• ই-পেপার

অসুস্থতার জন্য সময় আবেদন

পেছানো হলো মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩ মামলার বিচারকাজ

ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ অপেক্ষমাণ

হাম ও রুবেলার ভ্যাকসিন (টিকা) যথাসময়ে আমদানি না করে শিশুদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলা এবং টিকার অভাবে দেশব্যাপী মহামারি সৃষ্টি করে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আবেদন পরবর্তী শুনানি শেষে আদালত এ বিষয় আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল বাদী হয়ে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় এই মামলার আবেদন করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা খান শুনানি শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা এ বিষয়ে আদালতে মামলার আবেদন করেছি। আদালত আবেদন গ্রহণ করে এ বিষয়ে আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন। 

মামলার অভিযুক্তরা  হলেন— সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। 

এ সময় মামলার বাদী কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বিগত সরকার বর্তমান সরকারকে বিপদে ফেলতে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গেছেন। যার কারণে হামের টিকা না পেয়ে দেশে অনেক শিশু মারা গেছে। আমার এলাকায়ও অনেক শিশু মারা গেছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আমি আজকে আদালতে মামলার আবেদন করেছি। এখন আদালত পরবর্তী আদেশ দেবেন।

মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে শিশু জন্মের পর সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারিভাবে হাম ও রুবেলার টিকা নিয়মিত ও বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করা হয়। তবে ১নং আসামি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, ইউনিসেফের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়মিত টিকা আমদানির যে প্রচলিত প্রক্রিয়া ছিল, তা আসামিদের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ওপেন টেন্ডার বা উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছর সময়ক্ষেপণ করা হয়, যার ফলে দেশে টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।

​অভিযোগে আরো বলা হয়, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স (যিনি মামলার ২নং সাক্ষী) গত ২০ মে  তারিখে গণমাধ্যমে জানান যে, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকটের বিষয়ে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে ১ থেকে ৫নং আসামির দপ্তরের ৫/৬টি চিঠির মাধ্যমে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ না করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। কিন্তু আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও চরম অবহেলা প্রদর্শন করে সেই সতর্কবার্তায় কর্ণপাত করেননি।

টিকা না পাওয়ার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মহামারি আকার ধারণ করে। মামলার আরজিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি হিসাব মতেই গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন  তারিখ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৭৫,৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়। টিকার অভাবে সরকারি তথ্যমতেই দেশে প্রায় ৬১০ জন কোমলমতি শিশুর নির্মম মৃত্যু ঘটেছে এবং প্রায় ৭৫,৭০০ শিশু শারীরিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

​অভিযোগে নির্দিষ্ট করে কতিপয় শিশুর মৃত্যুর বিবরণ দিয়ে বলা হয়, বিগত ২ জুন  চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের হারুনুর রশিদ ও ইশরাত জাহান দম্পতির সন্তান আবদুল্লাহ আল ফাহিম এবং ২২ মে  আবদুল্লাহ আল নোমান নামে আরেক শিশু ঢাকার হাসপাতালে মারা যায়। এ ছাড়া ২২ এপ্রিল  জাফরজান ইসলাম ও হেলাল ভূঁইয়া দম্পতির একমাত্র সন্তান ফাইয়াজ হাসান তাজিম ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।

​বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ভিআইপি ব্যক্তি হওয়ায় স্থানীয় বনানী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করে আদালত বরাবর দায়ের করার পরামর্শ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে এই মামলার আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে জেলহাজতে আটকে রাখার এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের প্রার্থনা করা হয়েছে।

ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

হাম ও রুবেলার ভ্যাকসিন (টিকা) যথাসময়ে আমদানি না করে শিশুদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলা এবং টিকার অভাবে দেশব্যাপী মহামারি সৃষ্টি করে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ২৭০, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় এই মামলার আবেদন করেন। আবেদনের পর এ বিষয়ে শুনানির আবেদন গৃহীতের বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশুতোষ।

আরো পড়ুন
পুশইন ও সীমান্ত হত্যায় কড়া জবাব দেবে বিজিবি

পুশ ইন ও সীমান্ত হত্যায় কড়া জবাব দেবে বিজিবি

 

মামলায় আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী গোলাম মোস্তফা খান উপস্থিত আছেন।

