• ই-পেপার

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল

আ. লীগকে দমন করতে গেলে কী হতে পারে, জানালেন সাবির মুস্তাফা

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগকে দমন করতে গেলে কী হতে পারে, জানালেন সাবির মুস্তাফা
সংগৃহীত ছবি

বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কী করলে কী হয়- বিএনপি সরকার অবশ্যই তা জানে। তারা বলতে পারে না যে আমরা জানতাম না। তারা যদি মনে করে যে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন নেই, আওয়ামী লীগ দুর্বল, সেজন্য আমি তাকে একেবারে পিটিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেব, তাহলে তারা খুব ভুল করবে। কারণ তারা মাটির সঙ্গে মিশে ছিল। এখন মাটি থেকে তারা উঠছে আস্তে আস্তে।

শনিবার (৬ জুন) ‘মানচিত্র’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব কথা বলেন তিনি।

সাবির মুস্তাফা বলেন, এখন যদি তারা (বিএনপি সরকার) মনে করে যে আবার তাদেরকে পিটিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে, তাহলে আমার মনে হয় যে ওই সেই পরিস্থিতি আর নেই, ২০২৪ সালে যে পরিস্থিতি ছিল, সেই পরিস্থিতি আর নেই। সেই ধরনের পরিস্থিতিও হুট করে চাইলেই সৃষ্টি করতে পারবেন না। কাজেই আওয়ামী লীগকে আপনি দমন করার একটা নীতি হাতে নিতে পারেন। কিন্তু সেটার পরিণাম দীর্ঘমেয়াদ বলব না, মধ্যমেয়াদেই সুখকর হবে না। কারো জন্য সুখকর হবে না। একটা অস্থিতিশীলতা, একটা সংঘাতের পটভূমি আস্তে আস্তে তৈরি হবে।

তিনি বলেন, এই পটভূমি মানে এই ঘটনা, এই পরিস্থিতি যাতে সংঘাতের দিকে না যায়, সেজন্য সরকারকে আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থাটা কী হতে পারে? হয় দমননীতি, সেটা আরো বেশি সংঘাতের সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। না হয় তাদের এই দমননীতি থেকে সরে আসে এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটা সমঝোতা করে তাদেরকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা। এখন এটা সরকারের ওপর নির্ভর করবে, বলটা সরকারের কোর্টে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম নিক্ষেপের হুমকি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের

অনলাইন ডেস্ক
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম নিক্ষেপের হুমকি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম নিক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৬ জুন) রূপগঞ্জের ৩০০ ফিট হাইওয়ের থেকে দাউদপুর ও রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ডিম হাতে এই হুমকি দেন।

একুশে টেলিভিশনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘আজকে রূপগঞ্জের মাটিতে নাকি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আগমন করবে। এ কারণে আমরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ডিম হাতে তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য দাউদপুর ও রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ রাস্তায় আছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’

তাদের আরো বলতে শোনা যায়, ‘এনসিপি তুই রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। এনসিপি তুই রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়। পাটোয়ারীর চামড়া তুলে নেব আমরা। হই হই রই রই, জামায়াত-শিবির গেলি কই। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’ তারা এসব স্লোগান দিতে থাকেন।

হাদি হত্যা মামলায় জাবের কেন বাদী? প্রশ্ন বোনের

অনলাইন ডেস্ক
হাদি হত্যা মামলায় জাবের কেন বাদী? প্রশ্ন বোনের
আব্দুল্লাহ আল জাবের ও মাসুমা হাদি। ছবি : সংগৃহীত

শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। তার অভিযোগ, হাদি হত্যা মামলার বাদী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে।

শুক্রবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে সেসময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন তিনি। মামলার বাদীর স্বাক্ষর নেওয়া নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

মাসুমা হাদি লিখেছেন, আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদী নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। সেই বিষয়েও এখন অবধি আমি মুখ খুলিনি। শুধু আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের আশপাশে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কিভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম। 

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিনের ঘটনা বর্ণনা করে তিনি লেখেন, আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনামাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দিই এবং সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে এক মিনিটের জন্য আমি হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যাওয়া তো দূরের কথা ওসমান গণিকে (শরীফ ওসমান হাদি) ছেড়ে ১ মিনিটের জন্য আমি নিচতলায় পর্যন্ত যাইনি।

তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রেখে বলেন, এখন আমার প্রশ্ন প্রশাসনের লোক এভারকেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিল কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি। আমাকে বোঝানো হয় যে, ওমরের (ওসমান হাদির ভাই) কাছে নাকি গিয়েছিল, ওমর বলছে এখন আমরা চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে এই বিষয়গুলো দেখা যাবে। চিকিৎসা ছাড়া এই মুহূর্তে আর কিছু ভাবতে পারছি না। উল্লেখ্য যে, এধ রনের অতি গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি মামলায় বাদীর ঘরে স্বাক্ষর আগে-পরে করা নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা নেই। এমনকি বাদীপক্ষ থানায় মামলা না করলেও পুলিশ উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সব ধরনের আইনি কার্যক্রম চালাতে পারে। 

তিনি আরো বলেন, আমি জানতে চাই, ওই মুহূর্তে ওমরের মানসিক অবস্থা যে কী, সেটা সবারই অনুভব করার কথা। ওসমান গণির রক্তে ওমর ফারুক রক্তাক্ত ছিল। কারণ একই রিকশায় দুই ভাই। বুলেট যদি আর একটা বের হতো ওমর হাদিও ওখানেই আমার ওসমান গণির মতো হয়ে যেতে। ওমরের গায়ে, পোশাকে এমনকি ওর হাতে যে ঘড়িটা ছিল সেটিতেও ওসমান গণির রক্তের দাগ শুকিয়ে ছিল। ওসমান গণিরে যেদিন সিঙ্গাপুর নেবে সেই দিন সকালে ওমর এভারকেয়ারে বসে গোসল করে এবং ঘড়িতে যে রক্তের দাগ ছিল তা পরিষ্কার করে। 

