দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। ৪ বছর আবারও বাংলাদেশ দলে জায়গা পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। সর্বশেষ ২০২২ সালে নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন তিনি।
মোসাদ্দেক ওয়ানডে খেলেছেন তারও ৩ মাস আগে। একই বছরের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এবার ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে ফিরছেন তিনি। প্রথম দুই ওয়ানডের ঘোষিত দলে আছেন তিনি।
তাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পারফরম্যান্সের পুরস্কারই পেলেন মোসাদ্দেক। আবাহনী লিমিটেডের হয়ে ৩১০ রান করা ব্যাটার শীর্ষ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ১১ নম্বরে থাকলেও এবার বেশ ধারাবাহিক তিনি। ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারের ৬ ইনিংস তারই প্রমাণ। ইনিংসগুলো হচ্ছে—১৭, ১০১, ৬২*, ৫৭, ৩০ ও ৪৩ (শুরুতে প্রথম ম্যাচ)।
দুর্দান্ত ফর্মের জন্যই দলে জায়গা পেয়েছেন মোসাদ্দেক। ১৬ সদস্যের দল ঘোষণায় সেটাই উল্লেখ করেছেন হাবিবুল বাশার সুমন। অলরাউন্ডারকে নেওয়ার ব্যাখ্যায় বিসিবির প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে যেখানে মোসাদ্দেককে আমরা চিন্তা করছি যেখানে আফিফ ব্যাটিং করে, নাম্বার সিক্স, সেখানে মোসাদ্দেক এই মুহূর্তে খুব ভালো ব্যাটিং করছে এবং নাম্বার সিক্সে হি ইজ মোর... তার স্কিল লেভেলটা আরো বেশি কাজে লাগবে আমাদের জন্য। সঙ্গে সে একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। আগেও খেলেছে, এমনকি প্রিমিয়ার লিগে খুব ভালো ফর্মে আছে। একই সঙ্গে ওর যে অলরাউন্ডার এবিলিটি সেটাও আমরা কাজে লাগাতে পারব। কারণ তার বোলিং দক্ষতা বেশ কাজে লাগবে।’
ব্যাটের পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগে বোলিং দক্ষতার প্রমাণও দিয়েছেন মোসাদ্দেক। ৭ ইনিংসে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তার ফেরাটা দলে ভারসাম্য রাখবে বলে মনে করেন হাবিবুল বাশার। সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ‘তিনি যদি আসেন আমাদের ব্যালেন্সটা আরেকটু ভালো হয়। আমরা পাঁচজন ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলি, দেন নাম্বার সিক্স বোলারদের মাঝে মাঝে আমরা একটু অভাব অনুভব করি। আমার মনে হয় মোসাদ্দেক সেই কাজটা খুব ভালো মতো কভার করতে পারবে—ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বোলিং দক্ষতা দিয়ে।’




