• ই-পেপার

মেন্টর হচ্ছেন মাহমুদ উল্লাহ

চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ শিরোপা ম্যান সিটির

ক্রীড়া ডেস্ক
চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপ শিরোপা ম্যান সিটির
সংগৃহীত ছবি

আন্তোয়ান সেমেনিওর দুর্দান্ত ফ্লিক গড়ে দিল ব‍্যবধান। চলতি মৌসুমে ট্রেবলের আশা বাঁচিয়ে রাখল ম‍্যানচেস্টার সিটি। চেলসিকে হারিয়ে এফএ কাপের শিরোপা জিতে নিল পেপ গার্দিওলার দল।

ওয়েম্বলিতে শনিবার ফাইনালে ১-০ গোলে জিতেছে সিটি। ম‍্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেছেন সেমেনিও।

স্টেডিয়ামে তখন ম্যাড়মেড়ে ফুটবলের ক্লান্তি। প্রথমার্ধের একঘেয়ে ফুটবল দেখে গ্যালারির দর্শকেরা যখন হাই তুলছেন, ঠিক তখনই মঞ্চে আবির্ভাব এক ঘানাইয়ান জাদুকরের। ম্যাচের বয়স তখন ৭২ মিনিট। আর্লিং হলান্ডের পাস থেকে আন্তোয়ান সেমেনিওর সেই অবিশ্বাস্য, চোখধাঁধানো ফ্লিক! বল যখন চেলসির জাল ছুঁয়ে গেল, ওয়েম্বলি তখন ম্যানচেস্টার সিটির নীল উৎসবে মাতোয়ারা। এই একমাত্র গোলেই চেলসিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে চলতি মৌসুমের দ্বিতীয় ট্রফি—এফএ কাপ ঘরে তুলল পেপ গার্দিওলার দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই চেলসির কৌশল ছিল অতি-রক্ষণাত্মক। নিজেদের গুটিয়ে রেখে সিটিকে আটকে রাখাই ছিল ব্লুদের মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে সিটির খেলায়ও চেনা সেই ধার বা সৃজনশীলতা ছিল না। ফলে প্রথমার্ধে মাঠের ফুটবলে রোমাঞ্চের বড্ড অভাব ছিল।

তবুও এর মাঝেই গোলের দেখা পেয়েছিলেন আর্লিং হলান্ড। কিন্তু বিল্ড-আপের সময় মাথেউস নুনেস অফসাইড থাকায় রেফারি সেই গোল বাতিল করেন। বিরতির ঠিক আগে মার্ক গুয়েহির চমৎকার পাস থেকে বল পেয়েছিলেন হলান্ড। কিন্তু তাঁর শট সরাসরি চলে যায় চেলসি কিপার সানচেজের গ্লাভসে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের আবহ কিছুটা বদলায়। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ম্যাচের নায়ক সেমেনিও নিজেই। নিকো ও’রাইলির দারুণ ক্রস থেকে ব্যাক পোস্টে ফাঁকায় বল পেয়েও হেডটি গোলবারের ওপর দিয়ে মারেন এই ফরোয়ার্ড। চেলসিও অবশ্য পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছিল। ময়জেস কাইসেদোর একটি হেড যখন সিটির গোললাইন অতিক্রম করার মুখে, ঠিক সেই মুহূর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় হেড করে বিপদমুক্ত করেন রদ্রি।

খেলার বয়স যখন মাঝামাঝি, তখন ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলাতে শুরু করে। ৭২ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হলান্ড-সিলভার যুগলবন্দি থেকে পাওয়া বলে সেমেনিওর ওই চোখজুড়ানো ফ্লিক ডেডলক ভেঙে দেয়। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চেলসি মরিয়া হয়ে ওঠে। সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। একটি লং থ্রো থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর তার নেওয়া ভলিটি ক্রসবারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল সিটি। কিন্তু মাথেউস নুনেস ও রায়ান চেরকির দুটি প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন চেলসি গোলরক্ষক সানচেজ। তবে তাতে সিটির অষ্টমবারের মতো এফএ কাপ জয় ও গার্দিওলার অধীনে ২০ নম্বর শিরোপা জয় আটকায়নি।

‘ভাগ্যেরও দরকার আছে’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘ভাগ্যেরও দরকার আছে’
মুখের হাসির মতোই আজ সিলেটে ব্যাট হেসেছে লিটনের। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বরাবরই ব্যাট হাসে লিটন দাসের। সেই তাকেই যদি ‘জীবন’ দেন পাকিস্তানের ফিল্ডাররা তাহলে উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের জন্য দিনটা ‘সোনায়-সোহাগা’ হওয়ার কথা। হয়েছেও। ভাগ্যের সহায়তা পেয়ে দিনটা নিজের করে নিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার।

