• ই-পেপার

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ চূড়ান্ত দলে থাকতে পারে দুই চমক

কুল-বিএসপিএর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হামজা

ক্রীড়া ডেস্ক
কুল-বিএসপিএর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হামজা
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতেছেন হামজা। ছবি : কালের কণ্ঠ

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন হামজা চৌধুরী। আজ বিচারকদের রায়ে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী ফুটবলার।

শুধু বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদই নন, ক্রীড়াপ্রেমীদের ভোটে পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ডও জিতেছেন হামজা। ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ এ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কারজয়ী হামজার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা ও হকি খেলোয়াড় আমিরুল ইসলাম।

ইংল্যান্ডে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না হামজা। তবে পুরস্কার জেতার অনুভূতি ঠিকই প্রকাশ করেছেন লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ, বন্ধু এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সাপোর্ট দেওয়া জন্য।’

প্রথমবার এই ক্রীড়া পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬৪ সালে।  সবমিলিয়ে ১৬ বিভাগে মোট ১৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সংস্থা পুরস্কার জিতেছেন।

পুরস্কার বিজয়ীরা—
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ : হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানারআপ), আমিরুল ইসলাম (রানারআপ)।
পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড : হামজা চৌধুরী।
বর্ষসেরা ক্রিকেটার : রিশাদ হোসেন।
বর্ষসেরা ফুটবলার : হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড় : আমিরুল ইসলাম।
বর্ষসেরা আর্চার : আবদুর রহমান আলিফ।
বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় : খই খই সাই মারমা।
বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় : আল আমিন জুমার।
বর্ষসেরা কোচ : পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)।
বর্ষসেরা আম্পায়ার : সেলিম লাকী (হকি)।
বর্ষসেরা সংগঠক : কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (আর্চারি)।
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ : রিপন মন্ডল (ক্রিকেট)।
তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব : আলমগীর কবীর (ক্রিকেট কোচ)।
বিশেষ সম্মাননা : শাহনাজ পারভীন মালেকা (কাবাডি কোচ)।
সেরা পৃষ্ঠপোষক : প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
সক্রিয় ফেডারেশন : বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন।

র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান নতুন কোচ ডুলি

ক্রীড়া ডেস্ক
র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান নতুন কোচ ডুলি
বাংলাদেশের পতাকা হাতে কোচ থমাস ডুলি। ছবি : মীর ফরিদ

হাভিয়ের কাবরেরা এখন অতীত, বাংলাদেশের ফুটবলে শুরু হতে যাচ্ছে টমাস ডুলির অধ্যায়। গতকাল জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান কোচকে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নতুন কোচকে ‘কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডের’ অনুষ্ঠানে পরিচয় করে দিয়েছেন বাফুফের সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

বিকেলে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন ডুলি। তার মেয়াদে বাংলাদেশকে কোথায় দেখতে চান সেটাই জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক মিডফিল্ডার। তিনি বলেছেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো র‍্যাংকিংয়ে ১৬০ বা ১৫০-এর মধ্যে চলে আসা। এটা রাতারাতি হবে না। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এ নিয়ে আমি একটা বইও লিখেছি— ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট সাকসেস ইন সকার দ্যাট নো ওয়ান টিচেস’ (ফুটবলে সাফল্যের সেই সত্য যা কেউ শেখায় না)। সেখানে চারটি মূল স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে এবং তার একটি হলো মানসিকতা।’

মানসিকতার বিষয়ে ডুলি বলেছেন, ‘মানসিকতা হুট করে বদলায় না, এটা হলো আপনার চিন্তা করার ধরন। আমাদের ফুটবল নিয়ে ভাবতে হবে এবং আমাদের কী করা দরকার তা বুঝতে হবে, তাহলেই আমরা যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারব। লক্ষ্যটা বাস্তবসম্মত হতে হবে। ১৬০ এর নিচে নামাটা বাস্তবসম্মত। তবে তা আগামীকালই সম্ভব নয়, হয়তো এক বছরের মধ্যে সম্ভব।’

ডুলি বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হলো দলটিকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যাতে তারা আরও বেশি নজর কাড়তে পারে এবং সুন্দর ফুটবল খেলতে পারে। আমি ফুটবল খেলতে পছন্দ করি, বলের পেছনে দৌড়াতে পছন্দ করি না। আমি আমার খেলোয়াড়দেরও এটাই বলছি। বল তাড়া করা জিনিসটা আমি পছন্দ করি না। কারণ তখন আপনাকে শুধু শুধুই দৌড়াতে হয় বলটি ফিরে পাওয়ার জন্য, আর অধিকাংশ সময় আপনি বল ফেরতও পান না। আমি ফুটবল পায়ে রেখে খেলতে পছন্দ করি। আর আমি খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করতে চাই, কারণ কোনো কিছু পেতে হলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে।’

