২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ এবার পৌঁছে গেছে মহাকাশে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ বলটি নিয়ে বিশেষ পরীক্ষা চালিয়েছেন নভোচারীরা। ফুটবল প্রযুক্তি ও বলের গতিবিধি সম্পর্কে আরো ভালো ধারণা পেতেই এই গবেষণা পরিচালনা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
শনিবার (২০২ জুন) নাসা জানায়, আইএসএসে অবস্থানরত নভোচারীরা অ্যাডিডাস নির্মিত ট্রিওন্ডা বল ব্যবহার করে মাইক্রোগ্রাভিটিতে বলের ভারসাম্য ও ভরকেন্দ্র কীভাবে এর গতিপথকে প্রভাবিত করে, তা পরীক্ষা করেছেন। এর মাধ্যমে ২০১৯ সালের একটি গবেষণার পুনরাবৃত্তি করা হয়।
নাসা তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল মহাকাশে গেছে। ক্রীড়া প্রকৌশলীরা একটি ফুটবলের ভরকেন্দ্র ও ভারসাম্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করেন, যাতে ম্যাচ চলাকালে বলের গতিবিধি আরো নির্ভুল ও পূর্বানুমানযোগ্য হয়।’
গবেষণায় দেখা হয়েছে, বলের ভারসাম্যের সামান্য পরিবর্তনও এর চলাচলে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বলের ভেতরে থাকা আধুনিক সেন্সর প্রযুক্তি মাঠের পারফরম্যান্সে কী ভূমিকা রাখে, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য অ্যাডিডাসের তৈরি ট্রিওন্ডা বলটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি। এতে সংযুক্ত ৫০০ হার্টজ গতির একটি মোশন সেন্সর ম্যাচ চলাকালে বলের অবস্থান ও গতিবিধির তথ্য সরাসরি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিস্টেমে পাঠাতে পারে। ফলে অফসাইডসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে রেফারিদের সহায়তা করে এই প্রযুক্তি।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ‘ট্রিওন্ডা’ নামটি এসেছে স্প্যানিশ ভাষার ‘তিন তরঙ্গ’ ধারণা থেকে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপের তিন স্বাগতিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্যের প্রতীক। বলটির নকশায়ও তিন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন প্রতীক যুক্ত করা হয়েছে।