সিলেট টেস্টে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন লিটন। ১২৬ রানের ইনিংসটি খেলার পথে দুবার ‘জীবন’ পেয়েছেন তিনি। দিনশেষে তার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টা তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা খুররাম শেহজাদ। পাকিস্তানি পেসারের কথার সুর অনেকটা এমন—লিটন আজ ভাগ্যবান ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে এসে অনেকটা সরল স্বীকারোক্তি লিটনের। তবে প্রতি উত্তরে কিছুটা ভিন্ন সুরও ছিল। তা হচ্ছে-ভাগ্যেকে পাশে পেলেই কি সবাই কাজে লাগাতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘ভাগ্যবান? ঠিক আছে, কখনো ভাগ্যেরও দরকার আছে। আর ভাগ্যের কথা, ক্রিকেটে তো সব সময় আপনার এক শতে এক শ হবে না। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে ভাগ্য সহায় হলে আরো কাজে লাগে।’

বাংলাদেশের কঠিন সময়ে ভাগ্যেকে পাশে পেয়েছেন লিটন। কেননা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ধুঁকছিল বাংলাদেশ। এমন কঠিন সময়ে টেলএন্ডারদের নিয়ে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন তিনি। ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন দলকে। সে সময় সতীর্থদের সঙ্গে তার কী পরিকল্পনা ছিল, সেটাই ম্যাচ শেষে ব্যাখ্যা করলেন তিনি। 

লিটন বলেছেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার সময় উইকেটটা একটু কঠিন ছিল। জানতাম না খেলাটা এত দূরে যাবে। যখন শুরুতে যাই মনে হচ্ছিল, টেলএন্ডের অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিন্তা ছিল মারতে গিয়ে যদি আরো ৩০ রান করে অলআউটও হয়ে যাই, অন্তত কঠিন কন্ডিশনে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে।’

এর আগে শেহজাদ বলেছেন, ‘তারা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। লিটনের ভাগ্য সহায় হয়েছে। একটা নয়, দুটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। যদি সেগুলো নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো সব কিছুই আলাদা হতো। হয়তো দুই শর আগেই অলআউট হয়ে যেত তারা।’

নাটকীয় জয়ে শিরোপা সেল্টিকের

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় জয়ে শিরোপা সেল্টিকের

স্কটিশ প্রিমিয়ারশিপের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হার্টসকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে সেল্টিক। এই নাটকীয় জয়ে রেকর্ড ৫৬ বার স্কটিশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল দলটি।

স্কটল্যান্ডের সেল্টিক পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হার্টসকে ৩-১ ব্যবধানে হারায় সেল্টিক।  

ম্যাচের ৪৩ মিনিটে অধিনায়ক লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ডের হেডার থেকে গোল করে হার্টসকে এগিয়ে নেন। এই স্কোরের ওপর ভিত্তি করে হার্টস গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথম লিগ শিরোপা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। কারণ শিরোপা জিততে তাদের কেবল ম্যাচটি ড্র করার প্রয়োজন ছিল।

প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে সেল্টিককে সমতায় ফেরান আরনে এঙ্গেলস।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় কালাম অস্মন্ডের পাস থেকে ডাইজেন মাইডা গোল করে সেল্টিককে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। লাইন্সম্যান প্রাথমিকভাবে গোলটিকে অফসাইড ঘোষণা করে। পরে ভিএআর চেকে দেখা যায় অফসাইড হয়নি। তাতে গোলটি বহাল থাকে।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ৮ম মিনিটে হার্টসের গোলরক্ষক অ্যালেক্সান্ডার শভোলো ফ্রি-কিক নেওয়ার জন্য ওপরে উঠে আসলে সেল্টিক পাল্টা আক্রমণ চালায় এবং ফাকা পোস্টে বল জড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন তরুণ খেলোয়াড় কালাম অস্মন্ড।

ম্যাচ শেষ হওয়ার ঠিক কয়েক সেকেন্ড আগে অস্মন্ডের গোলের পর হাজার হাজার উত্তেজিত সেল্টিক সমর্থক মাঠে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দুই দলের খেলোয়াড়দের দ্রুত টানেলে নিয়ে যায়। 

পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন

ক্রীড়া ডেস্ক
পাকিস্তানের ‘যম’ লিটন
সেঞ্চুরির পর লিটনের উদযাপন। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

বাংলাদেশের বিপক্ষে বারবার মঞ্চ প্রস্তুত করেও উদযাপন করা হয় না পাকিস্তানের। আসলে প্রতিপক্ষের উদযাপনের মুহূর্তটা কেড়ে নেন লিটন দাস। আজও যেমন সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। কিন্তু লিটন সেটা হতে দিলেন না।

পাকিস্তানকে পেলেই বাংলাদেশের ত্রাণকর্তা হন লিটন। বারবার খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলছেন তিনি। বিপরীতে পাকিস্তানের ‘যম’ হয়ে ওঠছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।

টেস্ট ক্যারিয়ারের ৬ সেঞ্চুরির তিনটিই পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছেন লিটন। তিন অঙ্কের শুরুটাও পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০২১ সালে। চট্টগ্রামে অভিষেক সেঞ্চুরির ইনিংসটি খেলেন ১১৪ রানের। সেই ইনিংসটিও খেলেছেন এমন এক সময় যখন ৪৯ রানে ৪ ‍উইকেট হারিয়ে ‘থরহরি কম্প’ বাংলাদেশের।