ক্যারিকের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তি ম্যানইউর

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্যারিকের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তি ম্যানইউর
ম্যানইউর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করেছেন ক্যারিক। ছবি : এক্স থেকে

পারফরম্যান্স দুর্দান্ত হলে পুরস্কার তো প্রাপ্যই। আজ তেমনি এক পুরস্কার পেলেন মাইকেল ক্যারিক। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে এ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করায় তার সঙ্গে স্থায়ীভাবে চুক্তি করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

আগামী ২ বছরের জন্য ক্যারিককে কোচ নিয়োগ করেছে ম্যানইউ। আজ এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রেড ডেভিলসরা। এমন সুসংবাদে যারপরনাই খুশি মিডলসব্রোর সাবেক কোচ। তিনি বলেছেন, ‘২০ বছর আগে এখানে আসার পর থেকেই ম্যানইউর জাদু অনুভব করছি। বিশেষ এই ক্লাবকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব আমাকে গৌরাবান্বিত করে।’

 

গেল জানুয়ারিতে রুবেন আমোরিম বরখাস্ত হওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে ম্যানইউর দায়িত্ব নেন ক্যারিক। ক্লাবটির সাবেক মিডফিল্ডার দায়িত্ব নিতেই বদলে যায় ম্যানইউ। কতটা সেটা তার পরিসংখ্যান প্রমাণ দিচ্ছে। তার অধীনে লিগে ১৬ ম্যাচ খেলে ১১ টিতে জয় পেয়েছে রেড ডেভিলসরা। 

পয়েন্টের হিসেব করলে ক্যারিক আসার পর কোনো কোচই তার থেকে বেশি পয়েন্ট দলকে এনে দিতে পারেনি। সর্বোচ্চ ৩৬ পয়েন্ট জিতেছে ম্যানইউ। ৩৫ পয়েন্ট জিতে দুইয়ে আছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই ২ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে আবারও সুযোগ পেয়েছে তারা। সবমিলিয়ে লিগে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে এবারের মৌসুম তিনে শেষ করতে যাচ্ছে ম্যানইউ। শেষ ম্যাচে জিতলে পয়েন্ট আরও বাড়বে।

‘কোনো কিছু চিরস্থায়ী নয়’—সিটি ছাড়ার ঘোষণায় গার্দিওলা

ক্রীড়া ডেস্ক
‘কোনো কিছু চিরস্থায়ী নয়’—সিটি ছাড়ার ঘোষণায় গার্দিওলা
মৌসুম শেষেই সিটি ছাড়ছেন গার্দিওলা। ছবি : রয়টার্স

ম্যানচেস্টার সিটির ডাগআউট ছাড়ছেন পেপ গার্দিওলা। এমন গুঞ্জন অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে সেটা সত্যি হলো। আজ ইতিহাদের ক্লাবটির সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ। 

মৌসুম শেষেই সিটিজেনদের ডাগআউট ছাড়ছেন গার্দিওলা। তাতে চুক্তির মেয়াদ এক বছর বাকি থাকতেই চলে যাচ্ছেন তিনি। কেন যাচ্ছেন এ প্রশ্ন অবশ্য করতে মানা করেছেন ৫৫ বছর বয়সী কোচ। ছাড়ার ব্যাখ্যায় দার্শনিকতার পরিচয় দিলেন তিনি।

 

নিজের বিদায়ের বিষয়ে গার্দিওলা বলেছেন, ‘ক্লাব ছাড়ার কারণ জিজ্ঞেস করবেন না। কোনো কারণ নেই। আমি জানি আমার সময় হয়েছে। কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। যদি তাই হতো আমি এখানে থাকতাম। তবে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে অনুভূতি, এখানকার মানুষ, স্মৃতি এবং ম্যানচেস্টার সিটির প্রতি আমার ভালোবাসা।’

 

২০১৬ সালে সিটির কোচ হয়ে আসেন গার্দিওলা। দীর্ঘ ১০ বছরের সফল ক্যারিয়ারে ক্লাবকে সব ট্রফিই এনে দিয়েছেন তিনি। একটি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সঙ্গে তার অধীনে মোটে ১৭ মেজর ট্রফি জিতেছে সিটি। তার মধ্যে ৬টি লিগ শিরোপা রয়েছে। তার প্রস্থানে সিটির কোচ হতে পারেন এনজো মারেসকা। এর আগে চেলসির সাবেক কোচ মারেসকা সিটিতে গার্দিওলার অধীনে কাজ করেছেন।