পাকুন্দিয়ায় ঈদ উপলক্ষে হাঁড়ি ভাঙা খেলা অনুষ্ঠিত

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
শেয়ার
পাকুন্দিয়ায় ঈদ উপলক্ষে হাঁড়ি ভাঙা খেলা অনুষ্ঠিত

ঈদুল ফিতরের খুশি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী হাঁড়ি ভাঙা খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া কামিল মাদরাসা মাঠে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া এ সময় কোরআন তিলাওয়াত-হামদ ও নাত প্রতিযোগিতাসহ কয়েকটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ সময় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিরেন উপজেলার শৈলজানি আলিম মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা শাহেদুজ্জামান, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন, প্রবাসী মো. শাহজাহান খন্দকার, পাকুন্দিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আছাদুজ্জামান খন্দকার ও আব্দুল কাদির সরকার। 

আয়োজনকরা বলেন, ‘ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ও ভাগাভাগি করে দিতে আমরা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। আগামী ঈদেও আমরা এসব খেলার আয়োজনের ব্যবস্থা করব।’

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সিদ্দিক কবিরাজের এক পানের খিলি ১৫৭৫ টাকা

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
শেয়ার
সিদ্দিক কবিরাজের এক পানের খিলি ১৫৭৫ টাকা
সংগৃহীত ছবি

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলায় বাঘা দরগা শরিফের গেটের সামনে সিদ্দিক কবিরাজের পানের দোকান। এক খিলি পান বিক্রির তালিকায় রয়েছে সর্বোচ্চ ১৫৭৫ টাকায়। সর্বনিম্ন ১০ টাকা পর্যন্ত। তিনি ৩৮ বছর যাবৎ ব্যবসা করে আসলেও এই ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলায় ৩০ বছর যাবৎ খিলি পানের ব্যবসা করে আসছেন।

 

সিদ্দিক কবিরাজ (৫৭) নাটোরের লালপুর উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মৃত গরিবউল্লার ছেলে। হরেক রকম জর্দ্দা ও মসলা দিয়ে তৈরি করেন বিভিন্ন স্বাদের পান। বাহারি এই পান খেতে দূরদূরান্ত থেকে লোক আসে সিদ্দিক কবিরাজের দোকানে।

আরো পড়ুন
ড. ইউনূসকে যা বললেন নরেন্দ্র মোদি

ড. ইউনূসকে যা বললেন নরেন্দ্র মোদি

 

অভাব অনোটনসহ অর্থনৈতিক ব্যাপক অসচ্ছলতায় তাকে বাধ্য করেছে পান বিক্রি করতে।

বড় ধরনের ব্যবসা করতে মোটা অংকের পুজির প্রয়োজন। তার সাধ থাকলেও সাধ্যের বাইরে ছিল সে স্বপ্ন। ১৯৮৭ সালে স্বল্প পুজি নিয়ে শুরু করেন পান বিক্রি। দীর্ঘ ৩৮ বছর পানের দোকানদারী করে সিদ্দিক কবিরাজ এখন স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন।
তিনি এই মেলায় ৬ দিনে প্রায় লক্ষাধিক টাকার খিলি পান বিক্রি করেছেন। মেলায় ভালবাসার পান ৩৩৫ টাকা মূল্যে ৩ খিলি পান বিক্রি করছেন। তার পানের দোকানের লাইসেন্স রয়েছে, লাইসেন্স নম্বর ১৮৬৭। সিদ্দিক কবিরাজ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পানের খিলি ব্যবাসায়ী। তার দোকানের সাইন বোর্ডে লিখা আছে আপন জনের জন্য নিয়ে যাবেন—ভালো লাগলে দাম দেবেন, না লাগলে দেবেন না।

সিদ্দিক কবিরাজ এই মাসে প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার টাকার পান বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে তিনি এই মেলায় ৬ দিনে প্রায় লক্ষাধিক টাকার খিলি পান বিক্রি করেছেন। বিভিন্ন পণ্যের দামসহ যাবতীয় খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়।

আরো পড়ুন
ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

 

তিনি জানান, মেয়ে শিখা খাতুন অনার্স মাস্টার সম্পন্ন কারিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে শান্ত হোসেন স্থানীয় স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবেন। তিনি নিজে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে খুব বেশি লেখাপড়া করতে পানেনি। তবে টাকার অভাবে যাতে ছেলের পড়াশুনা বন্ধ না হয়ে যায়, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে সিদ্দিক কবিরাজ। মেয়ের মতো ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখচ্ছেন পান ব্যবসায়ী সিদ্দিক কবিরাজ। 

