• ই-পেপার

ঢাবি ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক হচ্ছে

সার্টিফিকেটে তথ্য সংশোধনে ইচ্ছুকদের সতর্ক করল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
সার্টিফিকেটে তথ্য সংশোধনে ইচ্ছুকদের সতর্ক করল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
সংগৃহীত ছবি

সার্টিফিকেটে নাম, জন্মতারিখ বা অভিভাবকের তথ্য সংশোধনের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি চললেও এ সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দালালচক্র। দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আবেদনকারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় কোনো মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ না করে সরাসরি বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (২০ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Dhaka

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে নিজের নাম, মা-বাবার নাম এবং জন্মতারিখ বা বয়স সংশোধন সংক্রান্ত আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ১৫ দিনে প্রায় ৮ হাজার আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। অবশিষ্ট আবেদনগুলোও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

তবে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দালালচক্র দ্রুত আবেদন নিষ্পত্তির প্রলোভন দেখিয়ে আবেদনকারীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে। এতে অনেক আবেদনকারী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
 
এ অবস্থায় সব আবেদনকারীকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো দালাল বা মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ না করতে এবং কাউকে কোনো ধরনের অর্থ না দিতে। আবেদন সংক্রান্ত সমস্যা, তথ্য বা সহযোগিতার জন্য সরাসরি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কার্যালয়ে (৩ নম্বর ভবনের লিফট-৬) যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সেইসঙ্গে, দালালমুক্ত সেবা গ্রহণ এবং প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

পোষ্য কোটা বাতিলসহ ৪ দাবিতে ইবিতে ২ শিক্ষার্থীর আমরণ অনশন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
পোষ্য কোটা বাতিলসহ ৪ দাবিতে ইবিতে ২ শিক্ষার্থীর আমরণ অনশন
ছবি : কালের কণ্ঠ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন দুই শিক্ষার্থী। তারা হলেন সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ জীবন।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তারা অনশন শুরু করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন আচরণ বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।

অনশন শুরুর সময় প্রশাসন ভবনের ফটকে ‘যোগ্যতার জয় হোক, পোষ্য কোটা রোধ হোক’, ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি বাতিল চাই’ এবং ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধ চাই’ লেখাসংবলিত বিভিন্ন পোস্টার ঝুলিয়ে দেন তারা।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা বাতিল, অযৌক্তিক ফি কমানো এবং বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানি বন্ধের দাবিতে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বর্তমান প্রশাসনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন।

রাজু আহমেদ জীবন বলেন, পোষ্য কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে তিনি অনশনে বসেছেন। অনশনের সময় তাকে প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয় এবং অনশন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে আছেন। তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং পরিবার ক্যাম্পাসে আসবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বরেন্দ্র সভ্যতার ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হয়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বরেন্দ্র সভ্যতার ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হয়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। শিক্ষার্থীরা যেন এই প্রতিষ্ঠান থেকে অর্জিত মেধা ও উচ্চশিক্ষা কাজে লাগিয়ে নিজেদের সক্রিয়তায় বিকশিত হতে পারে এবং দেশ সেবায় ভূমিকা রাখতে পারে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজ চত্বরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘বরেন্দ্র কলেজ ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের (রাজশাহী) শিক্ষা ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করবে বলে আমার আশা।’

বরেন্দ্র অঞ্চলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ, যার সভ্যতা প্রায় ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার বছরের পুরনো। এই অঞ্চলের সংস্কৃতি, ভাষা ও শিক্ষা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আলোকিত করেছে।

তিনি রাজশাহী অঞ্চলের মহান ত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ড. জোহা এবং ১৯৭১-এর বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের রক্তে এই মাটি সমৃদ্ধ। শিক্ষকরা যেন শিক্ষার্থীদের এই সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত শিক্ষা প্রদান করেন।

মন্ত্রী জানান, বরেন্দ্র কলেজ সরকারিকরণের জন্য একটি উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি যেন ভবিষ্যতে বিশ্বমানের মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারে, সে লক্ষ্যে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। স্বাগত বক্তব্য দেন বরেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার সাহা। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

টেক্সটাইল খাতের উন্নয়নে এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
টেক্সটাইল খাতের উন্নয়নে এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘টেক্সটাইল খাতের উন্নয়নে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।’ 

আজ শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলস-এ ‘চতুর্থ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন টেক্সটাইল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘টেক্সটাইল খাত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। কিন্তু এই খাতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও রয়েছে। টেক্সটাইল খাতের উন্নয়নে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা টেক্সটাইল খাতে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে চাই। এ জন্য এ ক্ষেত্রে গবেষণা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি গতানুগতিকতার বাইরে এসে উদ্ভাবনী ধারণা সংযোজন করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও টেক্সটাইল বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক ল্যাবের সুবিধা থাকতে হবে যেন তারা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে কিভাবে প্রতিযোগিতা করতে হবে তা শিখতে সক্ষম হয়।’

এ সময় মন্ত্রী ‘গ্রিন টেক্সটাইল’ ও রিসাইক্লিং ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কনফারেন্সে জার্মানির হোখশুলে নিডাররাইন ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেসের অধ্যাপক বাস্টিয়ান কুয়াটেলবাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। 

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন।