• ই-পেপার

তিন গন্তব্যে ট্রেন যাবে ভাঙ্গা হয়ে, ভাড়া ঠিক হয়নি

ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, তাপপ্রবাহের সঙ্গে হানা দিতে পারে বজ্রঝড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধেয়ে আসছে মৌসুমি নিম্নচাপ, তাপপ্রবাহের সঙ্গে হানা দিতে পারে বজ্রঝড়
সংগৃহীত ছবি

বর্ষার আগমনী বার্তার মধ্যেই চলতি জুনে তীব্র গরমে পুড়তে পারে দেশ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে দুটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি রূপ নিতে পারে মৌসুমি নিম্নচাপে। তবে মেঘ-বৃষ্টির এই আবহের মাঝেই কয়েক দফায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যাতে পারদ ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সঙ্গে মাসের বেশ কিছু দিনজুড়ে দেশজুড়ে হানা দিতে পারে প্রবল বজ্রঝড়।

বুধবার (৩ জুন) চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়া সংস্থাটি বলছে, নিম্নচাপ আর বজ্রঝড়ের দাপট থাকলেও চলতি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে জুন মাসের প্রথমার্ধে সারাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষাকাল) বিস্তার লাভ করতে পারে। আর এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, চলতি জুন মাসে দেশে ৫ থেকে ৭ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রঝড় হতে পারে। সেই সঙ্গে এ মাসে দেশে ২ থেকে ৩টি বিচ্ছিন্নভাবে মৃদু (৩৬-৩৭.৯° সে.) থেকে মাঝারি ধরনের (৩৮-৩৯.৯° সে.) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে জুনে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকলেও বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টিপাতের প্রেক্ষিতে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সমতল সময়-বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে।

এ ছাড়া চলতি জুন মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩.৫-৫.৫ মিলিমিটার এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা থাকতে পারে বলেও দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্ম সচিব আনিসুরকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্ম সচিব আনিসুরকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার
বৃদ্ধার নিবাস কক্ষ ছিল আবর্জনায় ভরা।

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী নূরজাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই তার ছেলে যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আনিসুর রহমান বর্তমানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

আজ দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছিলেন, ‘রাজধানীর মিরপুরে ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধা মা নূরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহারের তথ্য নেই মন্ত্রণালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহারের তথ্য নেই মন্ত্রণালয়ে

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ সরকার প্রত্যাহার করেছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ দাবি করা হয়। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ দাবি নাকচ করে দিয়েছে। এদিকে আজ বুধবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণার সময় ডিমান্ড চার্জ প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেয়নি। বরং কমিশন জানিয়েছে, ডিমান্ড চার্জ আগের মতোই বহাল থাকবে এবং বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী তা আদায় করা হবে।

বিএনপি মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে বিকেল সাড়ে ৩টায় দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘বিএনপি সরকারের ১০০ দিন—জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে খোঁজ নিতে বিইআরসিতে যোগাযোগ করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। অন্যদিকে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গিয়েও (সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত) প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যদিও এর আগে সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী মিটার চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ২৯ মার্চ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, ‘বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।’

এদিকে আজ বুধবার পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বিইআরসি। ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। যা জুন থেকেই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, জুন থেকেই কার্যকর

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, জুন থেকেই কার্যকর

 

নতুন ঘোষণার কোথাও প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের কথা বলা হয়নি। খুচরা বিদ্যুৎ মূলহারের নতুন তালিকায়ও ডিমান্ড চার্জের হার উল্লেখ আছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এই চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে সাইপ্রাস যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং জানায়, লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ করে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউএনএফআইসিওয়াইপি)-এর ২৩তম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা, পেশাদারি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর সুনাম ও গৌরবের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।