• ই-পেপার

বাংলাদেশ ব্যাংকের বাধা

আইএফসির ৮০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে না মেঘনা গ্রুপ

বিপদ শুধু বাড়ছেই

অনলাইন ডেস্ক
বিপদ শুধু বাড়ছেই

বিপদ থেকে মুক্ত হতে পারছে না সরকার। পাহাড়সম বোঝা নিয়ে সরকার গঠন করার পর একটার পর একটা বিপদে পড়ছে। কোনো কোনো বিপদ  অন্তর্বর্তী সরকারের সৃষ্ট। কোনো কোনো বিপদ প্রাকৃতিক। আবার কোনো বিপদ বৈশ্বিক। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১১ দিনের মাথায় শুরু হয় আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ। এ যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। ১৫ মার্চ থেকে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬১৩ শিশু। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের দ্রব্যমূলের ওপর প্রভাব পড়েছে। ঊর্ধ্বমুখী ব্যয়ে নাভিশ্বাস মানুষের। হামের মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে এবারের পরিস্থিতি। আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ। ছিনতাইকারীর হাতে পথেঘাটে খুন হচ্ছে মানুষ। সামাজিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে অস্থিরতা দেশজুড়ে। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সবকিছু মিলে বিপদ যেন বাড়ছেই। 

ভূরাজনীতির সংকট : বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন সংকট। একের পর এক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ধাক্কায় সাধারণ মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। একদিকে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশছোঁয়া নিত্যপণ্যের বাজার, অন্যদিকে হাম ও ডেঙ্গুর মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। অর্থনীতির চাকা সচল করতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে খেলাপি ঋণ। কোনোভাবেই এই ঋণ আদায় করা যাচ্ছে না। নতুন ঋণের জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকেও ঋণের সাড়া মিলছে না। সব মিলিয়ে আরও ঘনীভূত হচ্ছে সমস্যা।

দ্রব্যমূল্যের চরম কশাঘাত : আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। বাংলাদেশেও পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দামও। এর ফলে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চাল, ডাল, তেলসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বর্ধিত খরচের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ চরম বিপাকে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য মেলাতে না পেরে হিমশিম খাচ্ছে কোটি পরিবার।

স্বাস্থ্য খাতে জোড়া আঘাত- হাম ও ডেঙ্গুর চোখ রাঙানি : অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই দেশে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়। ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মারা গেছে ৬১৩ শিশু। সরকারি হিসাবে ৬১৩ শিশুর মৃত্যুর কথা বলা হলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা কেনায় অনাগ্রহের বলি হতে হচ্ছে অবুঝ শিশুদের। হামের এই ভয়াবহতার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক হিসেবে যোগ হয়েছে ডেঙ্গু। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার ডেঙ্গুর পরিস্থিতি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাম ও ডেঙ্গুর এই জোড়া আক্রমণে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়, আছে আগাম ঝুঁকিও। অন্তঃসত্ত্বা অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শিশুরা যে রোগের থাবায় ভুগবে না, তার নিশ্চয়তা নেই।

সামাজিক অস্থিরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি : অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যসংকটের সমান্তরালে দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ঘটনা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে, যা সুশীল সমাজকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। শুধু শিশু ধর্ষণই নয়, নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এখন বিঘ্নিত। সড়ক-মহাসড়ক থেকে শুরু করে খোদ রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের আনাগোনা ও সহিংসতা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামান্য মোবাইল বা টাকার জন্য ছিনতাইকারীর হাতে প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান তৎপরতা সত্ত্বেও অপরাধীদের এই দৌরাত্ম্য থামানো যাচ্ছে না।

সুখবর নেই অর্থনীতিতেও : আইএমএফের সঙ্গে চলমান ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তির সর্বশেষ দুই কিস্তিু ছাড় করছে না। বরং নতুন একটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। সংকট সামলাতে এডিবির কাছেও ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে সরকার। সেখানেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। একইভাবে আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছর এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটে প্রাক্কলনের চেয়েও ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে করে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতি অগগ্রতির বড় বাধা খেলাপি ঋণ : দুর্বল ঋণ আদায় ও সুশাসনের অভাবের মধ্যে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাস পর ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শেষে মোট শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। গত ডিসেম্বরে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এই তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নীতিগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক পরিমাণ ঋণ পুনঃ তফসিলের ফলে গত বছরের শেষে খেলাপি ঋণের হার ৩৬ শতাংশ থেকে কমে প্রায় ৩১ শতাংশে নেমে এসেছিল। 

