• ই-পেপার

সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন ‘জিহো রানরাইজ নেশন ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’

এভারেস্টজয়ী নুরুননাহার নিম্নিকে সংবর্ধনা দিল পূবালী ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
এভারেস্টজয়ী নুরুননাহার নিম্নিকে সংবর্ধনা দিল পূবালী ব্যাংক
ছবি: কালের কণ্ঠ

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা পর্বতারোহী নুরুননাহার নিম্নিকে সংবর্ধনা দিয়েছে পূবালী ব্যাংক। নুরুননাহার নিম্নি পূবালী ব্যাংকের একজন প্রিন্সিপাল অফিসার। সোমবার (১৫ জুন) রাজধানীর দিলকুশায় পূবালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মিলনায়তনে নুরুননাহার নিম্নিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

‘শিখর জয়ী’ শিরোনামে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন— পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইছা, মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, আহমেদ এনায়েত মনজুর, মো. শাহনেওয়াজ খান ও মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রিন্সিপাল শাখার প্রধান সুলতানা সরিফুন নাহারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নিম্নিকে সম্মাননা স্মারক ও প্রশংসাপত্র তুলে দেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। নিম্নির অভিযাত্রা নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানে।

গত ২৭ মে নেপাল সময় ভোর ৫টা ২৪ মিনিটে নুরুননাহার নিম্নি মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পর কোনো বাংলাদেশি নারী হিসেবে তিনি এভারেস্ট জয় করলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আলী বলেন, পূবালী ব্যাংক সব সময় মানবসম্পদকে প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে। কর্মীদের পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশেও ব্যাংক সমানভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

সংবর্ধনা সভায় নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে নুরুননাহার নিম্নি তার এই দুর্গম ও ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় পাশে থাকা, সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য পূবালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্বরঙ নীল উৎসব উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্বরঙ নীল উৎসব উদযাপন
সংগৃহীত ছবি

বাংলার বর্ষা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা চেতনাকে উদযাপন করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বিশ্বরঙ নীল উৎসব ২০২৬’ এবং ‘উদ্যোক্তা ভূমি’র দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সম্মাননা প্রদান, শিল্প প্রদর্শনী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান ও নাজিম হাসান সাত্তার, সহকারী মহাব্যবস্থাপক রাহুল বড়ুয়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক নওশাদ মোস্তফা, বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক নাসরিন সুলতানা, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, সাংবাদিক শেখ সাইফুর রহমান, চিত্রশিল্পী জিয়া বিপ্লব এবং সংগীতশিল্পী হোমায়েরা বশির।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বরেণ্য অভিনেত্রী দিলারা জামান, পারসোনার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক কানিজ আলমাস খান, সংগীতশিল্পী ফাহমিদা নবী, অভিনেত্রী রোজী সিদ্দিকী, মনিরা মিঠু, দীপা খন্দকার, শবনম ফারিয়া এবং সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কণা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্বরঙ ও উদ্যোক্তা ভূমির কর্ণধার বিপ্লব সাহা স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা চেতনাকে এক মঞ্চে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। নীল উৎসব কেবল একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, শিল্প ও সম্ভাবনাকে উদযাপনের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম।’

আয়োজনে উদ্যোক্তা হিসেবে নাতাশা হায়াতকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ‘বিশ্বরঙ বর্ষামুখ ২০২৬’ ফটো কনটেস্টের চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত প্রতিযোগীদেরও সম্মাননা জানানো হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত সেরা ১০ জন নারী, সেরা ৩ জন পুরুষ এবং সেরা ৩ জন কিডস প্রতিযোগীকে সার্টিফিকেট ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশ্বরঙ ট্যালেন্ট স্টেশন (বিটিএস)-এর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা। তাদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়।

এছাড়া চিত্রশিল্পীদের লাইভ পেইন্টিং এবং ‘চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এ নির্বাচিত শিল্পীদের চিত্রকর্ম নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শনার্থীরা শিল্পীদের সৃষ্টিশীল কাজ উপভোগ করেন এবং তাদের উৎসাহ দেন।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় ছিলেন রীতি প্রভা ও সাদাব হাসমি।

ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করল এবিবি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করল এবিবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কর্তৃক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ব্যাংকটিকে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)।

