<p style="text-align: justify;">ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনে নীতি সহায়তা প্রাপ্তির নতুন আবেদন জমার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p> <p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এসংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করা হয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭ এবং গত ২৪ নভেম্বর জারি করা সার্কুলার লেটার নং-২৬-এর আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংক খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। </p> <p style="text-align: justify;">নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নীতি সহায়তা পাওয়ার জন্য আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন আবেদন জমা দেওয়া যাবে। তবে যেসব ঋণগ্রহীতা এর আগে একই সুবিধা গ্রহণ করেছেন বা এসংক্রান্ত কমিটির মাধ্যমে সহায়তা পেয়েছেন তাদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করা হবে না।</p> <p style="text-align: justify;">সার্কুলারে আরো বলা হয়, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত অশ্রেণিকৃত ঋণ বিশেষ পুনর্গঠন সুবিধা পাবে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত বা খেলপি ছিল এমন ঋণও বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা পাবে।</p> <p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। নির্ধারিত ডাউন পেমেন্ট চেক বা অন্য কোনো ইনস্ট্রুমেন্টের মাধ্যমে প্রদান করা হলে তা নগদায়নের পর থেকেই এ সময় গণনা শুরু হবে।</p> <p style="text-align: justify;">সার্কুলারে আরো বলা হয়, বিশেষ এক্সিট সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণসমূহ ‘এক্সিট (এসএমএ)’ হিসেবে প্রদর্শন করতে হবে এবং এ ধরনের ঋণের বিপরীতে সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। তবে প্রকৃত আদায় ছাড়া পূর্বে সংরক্ষিত স্পেসিফিক প্রভিশন ব্যাংকের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না।</p> <p style="text-align: justify;">সম্পূর্ণ ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত এক্সিট সুবিধাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঋণসুবিধা ছাড়া নতুন কোনো ঋণসুবিধা প্রদান করা যাবে না বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।</p>