• ই-পেপার

পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র

মার্কিন ভিসানীতির আওতায় পড়বে যে চার বিষয়

সেনাপ্রধানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের বিদায়ি সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেনাপ্রধানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের বিদায়ি সাক্ষাৎ
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসানের বিদায়ি সাক্ষাৎ। ছবি : সংগৃহীত

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে বিদায়ি সাক্ষাৎ করেছেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সেনা সদর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নৌবাহিনী প্রধানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় সেনা সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা, পেশাদারি ও আন্তঃবাহিনী সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় করার বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নিবিড় সমন্বয়ে কাজ করে আসছে।

মাহদী আমিনকে রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যেই তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে সৌদি সরকার বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে রাজনীতি ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। বিশেষ করে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সৌদি আরব কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে প্রবেশকে আরো সহজ করা এবং এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়মতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

এ ছাড়া হজ ও ওমরাহ, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের আলাপ হয়।

বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ৩৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি সৌদি আরবের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। একই সঙ্গে তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিকে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় সরকার গুরুত্বারোপ করে।

সাক্ষাতে সৌদি প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস অ্যাম্বাসাডর খালিদ সাঈদ এম আল হাদাল এবং ডেপুটি হেড অব দ্য কনসুলার সেকশন মুহাম্মদ ফাহাদ ধি. আল সুহাইমি।

নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা কামনা অর্থ উপদেষ্টার

বাসস
নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা কামনা অর্থ উপদেষ্টার

বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশে নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের আরো জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এতে দেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএন উইমেনের আরো সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সব ধরনের অধিকার ভোগ করতে পারে এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়, সে বিষয়ে সহযোগিতা চান।

উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর ঋণশর্তের কারণে অনুদান ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগও সীমিত করেছে।

তিনি নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো শক্তিশালী করতে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিতুমীর বলেন, সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা।

লিঙ্গ সমতার অগ্রগতিতে বাংলাদেশের প্রশংসা করে ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাহদজাই গুম্বোনজভান্দা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করেন।

তিনি তার কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে লিঙ্গ সমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচি এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ইউএন উইমেনের অব্যাহত অংশীদারির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সংস্কার : অর্থমন্ত্রী
ফাইল ছবি

নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির (প্রোগ্রাম) ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। আগে যেসব নীতিগত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলোর ওপরই এই কর্মসূচির ভিত্তি দাঁড়াবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত সরকারের প্রতি সম্মান (রেসপেক্ট টু দ্য ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট) বজায় রেখেই সংস্কারের কাজ পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী ধাপে ধাপে (সিকোয়েন্সিং) পরিবর্তন আনা হবে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘যখন যেটা প্রয়োজন হবে, তখন সেটাই করা হবে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বাকি পরিবর্তনগুলোও সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি ইঙ্গিত দেন, ‘অর্থনৈতিক সংস্কার একবারে নয় বরং পরিস্থিতি, অগ্রাধিকার এবং নির্বাচিত সরকারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

মার্কিন ভিসানীতির আওতায় পড়বে যে চার বিষয় | কালের কণ্ঠ