ছোট হোক কিংবা বড় পর্দা, মাধ্যম যা-ই হোক ঈদ উপলক্ষে শিল্পীদের ব্যস্ততা থাকে তুঙ্গে। দর্শকদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে তারা কোনো কমতি রাখেন না। এবারের ঈদ বিশেষ আয়োজনে কালের কণ্ঠকে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে জানিয়েছেন সাফা কবির। শুনেছেন ইমরুল নূর।
ছোট হোক কিংবা বড় পর্দা, মাধ্যম যা-ই হোক ঈদ উপলক্ষে শিল্পীদের ব্যস্ততা থাকে তুঙ্গে। দর্শকদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে তারা কোনো কমতি রাখেন না। এবারের ঈদ বিশেষ আয়োজনে কালের কণ্ঠকে ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে জানিয়েছেন সাফা কবির। শুনেছেন ইমরুল নূর।
ঈদের কাজের ব্যস্ততা কেমন ছিল? কাজগুলো নিয়ে প্রত্যাশা কী রকম?
ভালোই ছিল। আসলে ঈদের সময় ব্যস্ত থাকতে তো সবারই ভালো লাগে। এবার আমার কিছু সুন্দর গল্পের কাজ আসছে, যেগুলো নিয়ে আমি আসলে খুবই এক্সাইটেড। আমি কয়েকটার নাম মেনশন করতে চাই, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মন জানালা’, ‘প্রেম অথবা মায়া’ দুটোই পরিচালনা করেছেন সেরনিয়াবাত শাওন।
এই মুহূর্তে আমাদের দেশের আশপাশে এত চাপ, এত নেগেটিভিটি চলছে তার মধ্যে আমি যদি আমার দর্শকদের একটু ভালো লাগা দিতে পারি তাহলে মনে হবে এটাতেই আমি সার্থক। আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি ফিল গুড কনটেন্ট করার।
এবার ঈদ আপনার জন্য বরাবরের মতো একই রকম নাকি কোনো পরিবর্তন আছে?
ঈদ একই রকম আছে। ছোটবেলার ঈদ এক রকম হয়, বড় হওয়ার পর সেটা আবার ডিফরেন্ট। এখনকার ঈদটা আমার কাছে মনে হয় সমান্তরাল, এই যে প্রত্যেকবার ঈদ হচ্ছে, করছি। কিন্তু ঈদের অবশ্যই একটা আনন্দ আছে। ঈদ বলেই তো আমাদের এত সব আয়োজন, এত কাজ করা, কষ্ট করা, দর্শকদের রেসপন্সের জন্য ওয়েট করা। সো এই জায়গা থেকে ঈদ নিয়ে ডেফিনিটলি আমি এক্সাইটেড। এখন আমার এক্সাইটমেন্টের আরেকটা কারণ হচ্ছে ঈদে আমার কাজ রিলিজ হয়। ওই কাজগুলো দর্শক দেখবে বা পরিবারের সদস্যদের দেখাব। প্রত্যেকবার যেমন পরিবারের সদস্যরা কিংবা আত্মীয়-স্বজনরা জিজ্ঞেস করতে থাকে ‘এবার ঈদে তোমার কয়টা নাটক আসছে, কী আসছে?’ তখন আমি এক্সাইটেড হয়ে তাদের বলি আমার এটা আসছে, ওটা আসছে। সো এটা আমার কাছে মনে হয় ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ যে মানুষকে বলতে পারা ঈদে আমার কাজ রিলিজ যাচ্ছে, আপনারা আমার এই নাটকগুলো দেখতে পারবেন। এটা আমার কাছে সবচেয়ে খুশির ব্যাপার।
এবার ঈদে পরিকল্পনা কী? কী করা হবে?
এবার ঈদে আমি অনেক দাওয়াত খাব। প্রত্যেকবার আমাকে নিয়ে মানুষের একটা অভিযোগ থাকে যে আমি বাসা থেকে বের হই না, কোথাও যাই না। তাই এবার চিন্তা করেছি সব জায়গায় দাওয়াত খেতে যাব, সবার সঙ্গে গল্প করব ও ছবি তুলব। তাই এবার এটাই আমার প্রথম এজেন্ডা।
ঈদ নিয়ে শৈশবের কোনো মধুর স্মৃতি মনে পড়ে?
