• ই-পেপার

গাবতলীতে শতাধিক নিমগাছের চারা বিতরণ করল বসুন্ধরা শুভসংঘ

লামায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বিনা মূল্যে ৩ মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
লামায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বিনা মূল্যে ৩ মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘শুভ কাজে সবার পাশে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামায় দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিন মাসব্যাপী বিনা মূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ মে) বিকেলে লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  এ সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণে ৪ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারীসহ ২০ জন অসচ্ছল ও দরিদ্র নারী অংশগ্রহণ করেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ লামা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও  লামা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লামা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও দৈনিক কালের কণ্ঠের লামা-আলীকদম প্রতিনিধি মো. তানফিজুর রহমান, দ্যা ডেইলি সান প্রতিনিধি মো. সাহাব উদ্দিন রিটু, বসুন্ধরা শুভসংঘ লামা উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম তুহিন ও মাজেদা বেগম। 

সভায় প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বক্তারা পার্বত্য জনপদের পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনা মূল্যে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণের আয়োজন করায় দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ ও বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।  

সভায় বক্তারা বলেন, নারীর সুঁই-সুতা বুননের মধ্য দিয়ে পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হতে পারে। এই প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান নারীরা যথাযথভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ পেলে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে নিজ পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। 

বক্তারা বলেন, বিনা মূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীরা যদি বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে বিনা মূল্যে সেলাই মেশিন পায় তাহলে নারীরা ঘরে বসেই আয়-রোজগার করতে পারবে। নারীরা স্বাবলম্বী হলে পারিবারিক নির্যাতন ও অশান্তি দূর হবে। 

সেলাই প্রশিক্ষণের সুযোগ পাওয়া রেশমা আক্তার প্রশিক্ষণ শেষে একটি সেলাই মেশিন পেলে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে নিজের ও পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে অবদান রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী  অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ লামা উপজেলা শাখার  সহ-সভাপতি ইয়াসিন মামুন ও মো. ইরান, সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস উদ্দিন ও দপ্তর সম্পাদক শাহরুখ ইন্তেজান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক মিনারা বেগমের তত্ত্বাবধানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রমনায় শুভসংঘের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রমনায় শুভসংঘের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ছবি : কালের কণ্ঠ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানীর রমনা এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ রমনা থানা শাখা।

শুক্রবার (৫ জুন ) রমনা থানা এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শুভসংঘের সদস্যরা পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য স্থানীয়দের উদ্বুদ্ধ করেন। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্ন নগরী গঠন এবং সবুজ পরিবেশ তৈরির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সদস্যদের নিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ভূমিকা পালনের শপথ পাঠ করানো হয়। শপথে সবাই পরিবেশদূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বৃক্ষরোপণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক নির্দেশনায় এবং রমনা থানা শাখার সভাপতি আশিক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয়।

এ সময় আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা এখন শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি অঙ্গীকার। একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়তে হলে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন ঘর থেকে শুরু করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু একটি দিবস পালন করলেই হবে না, বছরের প্রতিটি দিন পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তাহলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ রেখে যেতে পারব।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি ইকরা, সহসভাপতি রানা হোসেন ও আল-আমিন সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন আহম্মেদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রাব্বি হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মনির হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আয়েশা আকন ও জিনিয়া আক্তার, অর্থবিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জিসান আলম, পাঠাগার ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক রাফসান আহমেদ রিফাত, শিশু ও নারী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক লিজা আক্তার ও সোনালী আক্তার, প্রচার ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক রাতুল আহমেদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ওয়ারী থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম লাবিব, সদস্য আরাফাত, সিয়াম শেখ, ওমর, কামরুল, পাখি, কারিমা, লিজা, আরিফা ইসলাম, রিয়াদ, মুন্নাসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্ন নগরী গঠন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়; এটি সব নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব। একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গঠনের লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও পরিবেশবান্ধব ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করবে।

লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ

নাঈম রহমান, লালমনিরহাট
লালমনিরহাটে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্লাস্টিকদূষণ রোধে সচেতনতামূলক ‘প্লাস্টিকের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ রক্ষা, বৃক্ষরোপণ এবং প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল জমা দিয়ে বিনিময়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা সংগ্রহ করেন। কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে প্লাস্টিক জমা দিয়ে গাছের চারা গ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ লালমনিরহাট জেলা শাখার উপদেষ্টা এন্তাজুর রহমান ও তন্ময় আহমেদ নয়ন, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাঈম রহমান, লালমনিরহাট সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সজীব চক্রবর্তী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. এনামুল হক, সহসাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় চন্দ্র বর্মন, দপ্তর সম্পাদক মো. মুশফিকুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মো. আশিদুল হাবিব, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক শ্যামা রানী, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব রহমান, কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মোমেনা খাতুন সাথী এবং সদস্য আমির হামজা আকাশসহ অন্য স্বেচ্ছাসেবীরা।