তিনি বলেন, মামলার বাদীর ব্যাপারে কার কাছে বলছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদী হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা কোনো প্রশ্ন ছিল না। কারণ আমার ওসমান গণির সঙ্গে যারা দীর্ঘদিন চলাফেরা করছে, এমন কোনো লোক নাই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না। সেই ছোট আপুর কাছে না এসে কার অনুমতি নিয়ে জাবের মামলার বাদী হলো, এটা পরিষ্কার করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, এখন আসি চিকিৎসার ব্যাপারে কিছু বলতে। আমার ভাই যখন এভারকেয়ারে তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ তাতে সম্মতি জানাইনি। আমার ওসমান গণিকে দেশের বাহিরে নেওয়ার জন্য সর্বপ্রথম ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেয় এবং ওসমান হাদির সব মেডিক্যালের ডকুমেন্ট প্রথমে সিঙ্গাপুর পাঠায়, সিঙ্গাপুর থেকে তারা রিজেক্ট করে দেয়। এরপর ওমর থাইল্যান্ডে মেডিক্যালের ডকুমেন্ট পাঠালে তারা গ্রহণ করে। ওমর একান্ত ব্যক্তিগত অর্থায়নে থাইল্যান্ডের জন্য ৫২ লাখ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে আনে এবং আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে টিকিট দেখিয়ে বলে, আর কাঁদিস না, চিকিৎসার অভাবে ওসমান গণিরে আমরা হারাইতে দেব না। আল্লাহ যদি হায়াত রাখে ওসমান গণি ফিরে আসবে। চিকিৎসার কোণো ত্রুটি রাখব না। ওমরের এই সিদ্ধান্ত সরকার জানার পরে সরকার ওসমান গণির চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং সরকার দ্বিতীয় দফায় ওসমান গণির মেডিক্যালের কাগজপত্র সিঙ্গাপুর পাঠালে তারা গ্রহণ করে এবং ওসমান গণিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। আর আমি ওসমান গণির সঙ্গে এভারকেয়ার থেকে এই প্রথম বের হই। 

তিনি বলেন, আমি এগুলো কিছুই কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারো বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম এইজন্য যে, একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কিভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না-ই পারেন, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন।

আমি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না? প্রশ্ন রাশেদের

অনলাইন ডেস্ক
আমি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না? প্রশ্ন রাশেদের
রাশেদ খাঁন।

রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে গণ অধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান। তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জামায়াত-এনসিপির সর্বোচ্চ নেতারাও পূর্বে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ছিলেন, সেখান থেকে এসে তারা রাজনীতি করতে পারলে তিনি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারবেন না? এমন প্রশ্ন রেখেছেন রাশেদ খান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ শুক্রবার দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘ব্যক্তি আক্রমণ করে আমাকে থামানো যাবে না।’

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনসহ দলটির নেতকর্মীদের সঙ্গে এখনো ভালো সম্পর্ক বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে আমি আলোচনা সাপেক্ষে দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছি। এমন না যে আমি আলোচনা না করেই চলে গিয়েছি।’

তিনি জানান, বিএনপির সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের ২০২২ সাল থেকে যুগপৎ আন্দোলনের সম্পর্ক ও একসঙ্গে নির্বাচনী জোট হয়েছে। নুরুল হক নুর বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। সুতরাং গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ কোথায়? এমন প্রশ্ন রাশেদ খানের।

তিনি বলেন, ‘আমি এমন কোনো দলে যোগদান করি নাই, যে দলের বিরুদ্ধে আমি অতীতে বিষোদগার করেছি। বরং বিএনপির সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের যথেষ্ট আদর্শিক ও মতাদর্শের মিল রয়েছে। জীবনে যেখানেই থাকি না কেন, গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার পার্থিব ও সামাজিক সম্পর্ক থাকবে। এখনো অনেকের সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ, আলোচনাও হয়। আমার বন্ধুত্বের সার্কেল বলতে এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ এই দলের নেতাকর্মীরাই। কারণ রাজপথ থেকে তাদের সঙ্গে যে রক্তের সম্পর্ক তৈরি করেছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক বিনষ্টের সুযোগ নেই।’

বিভিন্ন টক শোতে তার সহআলোচকরা তাকে ‘নব্য বিএনপি’ বলে দমিয়ে রাখতে চান দাবি করে রাশেদ খান বলেন, ‘টক শো বা আলোচনার টেবিলে যখন কেউ তথ্য বা যুক্তিতে পারে না, তাদের একটাই বক্তব্য রাশেদ খান নব্য বিএনপি। অথচ জামায়াতের বর্তমান আমিরও জাসদ ছাত্রলীগের নেতা। এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব দুজনেই ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা। তাহলে আমি কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না?’

তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধ আমার ব্রেন, আমার স্মৃতিশক্তি, আমার যুক্তিতর্ক? গালিগালাজ ও ব্যক্তি আক্রমণ করে আমাকে থামানো যাবে না। আমাকে থামাতে হলে রাজনৈতিক প্রতারণা বন্ধ করে দেশ ও জনগণের জন্য ইতিবাচক রাজনীতি করতে হবে।’