সংকটে ব্যবসায়ীরা : ঋণের উচ্চ সুদহার, ডলারসংকট, জ্বালানিসংকট, নিরাপত্তাহীনতা, মামলা-হামলাসহ নানান রকম সংকটে থাকা ব্যবসায়ীরা এখন অসহায়। এমন পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের সহায়তা না পেয়ে শিল্পমালিকরা অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে গড়ে তোলা শিল্পকারখানা নিয়ে এখন চরমভাবে শঙ্কিত, উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চাপিয়ে দেওয়া নানা রকম সিদ্ধান্তের কারণে আমরা বর্তমানে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক লুট করা হয়েছে। ডলারসহ নানান সংকটে সবদিকে কেবলই শূন্যতা তৈরি করে রেখে গেছে শেখ হাসিনা সরকার। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছোট, মাঝারি ও বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানই কমবেশি এই সমস্যার প্রভাব অনুভব করছে। ফলে ব্যবসা পরিচালনা, কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং লাভজনক অবস্থায় টিকে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

রাজধানী ও বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারও তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন বিনিয়োগে অনীহা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অর্থসংকটে বেশি ভুগছেন। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়িক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত সহায়তা বৃদ্ধি করলে তাঁরা সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

পুশইনের চেষ্টা : দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক দিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অবৈধভাবে মানুষ ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) অপচেষ্টা ঠেকানোর কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে এ ধরনের সম্ভাব্য ‘পুশইন’ প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি গোয়েন্দা নজরদারিসহ টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানাচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি যেকোনো পুশইন করার প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুন)
সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ

সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ

দেশের অর্থনৈতিকসহ নানা সংকটের মধ্যে বাড়তি আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংবিধান সংস্কারসহ অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া...

 

বিচার দেখতে চায় ভুক্তভোগী সবাই

বিচার দেখতে চায় ভুক্তভোগী সবাই

আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার শেষে মামলার রায় হচ্ছে মাত্র ২০ দিনে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়া...

 

দুই বাসার তিন ফুটেও শিশুদের নিরাপত্তা নেই : রামিসার বাবা

দুই বাসার তিন ফুটেও শিশুদের নিরাপত্তা নেই : রামিসার বাবা

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না...

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা

বৈশ্বিক বাজারে ক্রেতাদের মূল্যচাপ, কাঁচামাল ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের ভেতরে জ্বালানিসংকটের মধ্যে নতুন করে...

 

শূন্যরেখা থেকে বেশ কজনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

শূন্যরেখা থেকে বেশ কজনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

বাংলাদেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকাগুলোতে হঠাৎ করেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ কর্তৃক...

 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।...

 

উপকারভোগী নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ

উপকারভোগী নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ

দারিদ্র্য, মূল্যস্ফীতি ও আয়বৈষম্যের চাপ মোকাবেলায় সামাজিক সুরক্ষাকে নতুন কাঠামোয় ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার। আগামী...

 

সংসদ সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য হতে হবে গণমুখী

সংসদ সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য হতে হবে গণমুখী

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের...

 

ফাইনাল হারের হতাশা বাংলাদেশের

ফাইনাল হারের হতাশা বাংলাদেশের

যে ছন্দোময় ফুটবলের খোঁজে ছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা, তা পাওয়া গেল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে এসে।...

 

হতাশা কাটানোর সুযোগ ফ্রান্সের

হতাশা কাটানোর সুযোগ ফ্রান্সের

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামের সেই রাতের কথা সহজে ভুলতে পারার কথা নয় ফ্রান্সের। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা...

 

জীবনভর দিয়েথুয়ে শেষবেলায় নিঃস্ব

জীবনভর দিয়েথুয়ে শেষবেলায় নিঃস্ব

হুমায়ুন কবীর (ছদ্মনাম) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। তাঁর স্ত্রী নেই। দুই চাকরিজীবী ছেলের একজন যুক্তরাজ্যে,...