বক্তারা বলেন, প্লাস্টিকদূষণ বর্তমানে পরিবেশের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব। পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজায়ন কর্মসূচিকে আরো বেগবান করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ব্যতিক্রমী ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

মোবাইল গেম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি ও মাদক থেকে তরুণদের দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা জানান, কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ফুটবল দল ও ক্লাবের খেলোয়াড়দের মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে তরুণদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা, সুস্থ বিনোদন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে উপজেলার রামনগর ফুটবল একাদশের খেলোয়াড়দের হাতে ফুটবল তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষক ও সমাজকর্মী মো. সবুজ খান।

আরো পড়ুন
শুভসংঘের উদ্যোগে মঠবাড়িয়ায় বিজয়ের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

শুভসংঘের উদ্যোগে মঠবাড়িয়ায় বিজয়ের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মো. সবুজ খান বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের সামনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। খেলাধুলা শুধু শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে না, এটি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধও তৈরি করে। বাংলাদেশে একজন বিসিএস ক্যাডারের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় হতে পারেন একজন সফল ক্রীড়াবিদ। জাতীয় দলের ফুটবলার হামজা চৌধুরী তার উদাহরণ। বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীও একজন ফুটবলার ছিলেন। তাই এই বয়সেই তরুণদের নিজেদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।

ফুটবল পেয়ে রামনগর ফুটবল একাদশের অধিনায়ক দিহান আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমরা নিয়মিত বিকেলে খেলাধুলা করি। নতুন ফুটবল পাওয়ায় আমাদের উৎসাহ ও দায়িত্ব দুটোই বেড়ে গেল। এখন আরও নিয়মিত অনুশীলন করতে পারব।

কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার (৫ জুন) পশ্চিম মালসাদহ (৫ নম্বর ওয়ার্ড) ফুটবল ক্লাবের খেলোয়াড়দের মাঝেও একটি ফুটবল বিতরণ করা হয়। ফুটবল পেয়ে ক্লাবের অধিনায়ক রাব্বি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই উপহার আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এতে আমাদের দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল।

আরো পড়ুন
শুভসংঘের উদ্যোগে নালিতাবাড়ীতে শিশু-কিশোরদের সাঁতার প্রশিক্ষণ

শুভসংঘের উদ্যোগে নালিতাবাড়ীতে শিশু-কিশোরদের সাঁতার প্রশিক্ষণ

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ হোসেন শিহাব।

তিনি বলেন, মাদক ও অনলাইন গেমিংয়ের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষেধক হলো খেলাধুলা। সুস্থ সমাজ গঠনে মাঠমুখী তরুণ প্রজন্মের কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা একদিকে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে এটি পেশা হিসেবেও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আমাদের জেলার গর্ব ইমরুল কায়েস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্যের মাধ্যমে সেই সম্ভাবনারই প্রমাণ রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, তরুণদের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কোন পথে এগোতে চায়। সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে খেলাধুলাও হতে পারে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ।

আরো পড়ুন
শুভসংঘ কারমাইকেল কলেজ শাখার বিতর্ক প্রতিযোগিতা

শুভসংঘ কারমাইকেল কলেজ শাখার বিতর্ক প্রতিযোগিতা

 

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার উপদেষ্টা পারভেজ সাজ্জাদ, সহসভাপতি আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাসার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য জায়েদ কবির, ইয়াসিন হাবিব ও ওয়াহিদুজ্জামান স্বপ্নীল উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি রাজু আহমেদ বনি।

তিনি বলেন, এই তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য তরুণদের খেলাধুলায় আরো সক্রিয় করা। শুধু আনন্দের জন্য নয়, খেলাধুলাকে ক্যারিয়ার হিসেবেও ভাবতে হবে। বিশ্বকাপের সময় উন্মাদনা সৃষ্টি করাই শেষ কথা নয়; নিয়মিত অনুশীলন ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ফুটবলও হতে পারে কর্মসংস্থান ও সাফল্যের একটি বড় ক্ষেত্র।

স্থানীয়রা মনে করছেন, খেলাধুলার সরঞ্জাম ও উৎসাহের অভাবে অনেক প্রতিভাবান কিশোর-তরুণ মাঠ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এমন উদ্যোগ তাদের আবার মাঠমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণদের সুস্থ বিকাশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরো বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছেন তারা।