সব হিসেব যেন কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নিল জার্মানি। সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বিদায় নিয়েছিল ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই হতাশা ভুলতে এবার বিশ্বকাপ অভিযানে নেমেই কুরাসাওকে নিয়ে ছেলেখেলা খেলল তারা।
তাতে হিউস্টনে ফিরে এলো বেলো হরিজেন্তের স্মৃতি। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে তাদের ঘরের মাঠে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল সেবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এবার বিশ্বকাপে শুরুতেই সমান ব্যবধানে জিতল জার্মানি। বিশাল ব্যবধানে জিতলেও বিশ্বকাপে জার্মানির বড় জয় ৮-০ ব্যবধানের। সেই জয় ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে পেয়েছিল তারা।
অভিষেক বিশ্বকাপে তাই ‘জার্মান পাঠ’ পেল কুরাসাও। নিজেদের ইতিহাসে বিশ্ব মঞ্চে প্রথম ম্যাচেই ৭-১ ব্যবধানের বড় পরাজয় দেখল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশটি। দেড় লাখ জনসংখ্যার ছোট্ট দেশটির বিপক্ষে যেন ব্রাজিল ম্যাচের হাইলাইটস দেখাল জার্মানি।
রেফারির কিক অফের বাঁশি শেষ হতেই কুরাসাওয়ের ডি বক্সে মুহুর্মুহু আক্রমণ চালায় জার্মানি। তার ফলও পায় হাতেনাতে। ম্যাচের ৬ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন মিডফিল্ডার এনমেচা। তাতে অবশ্য ভড়কে যায় না কুরাসাও। তার প্রমাণ ২১ মিনিটের সমতায় ফেরা। সমতায় ফেরানো গোলটি করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান লিভানো কোমেনেনসিয়া। কুরাসাওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম খেলোয়াড় এখন তিনি। যে রেকর্ড ভাঙতে পারবে না আর কেউই।
বিস্তারিত আসছে...




