• ই-পেপার

ব্যাংক খাতে বড় সংস্কার, আমানতকারীদের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করতে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত সরকার : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে। নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত। 

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই সেশনের প্রতিপাদ্য হলো-ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের মানসিকতাকেই ধারণ করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে সরকার নতুন সম্ভাবনার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই এসেছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র ১০০ দিনের কিছু বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।

সম্মেলনে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, গত কয়েক মাসে আমাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-আমরা আমাদের দেশকে ফিরে পেয়েছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, দেশে একটি উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমার হাতে এখনও ভোট দেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আমি আশা করি, আপনারাও নির্বাচন প্রক্রিয়াটি উপভোগ করেছেন। এই নির্বাচন আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভিত্তি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেছে।

আশিক চৌধুরী আরো বলেন, আমরা সবসময় নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার কথা বলেছি। বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের যেকোনো দেশের বিনিয়োগকারীর কাছে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তারা শুধু ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি, বরং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তেছে।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। 

বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করেছি : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করেছি : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা বাজেটকে যথাসম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি। বাজেটের প্রতিটি বিষয়ই মূলত একেকটি প্রত্যক্ষ নীতির প্রতিফলন। আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, বিভিন্ন নীতির মাধ্যমে দেশের সব নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনাবিষয়ক সম্মেলন’-এর ‘ঝুঁকি মোকাবেলায় স্থিতিস্থাপকতার সদ্ব্যবহার’ শীর্ষক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের একটি প্লেনারি সেশনে অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, করনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নীতিনির্ধারকদের করব্যবস্থাকে একটি কার্যকর প্রভাবক হিসেবে বিবেচনা করা। এ জন্য এমন একটি দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ দল প্রয়োজন, যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করনীতি পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, আমরা একটি নতুন পথ তৈরি করেছি। যে সংস্থা নীতি ও করব্যবস্থা চূড়ান্ত করবে, তাদের সিদ্ধান্তে অবশ্যই জনগণের মতামতের প্রতিফলন থাকতে হবে। নীতির মূল অর্থই হলো- এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথমত একটি নীতিনির্ধারণী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। সেখানে দায়িত্বের সুস্পষ্ট বিভাজন থাকবে। আপনি যদি সঠিকভাবে নীতি প্রণয়ন করতে পারেন, তাহলে বাস্তবায়নের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।

অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, আমরা বাজেটকে যতটা সম্ভব অন্তর্ভুক্তিমূলক করার চেষ্টা করেছি। দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রয়োজন ও স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়েই নীতিগুলো প্রণয়ন করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, এর চেয়ে বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাজেট হওয়া কঠিন।

তিনি বলেন, আমার এক বন্ধু মজা করে আমাকে কিছুটা বামপন্থীঘেঁষা নীতির অনুসারী বলেছিলেন, কারণ আমরা ব্যাপক কল্যাণমূলক কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যারা দীর্ঘদিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে বা অবহেলিত ছিলেন, তাদের মূলধারায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবসময় চেষ্টা করেছি কিভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে বাস্তবে রূপ দেওয়া যায়। এখানেই সৃজনশীল অর্থনীতির ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে দেশের সব নাগরিককে অর্থনীতির মূল স্রোতে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, দেশের গ্রামীণ কারিগর, নাট্যশিল্পী, গায়ক, ডিজাইনার ও চিত্রশিল্পীদের মতো সৃজনশীল পেশাজীবীরা এত দিন অর্থনীতির মূলধারার বাইরে ছিলেন। তাদের পণ্য ও সৃজনশীল কাজের যথাযথ আর্থিক মূল্যায়নের সুযোগও ছিল না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই একজন গ্রামীণ কারিগর, যিনি মাটির পাত্র তৈরি করেন, কাপড় বোনেন কিংবা অন্য কোনো পণ্য উৎপাদন করেন, তিনি যেন সহজ শর্তে ঋণ পান, দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পান এবং পণ্যের নকশা ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা পান। পাশাপাশি আমরা এমন ডিজিটাল প্ল্যাটফরম তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছি, যা অ্যামাজন বা ইবের মতো বৈশ্বিক বাজারে তাদের পণ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে। 

