• ই-পেপার

নেস্‌লে বাংলাদেশ পিএলসি পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

  • গুণগত মান ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের অঙ্গীকার

পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ওয়ালটনের মাসব্যাপী র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ওয়ালটনের মাসব্যাপী র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির হেডকোয়ার্টার্সে মাসব্যাপী র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। ওয়ালটনের এনভায়রনমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড সেফটি (ইএইচএস) বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি চলছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার (৭ জুন) ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ, বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আইডিয়া শেয়ারিং ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। সকালে ফলজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।

জানা গেছে, মাসব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে চলতি বছরের ১৯ মে থেকে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন কার্যক্রম শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে ৭ জুন স্থানীয় বিশাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিউনিটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

পাশাপাশি ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের আশপাশের এলাকা থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ ও রিসাইক্লিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং প্লাস্টিক দূষণ বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ ছাড়া আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য র‍্যালির। ব্যানার, ফেস্টুন ও পরিবেশবান্ধব স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে ওয়ালটন পরিবারের সদস্যরা র‍্যালিতে অংশ নেন।

র‍্যালি শেষে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় করণীয় ও ওয়ালটনের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবেশ সুরক্ষা, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী এবং ইএইচএস বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজুসহ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী বলেন, ওয়ালটন কেবল প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনই করে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কারখানা প্রাঙ্গণে ক্ষতিকর রাসায়নিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য শোধন এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের বৈশ্বিক স্লোগানকে ধারণ করে গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার এ ধারা আরও জোরদার করা হবে।

ইএইচএস বিভাগের প্রধান মোস্তাফিজুর রহমান রাজু বলেন, “আমাদের শিল্পাঞ্চলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব রোধ করতে আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করছি। ক্ষতিকর রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, তরল বর্জ্য শোধনাগারের সার্বক্ষণিক কার্যকারিতা এবং শতভাগ প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করেছি। আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সচেতনতা ক্যাম্পেইন আমাদের সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ।”

রেফ্রিজারেটর প্রোডাকশন বিভাগের প্রধান নাসির উদ্দীন, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান কাউসার উদ্দীন চৌধুরী এবং প্রশাসন বিভাগের প্রধান তানভীর আহম্মেদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

ইউআইইউ গড়ল এশিয়ার নতুন রোভার ইতিহাস

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইউআইইউ গড়ল এশিয়ার নতুন রোভার ইতিহাস
সংগৃহীত ছবি

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র (ইউআইইউ) সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স (সিএআইআর) দ্বারা পরিচালিত ইউআইইউ মার্স রোভার টিম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্য মার্স সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬ প্রতিযোগীতায় বিশ্বে ৩য় এবং এশিয়ায় ১ম স্থান অর্জন করেছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক মাইলফলক। একই সঙ্গে, এশিয়ার ২০ বছরের রোভার প্রতিযোগিতার ইতিহাসে এটি একটি অনন্য অর্জন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিজয়ী দলকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে বরণ করা এবং ঐতিহাসিক অর্জনের সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার জন্য একটি প্রেস কনফারেন্স রবিবার (৭ জুন) ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতাটি ২৭-৩০ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউটা স্টেটের হ্যাঙ্কসভিলে অবস্থিত মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশনে (এমডিআরএস) অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে অসাধারণ দক্ষতা ও ধারাবাহিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করে ‘ইউআইইউ মার্স রোভার টিম’ ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার এশিয়ার ১ম দল হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
 
প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন ইউআইইউ’র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য এবং ট্রেজারার ইঞ্জি: মো. আব্দুল মোকাদ্দেম, ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্স রিসার্চের (আইএআর) নির্বাহী পরিচালক এবং প্রফেসর এমেরিটাস ড. এম রিজওয়ান খান, ইউআইইউ স্কুল অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’র ডিন প্রফেসর ড. হাসান সারওয়ার, রেজিস্ট্রার ডা. মো. জুলফিকার রহমান এবং ইউআইইউ মার্স রোভার টিমের মেন্টর এবং ইউআইইউ কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো: আবিদ হোসাইন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনায় ছিলেন ইউআইইউ স্ট্রাটিজিক কমিউনিকেশন অফিসের পরিচালক জনাব আবু সাদাত। 

শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক উৎকর্ষতার পথে দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক যাত্রায় আরেকটি ঐতিহাসিক অধ্যায় যুক্ত করল ইউআইইউ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ইউআইইউ সংখ্যার চেয়ে মানকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজস্ব স্বাতন্ত্রত্ব তৈরি করেছে। “Quest for Excellence” ইউআইইউ’র শুধু একটি স্লোগানই নয়, এটি বিশ্ববিদ্যালয়টির সংস্কৃতি, কর্মদর্শন এবং প্রতিদিনের কাজের মানসিকতার প্রতিফলন। সেই ধারাবাহিক উৎকর্ষতার পথচলারই সর্বশেষ আন্তর্জাতিক রোভার প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে ।

চার দিনব্যাপী চূড়ান্ত রাউন্ডে, নিজেদের তৈরি সক্ষমতা এবং পরিচালন দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান, স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন, চরম পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা এবং ইকুইপমেন্ট সার্ভিসিং এই চারটি মিশন সফলতার সঙ্গে অতিক্রম করতে হয়েছে। ইউআইইউ মার্স রোভার সফলভাবে চারটি মিশনই সম্পন্ন করেছে এবং গর্বের সাথে দেশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছে।

বিশ্বের কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রতিযোগিতা করে, ইউআইইউ মার্স রোভার টিম মর্যাদাপূর্ণ ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ (ইউআরসি) ২০২৬ প্রতিযোগিতায় সর্বমোট ৪০৪.৪৪ পয়েন্ট পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ রোভার দলগুলোর মধ্যে ৩য় এবং এশীয়া দলগুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে। এ ছাড়া প্রতিযোগিতার পোডিয়ামে স্থান পাওয়ার পাশাপাশি দলটি ‘বেস্ট অটোনামাস সিস্টেম’ স্বীকৃতি লাভ করেছে। চূড়ান্ত ফলাফলে যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ইউনিভার্সিটি অফ এস অ্যান্ড টি মার্স রোভার ডিজাইন টিম ৪৬৯.৫৭ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ নোভা রোভার ৪১২.৪১ পয়েন্ট পেয়ে ২য় স্থান এবং বাংলাদেশের ইউআইইউ মার্স রোভার টিম ৪০০.৪৪ পয়েন্ট পেয়ে ৩য় হওয়ার গৌরব অর্জন করে । 

ইউআরসি আয়োজনের ব্যাপকতা ও প্রতিযোগিতামূলক প্রকৃতি বিবেচনা করলে এই অর্জন আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জ ২০২৬ প্রতিযোগীতায় প্রাথমিকভাবে সারা বিশ্ব থেকে মোট ১১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় দল অংশগ্রহণ করে। একটি কঠোর ও কয়েকটি পর্যায়ের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার পর, যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ’তে অবস্থিত মার্স ডেজার্ট রিসার্চ স্টেশন (এমডিআরএস)-এ চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মাত্র ৩৮টি দলকে নির্বাচিত করা হয়। ইউআইইউ মার্স রোভার টিম শুধু বিশ্বের সেরা দলগুলোর মধ্যে যোগ্যতা অর্জনই করেনি, বরং শেষ পর্যন্ত বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের শক্ত স্থান নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, ভারত, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো এবং তুরস্ক থেকে মোট ৩৮টি দল গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশ গ্রহণ করে।

এই অর্জন বাংলাদেশ এবং এশিয়া উভয়ের জন্যই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। অন-সাইট ইউনিভার্সিটি রোভার চ্যালেঞ্জের ২০ বছরের ইতিহাসে ইউআইইউ মার্স রোভার টিম প্রথম এশীয় দল হিসেবে বিশ্বমঞ্চে মর্যাদাপূর্ণ পোডিয়ামে স্থান করে নিয়েছে, যা একটি দীর্ঘদিনের বাধা ভাঙ্গাসহ এই অঞ্চলে রোবোটিক্স ও মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে একটি নতুন মানদন্ড স্থাপন করেছে একই সাথে প্রমান করে, বাংলাদেশ তথা এশিয়া থেকেও বিশ্বমানের রোবোটিক্স প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব।

