• ই-পেপার

হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীতে ভরে গেছে, এক দিনে সর্বোচ্চ ভর্তি ৮২০

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

অনলাইন ডেস্ক
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসির বৈঠক আজ

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলায় ১১টায় এ বৈঠকের কথা রয়েছে।

এরআগে সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ-১) মো. মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশের ২৩-তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে কমিশনের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। ওই দিন দুপুরে তিনি তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর জমা দেন। সংবিধান ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠানো হয়।

গুমের নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
গুমের নতুন আইনের খসড়া প্রকাশ

গুমের কারণে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে বা পাঁচ বছরেও তার সন্ধান না মিললে দায়ী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে সরকার ‘গুম নিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬’ এর খসড়া প্রকাশ করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনমত ও অংশীজনদের মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই খসড়াটি উন্মুক্ত করা হয়।

খসড়া আইন অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার পর বিষয়টি অস্বীকার করেন অথবা ওই ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি গোপন রাখেন, তবে তা ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে। তবে ব্যাপক বা পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত গুমের ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে বিচার হবে।

শাস্তির বিধান—
গুম :
গুমের অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তি সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কমপক্ষে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

গুমের ফলে মৃত্যু হলে : যদি গুম হওয়া ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে বা ৫ বছরের মধ্যেও তাকে খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে দায়ী ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এর পাশাপাশি কমপক্ষে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড করা হবে।

গোপন আটককেন্দ্র : কোনো অননুমোদিত গোপন আটককেন্দ্র নির্মাণ, স্থাপন বা ব্যবহার করলে কমপক্ষে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রমাণ নষ্ট করা : গুমের সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট বা পরিবর্তন করলে কমপক্ষে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হবে।

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়
আইনে ‘কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার অধীনদের গুম করার আদেশ দেন বা জেনেও তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নেন, তবে তিনিও মূল অপরাধের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে গুমের সাফাই গাওয়ার কোনো সুযোগ এ আইনে রাখা হয়নি।

দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ
গুমের মামলার বিচার হবে দায়রা জজ আদালতে এবং বিচার কার্য শুরু হওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হবে। প্রয়োজনে আদালত এই সময় আরো ৩০ দিন বৃদ্ধি করতে পারবে। বিচারে অপরাধী সাব্যস্ত হলে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ভুক্তভোগীকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মিথ্যা মামলায় সাজা
অন্যদিকে, গুমের বিষয়ে কোনো ব্যক্তি যদি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা করেন, তবে তার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার গুম সংক্রান্ত একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার সংরক্ষণ করবে, যেখানে নিখোঁজ হওয়ার তারিখ, স্থান এবং সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ থাকবে।

এই আইনটি কার্যকর হলে গুমের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি গুদামে ১০ লাখ টন বেশি খাদ্যশস্য মজুদ

বাসস
সরকারি গুদামে ১০ লাখ টন বেশি খাদ্যশস্য মজুদ

দেশের সরকারি গুদামগুলোতে বর্তমানে চাল, গম ও ধান মিলিয়ে ফ্লোটিং মজুদসহ ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬৩ টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে, যা নিরাপদ খাদ্য মজুদের নির্ধারিত সীমার চেয়ে প্রায় ১০ লাখ ২৪ হাজার টন বেশি। খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এ মজুদ দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরো শক্তিশালী ভিত্তি দেবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৩ জুলাই পর্যন্ত সরকারি গুদামে ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৬ টন চাল, ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮৯ টন গম এবং ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬০৫ টন ধান মজুদ রয়েছে। ধানকে চালে রূপান্তরের হিসাব এবং ৮ হাজার ৭৩৫ টন ফ্লোটিং চালসহ মোট মজুদ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬৩ টন।

সাধারণত দেশে নিরাপদ খাদ্য মজুদের সর্বনিম্ন পরিমাণ ধরা হয় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন। তবে বর্ধিত জনসংখ্যা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ বিবেচনায় বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্য মজুদের নতুন লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা (ক্যাপাসিটি) বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে সংরক্ষণ সক্ষমতা ২৪ লাখ টন থেকে বাড়িয়ে ২৭ লাখ টনে উন্নীত করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এটি ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে গত ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯৮ টন ধান, ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৪২০ টন সেদ্ধ চাল এবং ৭৬ হাজার ৮১৪ টন আতপ চাল। একই সময়ে ৫২৩ টন গমও সংগ্রহ করা হয়েছে।

অন্যদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮০০ টন খাদ্যশস্য দেশে আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে চাল ও গম মিলিয়ে ১১ লাখ ৬৫ হাজার টন এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫০ টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে। এ সময়ে খাদ্য সহায়তা হিসেবে কোনো আমদানির প্রয়োজন হয়নি।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চলতি মৌসুমে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। কৃষক ও চালকল মালিকদের সহযোগিতা এবং মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সংগ্রহ সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি গুদামগুলোতে চাল ও গমের পর্যাপ্ত ও নিরাপদ মজুদ রয়েছে। এ মজুদ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) গবেষণা পরিচালক ফিরোজ আল মাহমুদ বলেন, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় খাদ্যশস্যের মজুদ ও সংরক্ষণ সক্ষমতা আরো বাড়ানো হচ্ছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন বলেন, সরকারি গুদামগুলোতে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিতের পাশাপাশি সেগুলোর সঠিক সংরক্ষণ ও গুণগতমান বজায় রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষকদের কাছ থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ধান ও চাল সংগ্রহ এবং সরকারি বিতরণ ব্যবস্থা সচল রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার বাতাস আজ কতটা দূষিত?

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় বাংলাদেশের মেগাসিটি ঢাকার অবস্থান রয়েছে তালিকার ৯ নম্বরে। যার বায়ুমান স্কোর ১০৯। এই অবস্থার বায়ুর মানকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। এ ছাড়া বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। যার বায়ুমান স্কোর ১৭৭। এই অবস্থাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে বিবেচনা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এ ছাড়া তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যার বায়ুমান স্কোর ১৭২। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬০। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান নগরী তেল আবিব। যার বায়ুমান স্কোর ১২৪ এবং পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ। যার বায়ুমান স্কোর ১১৯।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

হাসপাতাল ডেঙ্গু রোগীতে ভরে গেছে, এক দিনে সর্বোচ্চ ভর্তি ৮২০ | কালের কণ্ঠ