সিদ্দিক কবিরাজের দোকানে পানের মূল্যের তালিকার মধ্যে নবাব পান ১৫৭৫ টাকা, জমিদার পান ১০৫০ টাকা, নাটোরের বনলতা পান ১৫৭৫ টাকা, আর্য়ুবেদিক পান ৯৯৫ টাকা, বিয়াই-বিয়ান পান ৮৮৫ টাকা, শালি-দুলাভাই পান ৭৭৫ টাকা, হাসি-খুশি পান ৫৫৫ টাকা, নতুন বাবুর হাতের পান ৪৪৫ টাকা, ভালোবাসার পান ৩৩৫ টাকা, বন্ধু-বান্ধবীর পান ২৫ টাকা ও জনতার পান ১০ টাকা।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ঝিনাইদহ থেকে মেলায় ঘুরতে এসে তিন বন্ধু ভালবাসার পান ৩৩৫ টাকা মুল্যের তিনটি পান নেন। এ সময় তারা বলেন, এর আগেও তার কাছে থেকে পান খেয়েছি। তার পান খেলে মনে হয় মুখ থেকে পান ফুরাচ্ছে না। খেতে খুব মজা।
 
মেলায় ঘুরতে আসা মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক তসলিম উদ্দিন বলেন, দীর্ঘ দিন থেকে এই মেলায় পান বিক্রি করে আসছেন সিদ্দিক কবিরাজ। তার পান খাওয়ার জন্য মানুষ লাইন নিয়ে থাকেন। বিক্রিও ভালো হয়।

আরো পড়ুন
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সৌদিতে গ্রেপ্তার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরলেন

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সৌদিতে গ্রেপ্তার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরলেন

 

সিদ্দিক কবিরাজ বলেন, আমি দেশের বিভিন্ন জেলায় পান বিক্রি করে বেড়াই। স্থানীভাবে ব্যবসা করি না। ভ্রাম্যমাণ হিসেবে এ ব্যবসা করে আসছি। যেখানে বড় বড় মেলা বা অনুষ্ঠান হয় সেখানে যায়। এভাবে দীর্ঘ ৩৮ বছর চলছে। আমার সাত ভাই বোনের মধ্যে আমি বড়। বাবা ১১ বছর আগে মারা গেছেন। বর্তমানে বৃদ্ধ মাসহ ৫ সদস্যের পরিবার পরিচালনা করতে কোন বেগ পেতে হয় না।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
শেয়ার
ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাই কাজল মিয়া (৫৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কাজল চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বসত ভিটার সীমানা নিয়ে কাজলের সঙ্গে তার ছোট ভাই বাদল মিয়ার বিরোধ চলছে।

শুক্রবার সকালে বাড়িতে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাদল শাবল দিয়ে বড় ভাইয়ের মাথায় আঘাত করেন। 

আরো পড়ুন
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

তারা আরো জানায়, কাজলক উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জলার কটিয়াদী উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জব্বার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন
লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

মন্তব্য

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
শেয়ার
বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

বগুড়ায় বাঙালি নদীর বেলগাছী ব্রিজ এলাকায় ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত নতুন একটি দর্শনীয় স্থানে গোসল করতে নেমে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবু সাদাত ইকবাল (১৩)। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সাদাত (১৩) ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের (আরডিএ) প্রভাষক ইকবাল হোসেন ও সুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সানজিদা পারভিন রিতা দম্পতির ছেলে।

সে আরডিএ স্কুল এন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে শেরপুর উপজেলার সুত্রাপুর গ্রামস্থ নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয় বেলগাছী ব্রিজ সংলগ্ন কথিত ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত স্থান ঘুরতে আসে সাদাত ইকবাল। একপর্যায়ে বাঙালি নদীতে নেমে জলকেলি করতে করতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এরপর তাকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিতসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রসঙ্গত, নদী খননের ফলে ব্রিজের নিচে বালুর স্তর ও ছোট ছোট কুচি পাথর জমে যায়। যাকে স্থানীয়ভাবে ‘মিনি জাফলং’ বা ‘গরীবের জাফলং’ নাম দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ঈদের এক সপ্তাহ আগে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন স্থানীয় দুই যুবক।

এতে মাত্র দুই দিনেই আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে ভাইরাল হয়ে যায় স্থানটি। পরবর্তীতে ঈদের দিন থেকে এই স্থানটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে।
 

মন্তব্য
লোহাগাড়া দুর্ঘটনা

বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১১ জন নিহতদের ঘটনায় বাস চালকের হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও চালকের কোনো হদিস মেলেনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়েছে, কিন্তু বাস চালককে শনাক্ত করা যায়নি।

গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