• ই-পেপার

শিবগঞ্জ রেলস্টেশন পুনরায় চালুর দাবি

ঢাকার খাল দখল ও দূষণ মুক্ত করুন

ঢাকার খাল দখল ও দূষণ মুক্ত করুন

ঢাকা একটি জনবহুল শহর। গত কয়েক বছরে শহরের জনসংখ্যা দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়ছে না শিক্ষা, সচেতনতা। ঢাকা শহরের খালগুলোর দিকে তাকালেই তা উপলব্ধি করা যায়। রাজধানী শহর ঢাকায় একসময় খালের সংখ্যা বেশি থাকলেও এখন সেগুলোর দেখা মেলে না। দূষণ ও দখলে অনেক খালই আজ বিলীন হয়ে গেছে। ঢাকার অনেক বাসিন্দা খাল ভরাট করে তৈরি করছে বাসভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা। পরিবেশ সম্পর্কে অজ্ঞতা, অসচেতনতাই মূলত এর প্রধান কারণ। সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যদি কঠোর ভূমিকা না নেয়, তাহলে খাল ভরাট সমস্যা প্রকট হতে থাকবে। জলাবদ্ধতার পাশাপাশি ছড়াবে রোগ-বালাই। এই সমস্যা সমাধানে সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। খাল দখল ও দূষণের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ঢাকার খালগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব।

বর্তমান সরকারের কাছে প্রত্যাশা, এই বিষয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নূরাত ইসলাম

শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা

রাস্তা সংস্কার চাই

রাস্তা সংস্কার চাই

বগুড়া সদরের বড়িয়াবটতলার দ্বিতীয় বাইপাসসংলগ্ন চৌরাস্তার পশ্চিম পাশের রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে রাস্তাটিতে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এটি একটি ব্যস্ততম এলাকা। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে অনেক মানুষ যাতায়াত করে। রাস্তার এই বেহালের কারণে প্রায়ই সিএনজি, বাস, অ্যাম্বুলেন্স, রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষের জন্য এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এমন ভগ্নদশা চলতে থাকলে অচিরেই এটি বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। নাগরিক নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা অতীব জরুরি। এ জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু দৃষ্টি কামনা করছি।

সরফরাজ শিপন

শিক্ষার্থী, সরকারি শাহসুলতান কলেজ, বগুড়া

যাত্রীবান্ধব হোক পঞ্চগড় এক্সপ্রেস

যাত্রীবান্ধব হোক পঞ্চগড় এক্সপ্রেস

বাংলাদেশের সব থেকে দীর্ঘতম রেলপথ যাত্রা হলো ঢাকা টু পঞ্চগড়। এই রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৫৯৩ কিলোমিটার। এই রেলপথে তিনটি আন্ত নগর ট্রেন চলাচল করে। ট্রেনগুলো হলো একতা, দ্রুতযান ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। তিনটি ট্রেনের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন ছিল পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। কারণ এটি একটি সেমি নন-স্টপ ট্রেন। তাই যাত্রীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন ছিল এটি। কিন্তু বর্তমানে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন কমছে। যাত্রার শুরুতে প্রায় এক-দেড় ঘণ্টা দেরি করে এবং পৌঁছানোর সময় প্রায় তিন-চার ঘণ্টা দেরি করা যেন নিত্যদিনের ঘটনা। এই ট্রেনের কাছে যাত্রীদের সময়ের কোনো মূল্য নেই। এ ছাড়া কোচের করুণ দশা। এই ধরনের কোচে যতগুলো সিট রাখা উচিত, তার থেকে অনেক বেশি সিট স্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে যাতে এই ট্রেনের শিডিউল ঠিক করা হয়। এটি সবচেয়ে দীর্ঘ পথের যাত্রা হওয়া সত্ত্বেও নিম্নমানের কোচ ব্যবহার করা হয়। যাত্রীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ভালো মানের কোচ ব্যবহারের অনুরোধ জানাচ্ছি।

মেরাজুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমান

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমান

ঈদে অন্যতম আনন্দ হলো প্রিয়জনদের কাছে বাড়ি ফেরা। কিন্তু আনন্দের এই যাত্রা প্রায়ই ভোগান্তিতে পরিণত হয়। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপের কারণে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে তীব্র ভিড় দেখা যায়। টিকিট সংগ্রহ করতে মানুষকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় টিকিট না পেয়ে যাত্রীরা দ্বিগুণ বা তিন গুণ ভাড়া দিতে বাধ্য হয়।

বাসে নির্ধারিত আসনের চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী তোলার ফলে যাত্রীদের গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরতে হয়। পাশাপাশি ট্রেনের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকে ট্রেনের ছাদে বা দরজায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করে। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা অনেকাংশে বেড়ে যায়। ঈদযাত্রার আরেকটি সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো যানজট। মহাসড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়। সামান্য পথ পাড়ি দিতেও অনেক সময় লেগে যায়।

তাই পরিবহন ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সড়কের খারাপ অবস্থা এবং ট্রাফিক আইন না মানা এই সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তোলে। তাই ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পর্যাপ্ত যানবাহনের ব্যবস্থা, সড়কের উন্নয়ন এবং কঠোর ট্রাফিক আইন প্রয়োজন।

রূপালী আক্তার

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া