• ই-পেপার

ঢামেকে অসুস্থ কারাবন্দির মৃত্যু

কমিশনারের গমনাগমন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ডিএমপির প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
কমিশনারের গমনাগমন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ডিএমপির প্রতিবাদ

কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের গমনাগমন বিষয়ে সংবাদকে বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে ডিএমপি। আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সবাই সমান’ শীর্ষক সংবাদে ডিএমপি কমিশনারের গমনাগমন সংক্রান্ত যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর, অসম্পূর্ণ এবং প্রকৃত পরিস্থিতির সঠিক প্রতিফলন নয়। মিন্টো রোডের সংশ্লিষ্ট সিগন্যালটি ‘ওয়ান ওয়ে’ বা একমুখী এবং ডিএমপি কমিশনারের গাড়িবহরকে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অস্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে পার করা হয়েছে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মিন্টো রোড কোনোভাবেই একমুখী সড়ক নয়। এ সড়কে উভয় দিকেই যানবাহন চলাচল করে থাকে। যানবাহন চলাচল ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে পরীক্ষামূলকভাবে প্লাস্টিকের অস্থায়ী কোণ স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরমুখী যানবাহনকে ইউ-টার্ন করে দক্ষিণমুখী করার একটি অস্থায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থা চালু করা হয়। এটি কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা স্থায়ী ট্রাফিক বিধিনিষেধ নয়। সংশ্লিষ্ট স্থানে ট্রাফিক পরিস্থিতি, যানবাহনের চাপ এবং তাৎক্ষণিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন অনুযায়ী এই অস্থায়ী ইউ-টার্ন ব্যবস্থা প্রতিদিনই একাধিকবার খোলা ও বন্ধ করা হয়ে থাকে। এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত একটি নিয়মিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং এ পথে নিয়মিত চলাচলকারী চালক ও পথচারীরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। ডিএমপি কমিশনার গাড়িবহরের গমনাগমনও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আওতাতেই সম্পন্ন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিশেষ সুবিধা গ্রহণ কিংবা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।

বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ তথ্য যাচাইপূর্বক সংবাদ পরিবেশনের জন্য সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) গুলশান-২ গোল চত্বরে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান তিনি। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে যৌথভাবে শব্দ সচেতনতামূলক সমাবেশ ও শোভাযাত্রা আয়োজন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

সমাবেশে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে নীরব এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। আজ থেকে এই এলাকা নীরব এলাকা থাকবে। এখানে কোনো শব্দ দূষণ থাকবে না। কেউ যদি আইন অমান্য করে তাহলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করবে।

তিনি বলেন, গুলশান ,বনানী, নিকেতন ও বারিধারা নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষিত এবং এসব এলাকার সোসাইটির সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবে। আমরা যদি আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হই এবং যারা পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন, তাদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি সফলভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

সমাবেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ডিভাইডারে সচেতনতামূলক বার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড টাঙানো, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ, বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পিভিসি প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ঢাকা মেট্রোপলটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান বলেন, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ এ ট্রাফিক পুলিশকে ক্ষমতা প্রদানের পর থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপকভাবে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে এবং এর সুফল নগরবাসী ধীরে ধীরে পাবেন।

সমাবেশে গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, বনানী সোসাইটি ,বারিধারা সোসাইটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা দক্ষিণের ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আওতাধীন ৬০ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গু মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানী ওয়ারীতে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এই কথা জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম।

তিনি বলেন, বাড়ির উঠান, ছাদ, ফুলের টপে যেন পানি না জমে সেদিকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

বাড়ি এবং আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখার অনুরোধ জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইসব বিষয়ে অনেক সচেতন। শুধু তাই নয়, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে সার্বিক বিষয়ে দেখভাল করছেন তিনি।

এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখতে হলে অবশ্যই সবাইকে আগে সচেতন হতে হবে উল্লেখ করে আব্দুস সালাম বলেন, জনগণের সমর্থনে যদি মেয়র নির্বাচিত হই তাহলে নগরের শিক্ষাঙ্গনে আমূল পরিবর্তন আনা হবে।

ডিএমপির ৫ এডিসি ও দুই এসিকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
ডিএমপির ৫ এডিসি ও দুই এসিকে বদলি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পাঁচজন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এবং ২ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে (এসি) বদলি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) এস এম রাজু আহমেদকে ক্রাইম বিভাগে, এডিসি রীমা সুলতানাকে অর্থ বিভাগে, ধানমণ্ডি জোনের এডিসি জিসানুল হককে উত্তরা বিভাগের এয়ারপোর্ট জোনে এবং এয়ারপোর্ট জোনের এডিসি আরিফুল ইসলামকে রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনে বদলি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রাজীবকে সোয়াটে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সহকারী পুলিশ কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানকে সিটি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে এবং ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ জাহিদ হাসানকে সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।