 

উন্মাদনার প্রতিফলন পতাকায়

উন্মাদনার প্রতিফলন পতাকায়

গ্রামের নাম বড়হাতিয়া। নামে যেমন, তেমনি কাজেও বিশাল কিছু ঘটিয়ে ফেলেছেন এই গ্রামের ফুটবলপাগল মানুষ। বিশ্বকাপ...

 

উপকূলীয় নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

উপকূলীয় নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ, ডেঙ্গু, পানিবাহিত রোগ ও প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। তবে এ পরিস্থিতিতে...

 

মবে নির্যাতনের দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার নেই

মবে নির্যাতনের দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার নেই

দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে মাদক বিক্রির অভিযোগে স্ত্রী ও মায়ের সামনে একজন মানুষকে মব সৃষ্টি করে বর্বরোচিত...

 

ইসরায়েল নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ মানুষের মনোভাব নেতিবাচক

ইসরায়েল নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ মানুষের মনোভাব নেতিবাচক

বিশ্বের ৩৬টি দেশের বেশির ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। সেই সঙ্গে দেশটির...

 

সাদামাটা নির্বাচনেও চমকের প্রত্যাশা

সাদামাটা নির্বাচনেও চমকের প্রত্যাশা

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল...

 

জাবিতে নতুন দুই প্রোভিসি

জাবিতে নতুন দুই প্রোভিসি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুজন নতুন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (প্রোভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।...

 

ফ্যামিলি কার্ড থেকে খাল খনন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম ১০০ দিন

ফ্যামিলি কার্ড থেকে খাল খনন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম ১০০ দিন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রথম ১০০ দিন একটি প্রতীকী সময়। এই সময়কে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা থাকে আকাশছোঁয়া, সমালোচকদের...

 

শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্ক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন মানসম্পন্ন গবেষণা

শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্ক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন মানসম্পন্ন গবেষণা

সাম্প্রতিক সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা (মন্ত্রী) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের মধ্যে যে বক্তব্য ও...

 

মশার উপদ্রব বন্ধ হোক

মশার উপদ্রব বন্ধ হোক

বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে মশার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি গুরুতর...

 

সব হারিয়ে নিঃস্ব মমতা!

সব হারিয়ে নিঃস্ব মমতা!

শূন্য থেকে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) গড়ে তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি।...

 

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ, আটক ৬

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ, আটক ৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর-মন্তরে গতকাল শনিবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিক্ষোভ করেছে। এতে শত শত...

 

ইজারা নিয়ে জলাশয়ে বাণিজ্যিক পার্ক

ইজারা নিয়ে জলাশয়ে বাণিজ্যিক পার্ক

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের অধীনে থাকা ৫০ একরের...

 

লামায় বিনামূল্যে তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

লামায় বিনামূল্যে তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

বান্দরবানের লামায় গত শুক্রবার দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে লামা...

 

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত

ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ আয় করেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। তাঁদের আয় থেকে ৭.৫০ শতাংশ...

 

বৈদ্যুতিক গাড়িতে চীনের গর্ব ‘বিওয়াইডি’

বৈদ্যুতিক গাড়িতে চীনের গর্ব ‘বিওয়াইডি’

বিওয়াইডিকে বলা হয় টেসলা কিলার। কম্পানিটিকে কেন টেসলা কিলার বলা হয় তা জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ২০১১ সালে। টেসলা সে...

 

উচ্চ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পিছিয়ে দেশ

উচ্চ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পিছিয়ে দেশ

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয়...

 

সরকারি দর মিলছে না রাজারহাটে

সরকারি দর মিলছে না রাজারহাটে

কোরবানির ঈদের পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম কাঁচা চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাটে দুটি বড় হাট অনুষ্ঠিত...

 

ফেরত যাচ্ছে ৬১ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজ

ফেরত যাচ্ছে ৬১ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজ

চট্টগ্রামের শিপব্রেকিং শিল্পে ভাঙার জন্য আমদানি করা প্রায় ৬১ কোটি টাকা মূল্যের মেমেই নামের একটি স্ক্র্যাপ...

 

গ্রামবাংলার সঞ্চয়ে ভর করে এগোচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

গ্রামবাংলার সঞ্চয়ে ভর করে এগোচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

দেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাংকিং সেবার বিস্তার এজেন্ট ব্যাংকিং খাতকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে...