ছোটবেলার একটা ইনোসেন্ট ফিলিংস জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। যেমন- ঈদের নতুন জামা কিনে সেটা লুকিয়ে রাখা। এখন আর এটা হয় না। আগে যে রকম বলত ‘এই ঈদে কী কিনেছো’, এখন আর কেউ ঈদের জামা দেখতেও চায় না। মনে হয় আমরা অনেক বড় হয়ে গেছি। ছোটবেলার ওই ব্যাপারটা খুব মিস করি যে, একটা নতুন কাপড় কিনে লুকিয়ে রেখে এবং প্ল্যান করা ঈদের প্রথম দিন, দ্বিতীয় দিন, তৃতীয় দিন সকালে কী পরব, রাতে কী পরব। এখন আর এটা একদমই কাজ করে না। এই জিনিসটাই খুব মিস করি।
ঈদের কেনা কাটায় কী পছন্দ?
আমার বাবা, মা এবং কাজিনস আছে। তাদের জন্য অল্প স্বল্পই কেনাকাটা হয়েছে। কয়েক বছর ধরে নিজের জন্য আসলে কোনো কিছুই কিনি না। এর জন্য মা আবার খুব রাগ হন। বাবা-মা আমাকে যে কাপড়টাই কিনে দেন আমি ওটাই পরি।
ঈদ সালামি প্রসঙ্গে জানতে চাই...
এখন তো বড় হয়েছি ঈদ সালামি দিতেই হয় ছোটদের। আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে এখন অনেক ছোট ছোট মানুষ হয়েছে যাদের সালামি দিতে হয়। আমি নিজেও পাই বড়দের থেকে। সালামি পাওয়া এবং দেওয়া দুটোই তো ঈদের মজা। তবে লাস্ট কয়েক বছর থেকে খেয়াল করছি সালামি আসে আর যায়। আমি সালামি পাই ঠিকই কিন্তু ওটা আর ব্যাগে ঢোকে না, পাস হয়ে যায়। কারণ ছোটদের দিতে হয়।
ঈদের দিন পোশাক কী ধরনের পরতে পছন্দ করেন?
ঈদের সকালে খুবই আরামদায়ক একটা সফট কালারের কাপড় পরতে পছন্দ করি। এবার সকালে আইস ব্লু কালারের একটা জামা পরা হবে।
সম্পর্কিত খবর
ঈদকে ঘিরে এরই মধ্যে উন্মুক্ত হয়েছে বেশ অনেক গান। এর মধ্যে কিছু গান শ্রোতা-দর্শকরা পছন্দও করেছেন। আবার কিছু গান ফিরছে মানুষের মুখে মুখে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে জায়গা ধরে রেখেছে এবারের ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার তিন গান।
এর মধ্যে ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের সংগীত বিভাগে শীর্ষে ,অর্থাৎ প্রথম স্থানে রয়েছে মেহেদি হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘বরবাদ’ সিনেমার ‘চাঁদ মামা’ গানটি। শাকিব খান অভিনীত ছবির এ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রীতম হাসান ও দোলা।
এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কামরুজ্জামান রোমান পরিচালিত ‘জ্বীন ৩’ সিনেমার ‘কন্যা’ গানটি। আব্দুন নূর সজল অভিনীত এ ছবির গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন।
সিনেমার গানগুলোর মধ্যে সর্বশেষ, অর্থাৎ তৃতীয় গানটি হচ্ছে ‘বরবাদ’ সিনেমার ‘দ্বিধা’ গানটি। এটি গেয়েছেন প্রীতম হাসান। এই তিন গানের বাইরে ঈদ সিনেমার আর কোনো গান ট্রেন্ডিংয়ের সেরা দশে জায়গা করে নিতে পারেনি।
দক্ষিণের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার জগতের নানা দিক নিয়ে গত বছর একাধিক অভিনেত্রী মুখ খুলেছেন। এবার এক ‘অস্বস্তিকর’ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন অভিনেত্রী শালিনী পান্ডে। দক্ষিণী সিনেমা ‘অর্জুন রেড্ডি’ থেকে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘মহারাজ’ ও ‘ডাব্বা কার্টেল’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
সিনেমা জগতে নানা রকমের পুরুষের মুখোমুখি হয়েছেন শালিনী পান্ডে। কেউ কেউ অত্যন্ত ভদ্র। আবার ভদ্রতার ধার ধারেন না এমন কিছু মানুষও আছেন।
তিনি বলেন, একবার প্রসাধনী ভ্যানে তৈরি হচ্ছিলেন। তিনি যখন পোশাক বদলাচ্ছেন, ঠিক তখনই সিনেমার পরিচালক ঢুকে পড়েছিলেন ভ্যানে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎাকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘তিনি ভ্যানে ঢুকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি চিৎকার করতে শুরু করি। আমি থতমত খেয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমার বয়স মাত্র ২২। পরিচালক বেরিয়ে যাওয়ার পর কলাকুশলীরা বলেছিলেন—শালিনীর ওভাবে চিৎকার করা ঠিক হয়নি।