সোমবার (১৫ জুন) এক বিবৃতেতে এ কথা জানায় সংগঠনটি।

এর আগে রবিবার (১৪ জুন) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় ও ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং ব্যাংক-কম্পানির স্বার্থে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার দুপুরে এবিবির পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, এবিবি এ সিদ্ধান্তকে ব্যাংক খাতের জন্য সময়োপযোগী ও বিচক্ষণ হিসেবে অভিহিত করে।

এবিবি এই সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিনের বরাতে জানায়, ইসলামী ব্যাংকের ইস্যুটি রাজনৈতিক মাত্রা পাওয়ার প্রেক্ষিতে, পুরো ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য এই ব্যাংকের সার্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে আমরা এবিবির তরফ থেকে গত ১০ জুন গভর্নরের কাছে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম।

আমরা বলেছিলাম, বিষয়টির দ্রুত সমাধান হলে তা ব্যাংক খাতের জন্য ভালো হবে, কারণ ইসলামী ব্যাংকের পরিস্থিতি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, এর প্রভাব পুরো ব্যাংক খাতে পড়ছে। ইস্যুটি রাজনৈতিক রূপ নিয়ে ফেলায় আমরা গভর্নরকে এ-ও জানিয়েছিলাম যে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা উচিত।

সেই প্রেক্ষিতে আমরা মনে করি গতকাল (রবিবার) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া সিদ্ধান্তটি প্রশংসনীয়। আমরা আশা করি, এর মাধ্যমে ‘ইসলামী ব্যাংক’ পরিস্থিতি শান্ত হবে এবং এ ব্যাংকের আমানতকারী, বিনিয়োগকারী ও অংশীদারদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে।

এবিবি চেয়ারম্যানের এই বার্তায় আরো বলা হয়, প্রায় ৩ কোটি গ্রাহক, বিপুল আমানত ও বিনিয়োগ, দেশের বৃহত্তম রেমিট্যান্স নেটওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়নে বিশাল ভূমিকার কারণে ইসলামী ব্যাংকের স্থিতিশীলতা কেবল তার নিজের বিষয় নয়, বরং তা আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। সাম্প্রতিক ‘মব’-নির্ভর আন্দোলন থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি এ ব্যাংকটির পরিচালনা, তারল্য, আমানতকারী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাংকারদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া এই সিদ্ধান্তে আমরা বিশ্বাস করি সে উদ্বেগের অবসান হবে। আমরা ব্যাংকিং সেক্টরের ভালোর স্বার্থে এই ব্যাংকটিতে সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা, রাজনীতিমুক্ত ব্যাংকিং পরিবেশ ও এর খেলাপি ঋণ আদায়ে বড় অগ্রগতি প্রত্যাশা করি। আমরা এটাও প্রত্যাশা করি, সব সচেতন নাগরিক অনুধাবন করুন যে, ব্যাংক খাতে ‘মব’ এই সেক্টরের জন্য একটি অশনি সংকেত, তাই সরকারের উচ্চতর মহলের দায়িত্ব একে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা।

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে স্নোটেক্স গ্রুপ ও সারা লাইফস্টাইলের বিশেষ উদ্যোগ

পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে স্নোটেক্স গ্রুপ ও সারা লাইফস্টাইলের বিশেষ উদ্যোগ
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ভাসানটেক এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক বিশেষ কর্মসূচি ‘Wear the Change’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় পোশাক প্রস্তুতকারী ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘স্নোটেক্স গ্রুপ’ এবং তাদের জনপ্রিয় ক্লথিং ব্র্যান্ড ‘সারা লাইফস্টাইল’ যৌথভাবে এই ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে।

এবারের আয়োজনে সহযোগী অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘ঢেউ’ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বিডি ক্লিন’।

‘Wear the Change’ ক্যাম্পেইনটির মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের মাঝে পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, দায়িত্বশীল ফ্যাশন চর্চা এবং একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ে তোলার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। টেকসই ফ্যাশন কিভাবে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে, তা এই উদ্যোগের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শুধু পরিচ্ছন্নতামূলক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন করেছেন যেন তারা নিজেদের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখে এবং রোগবালাইমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখে। এভাবে সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা আরো বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনকে আরো বেগবান করবে।