 

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া দরিদ্রদের জন্য জাকাতের অর্থ ব্যয়

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া দরিদ্রদের জন্য জাকাতের অর্থ ব্যয়

যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে গরিব হয়, অর্থাৎ তার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে এবং তার পড়াশোনা ও মৌলিক প্রয়োজন পূরণের...

 

জনগণকে স্বাবলম্বী করতে স্বস্তিদায়ক বাজেট দিতে চায় সরকার : চিফ হুইপ

অনলাইন ডেস্ক
জনগণকে স্বাবলম্বী করতে স্বস্তিদায়ক বাজেট দিতে চায় সরকার : চিফ হুইপ
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সাধারণ জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার।

শনিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও মো. আখতারুজ্জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন বাজেট অধিবেশন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সংসদে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে বাজেট পাস করা হবে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখা, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

চিফ হুইপ জানান, বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, সমস্যা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়েছে। শিক্ষা খাতে যুগোপযোগী ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাত বিষয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গুসহ মৌসুমি রোগ মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত রয়েছে। হাসপাতাল অবকাঠামো সম্প্রসারণ, নতুন হাসপাতাল স্থাপন এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চলমান কার্যক্রম আরো জোরদার করা হচ্ছে।

যোগাযোগ খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবহন টার্মিনাল নির্মাণ এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিদ্যুৎ খাত বিষয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও সরকার ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে। বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা হলেও ৬৬ শতাংশ গ্রাহকের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না এবং ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য মূল্য অপরিবর্তিত থাকবে।

আইন ও বিচার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, বিচার প্রক্রিয়াকে আরো গতিশীল করতে সরকার কাজ করছে। শিশু নির্যাতনসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলোচিত রামিসা হত্যা মামলাটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর উল্লেখ করে তিনি জানান, মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং রবিবার এর রায় ঘোষণা করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

চিফ হুইপ আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও সেবার বাস্তব অবস্থা নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সরকারি সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে তা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংবিধান সংশোধন বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সময়ের প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধনের নজির রয়েছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও মৌলিক অধিকার অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সময়োপযোগী পরিবর্তনের উদ্যোগ সংসদীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক পক্ষ গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে এবং সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায়ও ইতিবাচক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সূত্র : বাসস

বাজেট ঘিরে উসকানি ও বিভ্রান্তি নিয়ে সতর্কতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
বাজেট ঘিরে উসকানি ও বিভ্রান্তি নিয়ে সতর্কতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভায় জাতীয় বাজেট ঘিরে সম্ভাব্য উসকানি ও বিভ্রান্তির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি দলের সংসদ সদস্যদের ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিগ্রহসহ বড় ধরনের আর্থিক চাপের মধ্যেই বিশাল অঙ্কের ঘাটতি বাজেট দিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হচ্ছে। তবে তিনি এমপিদের আশ্বস্ত করে বলেন, সুন্দর বাজেট পাবেন, আপনারা সন্তুষ্ট হবেন।

জাতীয় সংসদ ভবনে শনিবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এসব কথা বলেন এ সংসদ নেতা।

সভা পরিচালনা করেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

সভায় স্বাগত দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এর আগেই সংসদীয় দলের সভাটি হলো।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রী টানা ৪৮ ঘণ্টা বাজেট নিয়ে কাজ করেছেন। তিনিও (প্রধানমন্ত্রী) অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে ১৭ ঘণ্টা একসঙ্গে কাজ করেছেন।

দলীয় সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেট নিয়ে বিরোধী দল প্রতিক্রিয়া জানাবে, উসকানিমূলক বক্তব্যও আসতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা ছড়ানো হতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, সভায় সংসদীয় দলের বৈঠকের গুরুত্বও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের সভার মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্যরা সংসদীয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, মন্ত্রীদের জবাব দেওয়ার ধরন এবং জবাবদিহির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় রদবদল হলে এখান থেকেই অনেকে স্থান পাবেন। তিনি দলের সংসদ সদস্যদের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার ওপরও গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সঠিক রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ও প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বক্তব্য দেন।

এই মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের প্রশ্ন করেন এবং মন্ত্রীরা সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।