শালিনী স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, কারো ঘরে ঢোকার আগে কড়া নাড়া ন্যূনতম সভ্যতার মধ্যে পড়ে। অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি চিৎকার করছিলাম বলে অনেকেরই মনে হয়েছিল আমি খুব রাগী মানুষ। কিন্তু আমি নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিক্রিয়া দিয়েছি মাত্র।’ এ ঘটনার পর থেকে নিজের চারপাশে আরো সচেতনভাবে গণ্ডি টানতে শিখেছেন অভিনেত্রী।
‘সে সময়ে যেটা ঘটেছিল, এটা একটা ভুল-বোঝাবুঝি। আমি শাকিব খানকে বলব—প্লিজ, এটা নিয়ে আপনি মনে কষ্ট রাখবেন না’—এমন মন্তব্য করেছেন আফরান নিশো। বছর দুয়েক আগে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে আফরান নিশোর। সে সময় সিনেমার প্রচারণায় বিভিন্ন সময়ে শাকিব খানকে নিয়ে মন্তব্য করেন এই অভিনেতা, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়।
সম্প্রতি সে সময়ের সেই ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন আফরান নিশো। পুরো বিষয়টি ভুল-বোঝাবুঝি বলে জানান তিনি। সেই সঙ্গে শাকিব খানের প্রতি আহ্বানও জানান একসঙ্গে কাজ করার। আফরান নিশো বলেন, “আমার ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা রিলিজের সময় যা ঘটেছিল, তা পুরোটাই ভুল-বোঝাবুঝি।
এরপর শাকিব খানের কথা টেনে আফরান নিশো বলেন, “যাকে নিয়ে কথা হচ্ছে সে আমার অগ্রজ। ইন্ডাস্ট্রিতে আমার সিনিয়র। তাকে আমি যথেষ্ট সম্মান করি।
শাকিব খান এবং আফরান নিশো দুজনকে একসঙ্গে সিনেমাতে পাওয়া যাবে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে এই অভিনেতা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার কাছে এমন কোনো প্রস্তাব আসেনি। এ রকম কিছু এলে আমি বরং খুশিই হবো।’
শঙ্খনীল দেব
গোটা বছরের কর্মব্যস্ত জীবনের পর ঈদে ছুটির দিনগুলো যেন একটু স্বস্তি নিয়ে আসে সবার জীবনে। ঈদের ছুটিতে বেশিরভাগ মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম সিনেমা। টিভি কিংবা বড় পর্দায়, সিনেমা বা সিরিজ দেখা এখন মানুষের নিত্যদিনের অংশ হয়ে উঠছে। আর ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় এখন সবকিছুই মানুষের হাতের মুঠোয়।
এই ঈদের ছুটির আমেজে ঘরে বসেই দেখে নিতে পারেন, এমন ৭টি থ্রিলার চলচ্চিত্র নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।
নাইটক্রলার
নাইটক্রলার : এটি ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমেরিকান থ্রিলার চলচ্চিত্র, যার চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন ড্যান গিলরোয়ের। এতে জ্যাক গিলেনহাল লুই ‘লু-ব্লম’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে গভীর রাতে নানা রকম ঘটনা রেকর্ড করেন এবং একটি স্থানীয় টেলিভিশন নিউজ স্টেশনে ফুটেজ বিক্রি করেন।
তিনি উচ্চাভিলাষী, লোভী ও আত্মবিশ্বাসী।
নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান
নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান : এটি ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আমেরিকান ওয়েস্টার্ন ক্রাইম থ্রিলার ফিল্ম।
আনকাট জেমস
আনকাট জেমস : জোস এন্ড বোনি পরিচালিত ২০১৯ সালের আমেরিকান ক্রাইম থ্রিলার ‘আনকাট জেমস।’ এতে অ্যাডাম স্যান্ডলার একজন ইহুদি-আমেরিকান। তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির একজন ডায়মন্ড জুয়েলার এবং তাঁর ডিস্ট্রিক্ট জুয়ার আসক্তি রয়েছে। ঋণ পরিশোধের জন্য তাকে ব্যয়বহুল একটি রত্ন উদ্ধার করতে হবে এবং এই নিয়েই এগিয়ে যায় সিনেমার কাহিনী। আইএমডিবি’তে ৭.৪ রেটিং রয়েছে এটির। সময় থাকলে দেখে নিতে পারেন থ্রিলার চলচ্চিত্রটি।