 

সেদিন মুশফিকুর রহিমকে (৯১) সঙ্গে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ২০৬ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে টেস্টে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করেছিলেন লিটন। তার সেঞ্চুরিতেই প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রান করেছিল বাংলাদেশ। যদিও তার ১১ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসটি পূর্ণতা পায়নি। কেননা দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং ধ্বসে ৮ উইকেটের হার দেখেছিল বাংলাদেশ।

রাওয়ালপিন্ডিতে অবশ্য শুধু লিটনের ব্যাট হাসেনি, হেসেছে বাংলাদেশও। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথমবার টেস্ট জয়ের সঙ্গে সিরিজও জিতেছে। সেটিও আবার তাদের মাটিতে। দুই টেস্টের সিরিজে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করাটা সম্ভব হয়েছে লিটনের অনবদ্য সেঞ্চুরির কারণে। 

দলীয় ২৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙে যাওয়ার পথে ঠিক তখনি বাধ সাধলেন লিটন। সপ্তম উইকেটে সিরিজসেরা মেহেদী হাসান মিরাজের (৭৮) সঙ্গে ১৬৫ রানের জুটি গড়েন ৩১ বছর বয়সী ব্যাটার। ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় ১৩৮ রানের ইনিংস খেলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশকে ২৬২ রানের সংগ্রহ এনে দেন। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার ধসিয়ে ৬ ‍উইকেটের জয় পায় বাংলাদেশ। 

 

আজ সিলেটেও বাংলাদেশের প্রায় একই পরিণতি হয়েছিল। স্কোরকার্ডে ১১৬ রান জমা হতেই ৬ উইকেট নেই নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। সেখান থেকে তাইজুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলামদের সঙ্গী করে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিলেন লিটন। দলের কঠিন মুহূর্তে যেভাবে ব্যাটিং করলেন তাতে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের আনন্দ ফিকে হয়ে যায়। অথচ, একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের বোলাররা তখন উড়ছিল সিলেটে।

পাকিস্তানের বোলারদের মাটিতে নামিয়ে পরে অবিশ্বাস্য এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। তিন অংকের ইনিংসের প্রতিটি বাউন্ডারি ছিল চোখে লেগের থাকার মতো। যেমনটা তার ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ব্যাটিং দেখে ইয়ান বিশপ বলেছিলেন, ‘লিটন যখন ব্যাট করে, মনে হয় মোনালিসার মত কোনো চিত্রকর্ম দেখছি।’ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি আজকের ইনিংসটি দেখলে হয়তো পুরোনো কথাই আরেকবার আওড়াবেন! পাকিস্তানের কিংবদন্তি রমিজ রাজা সিলেটের ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে তো লিটনের ইনিংসটিকে এক শব্দে ‘মাস্টারক্লাসই’ বলে দিলেন।

১২৬ রানে থামার আগে মাঠের প্রায় চতুর্দিকে বল পাঠিয়েছেন লিটন। ১৬ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে কি ছিল না? হুক, পুল, সুইপ সবই খেলেছেন। তিন অংক যেমন স্পর্শ করলেন দারুণ এক কাভার ড্রাইভে। ইনিংসটি খেলার পথে অবশ্য দুইবার জীবন পেয়েছেন তিনি। ৩২ রানের সময় স্পিনার সাজিদ খানকে ক্যাচ দিয়ে প্রথমবার বেঁচে যান তিনি। অন্যদিকে ৫২ রানের সময় উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ক্যাচ ধরে আবেদন করলে আম্পায়ার সাড়া দেন না। তবে হাতে রিভিউ থাকার পরে না নেওয়ায় জীবন পান লিটন। কেননা পরে রিপ্লেতে দেখা যায় লিটনের গ্লাভসে লেগেছিল বল। 

 

সবমিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন লিটন। ৭ টেস্টে ৬৫০ রান করেছেন তিনি। ৩ ছক্কার বিপক্ষে হাঁকিয়েছেন ২ ফিফটি। ৪৯২ রান নিয়ে দুইয়ে আছেন মুশফিক। কমপক্ষে ৭ টেস্ট খেলেছেন এমন দলের বিপক্ষেও সর্বোচ্চ ৫৯.০৯ গড় পাকিস্তানের বিপক্ষেই।
 
পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়ার ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড়ের তালিকা করা হলেও সেখানে বেশ সমৃদ্ধ লিটনের পরিসংখ্যান। বাবর আজম-শান মাসুদদের বিপক্ষে কমপক্ষে ১০ ইনিংস ব্যাটিং করেছেন এমন ব্যাটারদের মধ্যে বীরেন্দর শেবাগ (৯১.১৪) ও কুমার সাঙ্গাকারার গড়ের (৭৪.৬৪) পরেই লিটনের অবস্থান।