তিনি বলেন, এবারের বাজেটেই সৃজনশীল অর্থনীতির বিষয়টি কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমরা ছোট পরিসরে শুরু করেছি, তবে ভবিষ্যতে ঐতিহ্যবাহী শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল সম্পদও এর আওতায় আসবে। ওটিটি প্ল্যাটফরমে জন্য যারা চলচ্চিত্র নির্মাণ করছেন, তারাও এই উদ্যোগের অংশ হবেন। 

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা এমন একটি ক্ষেত্র উন্মুক্ত করতে চাই, যা মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করবে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন আসবে। 

তিনি বলেন, আমাদের নীতিতে একটি ‘লাইফ সাইকেল অ্যাপ্রোচ’ থাকবে। একজন নাগরিকের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা এমন একটি জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তা কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যা দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ সৃজনশীল অর্থনীতি থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। উদাহরণ হিসেবে থাইল্যান্ডকে উল্লেখ করা যায়। আশির দশকে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা খুব শক্তিশালী ছিল না, কিন্তু সৃজনশীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে তারা নিজেদের অবস্থান বদলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ছাড়াও বিডার কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। 
 

ডিআরইউ সদস্যদের জন্য মার্কিন ভিসা সেবায় বিশেষ ছাড়

বাসস
ডিআরইউ সদস্যদের জন্য মার্কিন ভিসা সেবায় বিশেষ ছাড়

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্যরা এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রান্ট ও নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ ছাড় ও সুবিধা পাবেন। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বনামধন্য ইমিগ্রেশন ও বিনিয়োগ বিষয়ক অ্যাটর্নি ফার্ম রাজু ল’র সঙ্গে ডিআরইউ’র একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত সোমবার ডিআরইউ’র পক্ষে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এবং রাজু ল’র পক্ষে রাজু ল’ বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজার সমীর বিশ্বাস চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ডিআরইউ সদস্যরা ইবি-১, ইবি-৩, ফ্যামিলি পিটিশনসহ যেকোনো ইমিগ্রান্ট ভিসা-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করলে রাজু ল’র সার্ভিস ফি থেকে ১৫ শতাংশ ছাড় পাবেন। এছাড়া টুরিস্ট ভিসা বা বি-১/বি-২ ভিসা প্রসেসিং সেবার ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ ছাড় পাবেন।

ডিআরইউ সদস্যরা সংগঠনের পরিচয়পত্র অথবা ডিআরইউ’র ওয়েবসাইটে নাম প্রদর্শনের প্রমাণ এবং নিজ নিজ গণমাধ্যমের পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে রাজু ল’র দেশ-বিদেশের যেকোনো শাখা অফিস থেকে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

রাজু ল’র ঢাকার কারওয়ান বাজারে শাখা অফিস রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও আটলান্টাসহ দুবাই এবং পর্তুগালেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা রাজু মাহাজন, ইএসকিউ-এর নেতৃত্বে ১০ জন অ্যাটর্নি এবং দুই শতাধিক প্যারালিগ্যাল, কেস ম্যানেজার ও ল’ ক্লার্ক কর্মরত রয়েছেন।

চুক্তি স্বাক্ষর বিষয়ে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, 'সদস্যদের জন্য কল্যাণমূলক সুবিধা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হয়। রাজু ল’র মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে আমরা আশা করছি।'

ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, 'রাজু ল’ যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক আইনি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলেও এর কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনেকেই বাংলাদেশি হওয়ায় দেশের নাগরিকরা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতা ও অগ্রাধিকার পাবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।'

নিউইয়র্ক থেকে রাজু ল’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোকন উদ্দিন বলেন, 'দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সাংবাদিকদের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে পারলে আমি আনন্দিত হই। যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন বা নন-ইমিগ্রেশন ভিসা-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও পরামর্শের জন্য রাজু ল’র সব শাখা সাংবাদিকদের সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।'
 

ঢাকাসহ ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।