জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্টস ভিসায় জামানতবিহীন ঋণের সীমা ৩ লাখ থেকে ১০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণপূর্বক প্রতিরোধমূলক ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্ন ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের (দ্বিতীয়) বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনের বৈঠক শুরু হয়।
প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় ৮-১০ বিঘা করে উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ১৮০ দিনের মধ্যেই ২ হাজার ৩৩৬টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান এবং ৮ হাজার ২৩২টি মাদ্রাসায় ফ্রি ওয়াইফাই চালু করা হবে। আগামী অর্থবছরে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহি নিশ্চিতকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশে পে-প্যালের কার্যক্রম চালু করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বিরোধী দলের এমপিদের এলাকায়ও সমানভাবে উন্নয়ন কাজ করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে। তাই সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতো বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের এলাকায়ও সমানভাবে উন্নয়ন কাজ করা হবে। একই সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনা থাকলে সরকার তা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।