আন্ধাধুন
আন্ধাধুন : হলিউডের থ্রিলার সিনেমার ভীড়ে বলিউডের আন্ধাধুনকে রাখতেই হচ্ছে। বলতে গেলে হিন্দি সিনেমার সর্বকালের সেরা থ্রিলার সিনেমাগুলোর মধ্যে এটি একটি। এতে একজন অন্ধ সংগীতশিল্পী (পিয়ানোবাদক) এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আয়ুষ্মান খুরানা। অন্ধ হলেও পিয়ানো বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন আয়ুষ্মান। বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন তাঁর। কিন্তু তাঁর জীবনে হঠাৎ ঘটে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। অনাকাঙ্খিতভাবে এক খুনের মামলায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকেই গল্প মোড় নেয় নতুন দিকে। গল্পের পরতে পরতে টুইস্ট আর থ্রিল রীতিমতো মুগ্ধ করবে আপনাকে। সময় থাকলে দেখে নিতে পারেন চমৎকার চলচ্চিত্রটি। আইএমডিবি’তে ৮.৩ রেটিং রয়েছে এটির। আয়ুষ্মানের সঙ্গে এতে অভিনয় করেছেন টাবু ও রাধিকা আপ্তে।
প্যারাসাইট
প্যারাসাইট : থ্রিলার দেখবেন আর কোরিয়ান সিনেমা দেখবেন না, তা হতে পারে না। থ্রিলার ঘরানায় কোরিয়ানরা এক কথায় অনবদ্য। একের পর এক মাস্টারপিস থ্রিলার রয়েছে কোরিয়ান ইন্ডাস্ট্রিতে। যার মধ্যে রয়েছে অস্কারজয়ী সিনেমা ‘প্যারাসাইট।’ দুই পরিবারের গল্প, সমাজের বিত্তশালী সম্প্রদায়ের রূপের পাশাপাশি আরও অনেক গাম্ভীর্যপূর্ণ বিষয় ওঠে এসেছে এতে। সং কাং হো, লি সান কিউ, চো ইয়ো জিয়ং অভিনীত সিনেমাটি বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করার পাশাপাশি বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি প্রচুর প্রশংসাও পায়। প্রথম বিদেশি ভাষার কোনো চলচ্চিত্র হিসেবে জিতে নেয় অস্কার। আইএমডিবি’তে ৮.৫ রেটিং রয়েছে কোরিয়ান এই মাস্টারপিসের।
মেমোরিস অফ মার্ডার
মেমোরিস অফ মার্ডার : বিশ্বের সেরা থ্রিলারধর্মী সিনেমার তালিকায় রয়েছে বং জুন-হু পরিচালিত আরও এক কোরিয়ান সিনেমা ‘মেমোরিস অফ মার্ডার।’ ২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল এটি। কাং হো সং এবং হে ইল পার্ক অভিনীত থ্রিলারধর্মী এই সিনেমার পরত পরতে জড়িয়ে রয়েছে সাসপেন্স। ১৯৮৬ সালে দুই নারীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই খুনের তদন্ত করতে শুরু করেন দুই গোয়েন্দা। কিন্তু ওই এলাকায় একই ভাবে খুন হতে থাকে। খুনের নেপথ্যে আসলে কে, তদন্তই বা কীভাবে করা হচ্ছে সেসব নিয়েই গল্প এগিয়ে যায়। তবে সিনেমাটির শেষের টুইস্ট আপনাকে হতবাক করে দেবে। আইএমডিবি’তে ৮.১ রেটিং রয়েছে এটির। সময় থাকলে দেখে নিন সেরা এই থ্রিলারটি।
শাটার আইল্যান্ড
শাটার আইল্যান্ড : ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া মার্টিন স্কোরসেজি পরিচালিত শাটার আইল্যান্ডকে বলা হয় থ্রিলার ইতিহাসে অন্যতম সেরা একটি চলচ্চিত্র। ২০০৩ সালে প্রকাশিত শাটার আইল্যান্ড নামক উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্র এটি। থ্রিলারধর্মী এই সিনেমাটি মূলত ইউএস মার্শাল টেডি ডেনিয়েলের (লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও) মানসিক হাসপাতাল থেকে গায়েব হওয়া এক খুনির খোঁজে শাটার আইল্যান্ডে আগমনকে ঘিরে আবর্তিত। অতঃপর হাসপাতালে সেবার আড়ালে ভয়াবহ কার্যক্রমের রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে প্রমাণ খোঁজার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় এর গল্প। এর শেষ অংশের টুইস্ট আপনাকে চিন্তায় ফেলে দিতে বাধ্য। হিসাব মেলাতে হিমশিম খাবেন আপনিও। লিওনার্দোর সঙ্গে সমানতালে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন বেন কিংসলে ও মার্ক রাফলোর মতো তারকারা। আইএমডিবি’তে ৮.২ রেটিং রয়েছে এটির। ছুটির দিনে দেখে নিতে পারেন অন্যতম সেরা থ্রিলার ‘শাটার আইল্যান্ড।’