারা।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি করপোরেশনের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; নাগরিকদের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ সমানভাবে প্রয়োজন। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিবেশের উন্নতির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।’

​তিনি আরো বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার যে লক্ষ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন গ্রহণ করেছে, এই যৌথ উদ্যোগ তা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই পরিচ্ছন্নতা সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব।’

​অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, সচিব জনাব মো. জয়নুল আবেদীনসহ করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিডি ক্লিন ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রামিসার মায়ের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন ডা. রফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
রামিসার মায়ের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন ডা. রফিক
সংগৃহীত ছবি

ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু রামিসার মৃত্যুশোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি তার মা। প্রিয় সন্তানের অকাল ও নির্মম বিদায়ের পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলমান শারীরিক জটিলতা—বুকে ব্যথা, নিউরোলজিকাল (ভার্টিগো) ও পরিপাকতন্ত্রজনিত সমস্যা আরো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

রামিসার মায়ের এই অসহায় অবস্থার কথা জানতে পারেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। বিষয়টি জানার পর দ্রুত মানবিক উদ্যোগ নেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে তাকে রাজধানীর একটি বিশেষায়িত মাল্টিডিসিপ্লিনারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, চিকিৎসার জন্য একটি সমন্বিত বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হবে। যেখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শেই তার চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি আরো জানান, সন্তানের মৃত্যু-পরবর্তী গভীর শোক ও মানসিক আঘাতের কারণে তার শারীরিক উপসর্গগুলো আরো জটিল আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ও সাইকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে তার কাউন্সেলিং ও চিকিৎসা শুরু হয়েছে। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও বিস্তারিত পরীক্ষার পরই পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।

পরিবার ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সমন্বিত চিকিৎসাব্যবস্থার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থতার পথে ফিরতে পারবেন।