ইউআইইউ মার্স রোভার টিমের পরামর্শক হিসাবে ছিলেন ইউআইইউ স্কুল অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’র ডিন প্রফেসর ড. হাসান সারওয়ার এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. সুমন আহমেদ। টিমের মেন্টর হিসাবে ছিলেন ইউআইইউ কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো: আবিদ হোসাইন। ইউআইইউ সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স’র (সিএআইআর) ০৯ জন ছাত্র ছাত্রীদের একটি দল উক্ত প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের টিম লিডার হিসাবে ছিলো শাইফ আল শাদ। অন্যান্যরা, সিনিযর লিডে মো: মোসফিকুর রহমান, কো-টিম লিডে শেখ সাকিব হোসেন, মেকানিক্যাল টিম লিডে সিয়াম ইবনে সারওয়ার, অটোনমাস টিম লিডে মো: সালমান কবির চৌধুরী, সায়েন্স টিম লিডে আয়েশা আক্তার সায়মা, কমিউনিকেশন টিম লিডে সাব্বির আহমেদ, মেকানিক্যাল টিম মেম্বার হিসাবে মো: মিমতিয়াজে ইসলাম হিমেল  এবং কমিউনিকেশন টিম মেম্বার হিসাবে মো. তাম্মায় নেতৃত্ব দিয়েছে।

ইউআইইউ মার্স রোভার টিমের এই সাফল্য এর শিক্ষার্থী, পরামর্শদাতা, ফ্যাকাল্টি মেম্বর এবং সমর্থকদের সমর্থন, নিষ্ঠা, উদ্ভাবন এবং অধ্যবসায়ের প্রতিফলন। রোবোটিক্স, স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এমবেডেড সিস্টেম এবং মেকানিক্যাল ডিজাইনে উন্নত গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে দলটি বিশ্ব মঞ্চে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। 

এই অসাধারণ অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় ও উদ্ভাবনী শক্তির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ইউনাইটেড গ্রুপ’র দূরদর্শী সহায়তা, উৎসাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি। ইউনাইটেড গ্রুপ সবসময় বিশ্বাস করে - বিশ্বমানের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রতিভা বিকাশই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির মূল ভিত্তি। শিক্ষা, গবেষণা অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগের মাধ্যমে তারা ইউআইইউকে আন্তর্জাতিক মানের একটি জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। 

এই অর্জন আরও একবার প্রমাণ করেছে - দূরদর্শী নেতৃত্ব, ফ্যাকাল্টি নির্দেশনা, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা একসঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশও বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে পারে। এছাড়াও এ অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সক্ষমতা তুলে ধরতে অনুপ্রাণিত করবে।

প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব

প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অল রাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব

প্রতিভাবান শিশু-কিশোরদের উজ্জ্বল প্রতিভার ঝলক দেখতে সারা দেশ ঘুরে মার্কস অল রাউন্ডার এখন ঢাকায়। আগামী ১২ ও ১৩ জুন ঢাকার মানিকগঞ্জ জেলা, শ্যামপুর এবং কদমতলি থানা, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং বন্দর থানা, ধানমন্ডি থানা আংশিক, কলাবাগান থানা আংশিক, মুন্সীগঞ্জ জেলা, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার এবং সোনারগাঁও থানায় অনুষ্ঠিত হবে মার্কস অল রাউন্ডারের আঞ্চলিক পর্ব।

১২ জুন, মানিকগঞ্জ জেলার সকল স্কুল ও কলেজকে নিয়ে মানিকগঞ্জ মডেল হাই স্কুল, শ্যামপুর এবং কদমতলি থানার সকল স্কুল ও কলেজ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং বন্দর থানার সকল স্কুল ও কলেজ নিয়ে মর্গ্যান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

১৩ জুন ধানমণ্ডি থানার আংশিক ও কলাবাগান থানা আংশিক নিয়ে সরকারি লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে, মুন্সীগঞ্জ জেলার সকল স্কুল ও কলেজ নিয়ে কাজী কমর উদ্দিন গভ. ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণে, রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার এবং সোনারগাঁও থানার সব স্কুল ও কলেজ নিয়ে ভুলতা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মার্কস অল রাউন্ডার ঢাকার আঞ্চলিক পর্ব দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।

অংশগ্রহণেচ্ছুদের https://marksallrounder.com/  এ গিয়ে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। বিস্তারিত জানা যাবে মার্কস অলরাউন্ডারের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ০৯৬১৪ ৫১৬১৭১ নম্বরে (সকাল ৮:০০টা - রাত ৮:০০টা) কল করে।

দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্টসহ পুরস্কার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দারাজ ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিসকাউন্টসহ পুরস্কার
সংগৃহীত ছবি

দেশের অন্যতম শীর্ষ ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ শুরু করেছে প্রতীক্ষিত ‘৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট’, যেখানে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় ছাড়, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড অফার এবং আরো বেশি সাশ্রয়ী কেনাকাটার অভিজ্ঞতা। ৫ জুন রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন চলবে ১০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে থাকছে বছরের অন্যতম সেরা অফার।

মধ্যবর্ষের কেনাকাটাকে আরো সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক করতে এই ক্যাম্পেইনে থাকছে মেগা ডিল ও ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০% পর্যন্ত ছাড় এবং হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭০% পর্যন্ত ছাড়। পাশাপাশি গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন সাইটজুড়ে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট, নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি এবং বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচার। ফলে ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন, এফএমসিজি, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, হেলথ অ্যান্ড বিউটি ও লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কেনাকাটা হবে আরো সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী।

ক্যাম্পেইনকে আরো আকর্ষণীয় করতে হারপিকের সহযোগিতায় থাকছে বিশেষ শপিং কনটেস্ট, যেখানে গ্রাহকরা জিতে নিতে পারবেন একটি স্যামসাং ৫৫ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি এবং একটি রিয়েলমি সি ১০০আই স্মার্টফোন। ৬ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলা এই আয়োজনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী গ্রাহকদের মধ্য থেকে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে, যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলবে।

ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী দিনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মাত্র ছয় ঘণ্টা পাওয়া যাবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট। এছাড়াও পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্যাটাগরি-ভিত্তিক বিশেষ কার্যক্রম। এর মধ্যে ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে ওয়ালটন ব্র্যান্ড ডে এবং ৮ জুন ডেটল ব্র্যান্ড ডে, যেখানে গ্রাহকরা জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডগুলোর পণ্যে উপভোগ করতে পারবেন বিশেষ অফার। পাশাপাশি প্রতিদিন চলবে ক্যাটাগরি-নির্ভর বিশেষ ক্যাম্পেইন, যেখানে বিভিন্ন পণ্যে থাকছে বাছাইকৃত আকর্ষণীয় ডিল।
সাশ্রয়ী কেনাকাটার প্রতিশ্রুতি আরও শক্তিশালী করতে দারাজ তাদের এভরিডে লো প্রাইস (ইডিএলপি) উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দারাজ চয়েস চ্যানেলের মাধ্যমে। এই চ্যানেলে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ‘বাই ৩ গেট ফ্রি ডেলিভারি’ এবং ‘বাই ৫ গেট ১ ফ্রি গিফট উইথ ফ্রি ডেলিভারি’ সুবিধা, যা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় আরও বেশি মূল্য ও সাশ্রয় নিশ্চিত করবে।

এ বছরের ৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্টে সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। ডেটল, ইউনিলিভার এবং হিমালয়া রয়েছে এক্সক্লুসিভ প্লাটিনাম পার্টনার হিসেবে। ম্যারিকো যুক্ত হয়েছে গোল্ড স্পন্সর হিসেবে এবং ইমামি ও গোদরেজ রয়েছে সিলভার স্পন্সর হিসেবে। এসব অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকরা বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের পণ্য আরও আকর্ষণীয় মূল্যে কেনার সুযোগ পাবেন।

ক্যাম্পেইনকে আরো লাভজনক করতে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন পেমেন্ট পার্টনার। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের কার্ডধারীরা বিশেষ কালেক্টিবল ভাউচারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ছাড়ের সুবিধা পাবেন। ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফার, যা কেনাকাটাকে করবে আরো সাশ্রয়ী।

৬.৬ মিড-ইয়ার শপিং ফেস্ট উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশ দেশের সব প্রান্তের গ্রাহকদের দারাজ অ্যাপ ও ক্যাম্পেইন পেজ ভিজিট করে অফারগুলো উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়াও সর্বশেষ আপডেট, অফার এবং ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন আয়োজন সম্পর্কে জানতে গ্রাহকরা অনুসরণ করতে পারেন দারাজ বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলো।