• ই-পেপার

সূর্যবংশীর চার-ছক্কার তাণ্ডবে আশা বাঁচল রাজস্থানের

হার্ট অ্যাটাকের পরেই খেলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তামিম

ক্রীড়া ডেস্ক
হার্ট অ্যাটাকের পরেই খেলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তামিম
হার্ট অ্যাটাক করার পর তামিমকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

গত বছরের ২৪ মার্চ ছিল তামিম ইকবালের জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ দিনগুলোর একটি। বিকেএসপিতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত (হার্ট অ্যাটাক) হন মোহামেডানের হয়ে খেলতে নামা তামিম। 

এরপর তামিমকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার হার্টে রিং পরানো হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসা নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। স্বীকৃত ক্রিকেটে সেটিই হয়ে আছে তামিমের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এক বছরের ব্যবধানে সেই তামিমই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মসনদে। গত মাসে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন সাবেক এই ওপেনার। 

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামিম জানিয়েছেন, কীভাবে হার্ট অ্যাটাক তার জীবনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হয়ে উঠল। 

ঠিক কখন মাঠের ক্রিকেট ছেড়ে বোর্ড পরিচালায় আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তামিম? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, গত বছরের হার্ট অ্যাটাকটাই ছিল আমার জীবনের সেই টার্নিং পয়েন্ট। তখন আমি জাতীয় দলে ফেরার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছিলাম। ঠিক ওই মুহূর্তে যখন আমার হার্ট অ্যাটাক হলো, আমি ভাবলাম—ব্যস, অনেক হয়েছে, আর নয়। হার্ট অ্যাটাকের পর আমার মনে হয়েছে ক্রিকেটে ফেরার জন্য এতটা ঝুঁকি নেওয়া আর ঠিক হবে না। কারণ আমি যদি ফিরতামও, বড়জোর আর এক বা দুই বছর খেলতে পারতাম। আমার পরিবারে সন্তানরা এখনো অনেক ছোট, আর শরীরটাও হয়তো ক্রিকেটে ফেরার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না।’

২২ গজ আর চিরচেনা সবুজ মাঠ ছেড়ে বিসিবির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বোর্ড রুমে মানিয়ে নেওয়াটা যে সহজ নয়, তা অকপটেই স্বীকার করেছেন তামিম, ‘ভীষণ, ভীষণ আলাদা। তবে আমি তো এটাই চেয়েছিলাম। আমি ভেতরের সমস্যাগুলো ঠিক করতে চেয়েছিলাম। গত ১৭-১৮ বছর ধরে যখন আমি আমার সতীর্থদের সঙ্গে খেলতাম, খেলোয়াড় হিসেবে আমরা যেসব জিনিস নিয়ে সবসময় অভিযোগ করতাম, আমি ঠিক সেই সমস্যাগুলোই সমাধান করতে চাই যেন বর্তমান ও ভবিষ্যতের ক্রিকেটারদের মনে আর কোনো ক্ষোভ না থাকে। আমি খুব ভালো করেই জানি, একা আমার পক্ষে সব কিছু বদলে ফেলা সম্ভব নয়। তবে আমি এটুকু নিশ্চিত যে, অন্তত সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের মান উন্নত করার জন্য যতটুকু দরকার, তা আমি করতে পারব।’

রামিসাকে নিয়ে সাকিবের আবেগঘন পোস্ট

ক্রীড়া ডেস্ক
রামিসাকে নিয়ে সাকিবের আবেগঘন পোস্ট
রামিসা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান সাকিব। ছবি : কালের কণ্ঠ ও ফেসবুক

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের হত্যার ঘটনা প্রত্যেক মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। এমন নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা স্তব্ধ করে দিয়েছে সাকিব আল হাসানকে। ৭ বছরের শিশু রামিসাকে নিয়ে আজ আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

রামিসার একটি স্কেচ ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সাকিব লিখেছেন, ‘একটি শিশুর কান্না শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, এটি পুরো সমাজের ব্যর্থতার প্রতিধ্বনি। যারা নিষ্পাপ শৈশবকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংসতায় ধ্বংস করে, তারা মানবতার শত্রু। ন্যায়বিচার বিলম্বিত মানেই অন্যায়ের সাহস বাড়ানো। রামিসার জন্য দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

অনেকটা সাকিবের সুরেই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন আরেক সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি লিখেছেন, ‘রামিসার মতো কত নিষ্পাপ প্রাণ হারিয়ে গেছে, সেই হিসেব হয়তো কেউ রাখবে না। কিন্তু এই নৃশংসতার শেষ চাই। বিচারহীনতার প্রতিটি ঘটনা অপরাধীদের সাহস বাড়ায়। এই ঘৃণিত অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে, আনন্দে...।’

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়।

রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে। হত্যার আগে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা।

পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে। 

রামিসা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইলেন মাশরাফি-মুশফিকরা

ক্রীড়া ডেস্ক
রামিসা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইলেন মাশরাফি-মুশফিকরা
ছবি : মাশরাফির ফেসবুক থেকে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের হত্যার ঘটনায় ‍পুরো দেশ এখন উত্তাল। ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। এ ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন সবাই।

বাদ যাচ্ছেন না ক্রিকেটাররাও। ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে হত্যায় দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমরা। নিচে তাদের পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো—

প্রতিটি শিশু নির্ভয়ে বেড়ে উঠুক, এমন বাংলাদেশ চেয়ে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি লিখেছেন, ‘রামিসার মতো কত নিষ্পাপ প্রাণ হারিয়ে গেছে, সেই হিসাব হয়তো কেউ রাখবে না। কিন্তু এই নৃশংসতার শেষ চাই। বিচারহীনতার প্রতিটি ঘটনা অপরাধীদের সাহস বাড়ায়। এই ঘৃণিত অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে, আনন্দে...।’

যারা এমন নৃশংস কাজ করে তারা মানবতার শত্রু উল্লেখ করে সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব লিখেছেন, ‘একটি শিশুর কান্না শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, এটি পুরো সমাজের ব্যর্থতার প্রতিধ্বনি। যারা নিষ্পাপ শৈশবকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংসতায় ধ্বংস করে, তারা মানবতার শত্রু। ন্যায়বিচার বিলম্বিত মানেই অন্যায়ের সাহস বাড়ানো। রামিসার জন্য দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আর কোনো পরিবারকে যেন এমন কষ্ট সইতে না হয় এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে মুশফিক লিখেছেন, ‘আজ সকালে খবরটা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেছি। ছোট্ট রামিসার নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর আশ্রয় পাওয়ার কথা ছিল, এমন ভয়ানক নিষ্ঠুরতা নয়। এই নিষ্পাপ শিশুটির জন্য দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি। কোনো পরিবারকে যেন এমন কষ্ট সইতে না হয়। শিশুদের ওপর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত লিখেছেন, ‘আমরা এমন এক সমাজ চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদে হাসতে পারবে; ভয় নয়, স্বপ্ন নিয়ে বড় হবে। আর কোনো জীবন যেন এভাবে থেমে না যায়। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আর দোষীদের এমন শাস্তি হোক, যা সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।’

ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ লিখেছেন, ‘মিরপুরের পল্লবীতে নির্মমতার শিকার শিশু রামিসা ও এই ধরনের অন্য সব ঘটনায় দোষীদের দ্রুত সময়ের মাঝে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে আরো সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব, সম্মান ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। রামিসার মতো আর কোনো শিশুকে যেন এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়, সেই দায়িত্ব আমাদের সবার।’

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়।

রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতা দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে। ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা।

পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে।

দ্রাবিড় ও রাঠোরের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কোহলি

ক্রীড়া ডেস্ক
দ্রাবিড় ও রাঠোরের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কোহলি
ছবি : এএনআই

ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি নেতৃত্বের মানসিক চাপ নিয়ে মুখ খুলেছেন। নেতৃত্বের চাপ কাটিয়ে উঠতে ভারতের সাবেক প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর তাকে ক্রিকেট খেলার আসল আনন্দ পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করেছেন।

এএনআইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে নেতৃত্বের গুরুভার ঝেড়ে ফেলার পর কোহলির মানসিক অবস্থা এবং ফর্মের যে অবনতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার নেপথ্যে এই দুই কোচের অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরের এক পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে কোহলি বিভিন্ন ফরম্যাটে প্রায় এক দশক ধরে অধিনায়কত্বের চাপ বয়ে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ‘অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়ার পর অত্যন্ত কঠিন ও মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছিলাম।’

অধিনায়ক এবং ব্যাটিং ইউনিটের মূল ভরসা হওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনে বিশাল চাপ তৈরি হয়েছিল। ২০২২ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর অফ-ফর্মের থাকাকালীন বছরের ৬টি টেস্টে ২৬.৫ গড়ে মাত্র ২৬৫ রান করতে সক্ষম হন। এক পর্যায়ে ‘ইম্পোস্টার সিন্ড্রোম’ বা আত্মবিশ্বাসের অভাবজনিত মানসিক জটিলতায় ভুগতে শুরু করি বলে যোগ করেন তিনি।

২০২১ সালের নভেম্বরে দলের দায়িত্ব নেওয়া প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর কোহলির মনের ভেতরের এই লড়াইগুলোকে অনুধাবন করেন। কোহলি জানান, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরই দ্রাবিড় ও রাঠোরের কাছে নিজের মানসিক অবস্থা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা শুরু করেন। তারা অত্যন্ত যত্নশীলভাবে তার পাশে দাঁড়ান এবং কোহলির হারানো আত্মবিশ্বাস ও খেলার প্রতি ক্ষুধা ফিরিয়ে আনেন।

দ্রাবিড়ের অভিভাবকত্ব এবং দিকনির্দেশনায় ২০২৩ সালে কোহলি দুর্দান্তভাবে ফর্মে ফেরেন। সেই বছর তিনি ৫৬ গড়ে দুটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ৮টি টেস্টে ৬৭১ রান সংগ্রহ করেন।

কোহলির বলেন, ‘দুই ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে নতুন করে ২২ গজের লড়াই উপভোগ করতে শিখিয়েছে।’