​মামলার অভিযুক্তরা হলেন—সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। 

মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে শিশু জন্মের পর সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারিভাবে হাম ও রুবেলার টিকা নিয়মিত ও বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করা হয়। তবে ১ নম্বর আসামি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর, ইউনিসেফের মাধ্যমে বাংলাদেশে নিয়মিত টিকা আমদানির যে প্রচলিত প্রক্রিয়া ছিল, তা আসামিদের নির্দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ওপেন টেন্ডার বা উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ায় টিকা আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও দীর্ঘ দেড় বছর সময়ক্ষেপণ করা হয়, যার ফলে দেশে টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।

আরো পড়ুন
সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন

সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন

 

​অভিযোগে আরো বলা হয়, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স (যিনি মামলার ২ নম্বর সাক্ষী) গত ২০ মে গণমাধ্যমে জানান, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকটের বিষয়ে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে ১ থেকে ৫ নম্বর আসামির দপ্তরের ৫-৬টি চিঠির মাধ্যমে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ না করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। কিন্তু আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার ও চরম অবহেলা প্রদর্শন করে সেই সতর্কবার্তায় কর্ণপাত করেননি।

টিকা না পাওয়ার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মহামারি আকার ধারণ করে। মামলার আরজিতে দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারি হিসাব মতেই গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন  তারিখ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৭৫,৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়। টিকার অভাবে সরকারি তথ্যমতেই দেশে প্রায় ৬১০ জন কোমলমতি শিশুর নির্মম মৃত্যু ঘটেছে এবং প্রায় ৭৫,৭০০ শিশু শারীরিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরো পড়ুন
তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত

তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত

 

​অভিযোগে নির্দিষ্ট করে কতিপয় শিশুর মৃত্যুর বিবরণ দিয়ে বলা হয়, বিগত ২ জুন চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের হারুনুর রশিদ ও ইশরাত জাহান দম্পতির সন্তান আবদুল্লাহ আল ফাহিম এবং ২২ মে  আবদুল্লাহ আল নোমান নামে আরেক শিশু ঢাকার হাসপাতালে মারা যায়। এ ছাড়া ২২ এপ্রিল  জাফরজান ইসলাম ও হেলাল ভূঁইয়া দম্পতির একমাত্র সন্তান ফাইয়াজ হাসান তাজিম ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।

​বাদী অভিযোগে উল্লেখ করেন, আসামিরা অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ভিআইপি ব্যক্তি হওয়ায় স্থানীয় বনানী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করে আদালত বরাবর দায়ের করার পরামর্শ দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালতে এই মামলার আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে জেলহাজতে আটকে রাখার এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের প্রার্থনা করা হয়েছে।

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

অনলাইন ডেস্ক
নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ
সংগৃহীত ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আজ। সোমবার (৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে আজ প্রসিকিউশন প্রথমে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করবে। এরপরই শুরু হবে মামলার মূল সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন চার আসামি। তারা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হৃদয়, মাইনুল ইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।

এর আগে গত ১০ মে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনাল এই ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন। সে সময় কারাগারে থাকা ৪ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করলে আদালত সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিনটি (৮ জুন) ধার্য করেন।

পলাতক সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের সম্পদ জব্দে আইনি প্রক্রিয়া শুরু

অনলাইন ডেস্ক
পলাতক সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের সম্পদ জব্দে আইনি প্রক্রিয়া শুরু

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের তদন্তে নতুন তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে কক্সবাজার ও রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার নামে জমি ও প্লটের সন্ধান পাওয়ার পর এসব সম্পদ জব্দের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দুদকের আবেদনের পর আদালত সম্পদগুলো জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন।

বেসরকারি একটি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, দুদকের তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ রাজধানীর বনানী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন অভিজাত ক্লাবের সদস্য ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে এসব ক্লাবের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রভাব খাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সদস্যপদ নেওয়ার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।

আরো পড়ুন

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

 

দুদক বর্তমানে হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার তদন্ত করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ যেন হস্তান্তর, বিক্রি বা গোপন করা না যায়, সে জন্য আদালতের কাছে সম্পদ জব্দ ও ফ্রিজ করার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

এদিকে, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ৪৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এনএইচ স্পিনিং মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল হোসেনকে আগামী ১৪ জুন দুদকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান কর্মকর্তার কাছে তার বক্তব্য গ্রহণের জন্য এ তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরো পড়ুন

বাজেট বাড়ে, রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ে না

বাজেট বাড়ে, রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ে না

 

অন্যদিকে, দুদকের মামলার আসামি সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নূর মোহাম্মদের সম্পদের মূল্য নির্ধারণে গণপূর্ত অধিদপ্তর একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে।

দুদক জানিয়েছে, আলোচিত এসব মামলার তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।