ঈদের ছুটিতেও বায়ুদূষণে শীর্ষ দশে ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঈদের ছুটিতেও বায়ুদূষণে শীর্ষ দশে ঢাকা

ঈদুল ফিতরের ছুটিতেও বায়ুদূষণে বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় আজ ৯ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। এ সময় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৩৭। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ সময় ১৬১ একিউআই স্কোর নিয়ে ইস্টার্ন হাউজিং এলাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। তালিকায় এর পরেই রয়েছে সাভারের হেমায়েতপুর (১৬০), বেজ ইজওয়াটার (১৫৬)। এসব এলাকায়ও আজ বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। 

আজ বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নেপালের কাঠমাণ্ডু (২৬০)।

এর পরেই রয়েছে ভারতের দিল্লি (২৪৬)। পাকিস্তানের লাহোর। এই শহর দুটির বাতাসের মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। 

তালিকায় এর পরেই রয়েছে যথাক্রমে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই (১৭১), পাকিস্তানের লাহোর (১৬১),  চীনের উহান (১৫৭), মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন (১৫১)।

এসব শহরে বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। 

একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার।

আরো পড়ুন
ঈদের মধ্যেও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত, নিহত ৮০ ফিলিস্তিনি

ঈদের মধ্যেও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত, নিহত ৮০ ফিলিস্তিনি

 

প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

গরমের দাপট আরো দুদিন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গরমের দাপট আরো দুদিন
ফাইল ছবি

দেশের ১৫ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে দাবদাহ। এ পরিস্থিতি শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদ্প্তর।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিয়মিত বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, নীলফমারী, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আগের দিন বুধবার দেশের ১০ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল।

এক দিনের ব্যবধানে ৫ জেলায় বিস্তার বাড়িয়েছে তাপপ্রবাহ।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘৬ তারিখ থেকে তাপপ্রবাহের বিস্তার কমে আসবে; বিচ্ছিন্নভাবে দুয়েকটা স্টেশনে থাকবে। তখন বৃষ্টিপাত বাড়বে, বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টি হবে।’

বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ ২ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে কিশোরগঞ্জের নিকলিতে।

বাতাসে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে বলা হয় মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।

এরপর ৪২ ডিগ্রির উপরে উঠলে তাকে বলা হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর এ সময় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

মন্তব্য

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা
বাঁ থেকে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শেরিং তোবগে। ছবি : কোলাজ

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, বিমসটেক বে অব বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজিয়নাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে।

সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরো জোর দেবেন।’

‘তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যে কোনোভাবে হোক আরো সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে।

তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরো দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।’

প্রেসসচিব আরো বলেন, ‘ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেনশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।

আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দুই পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দুই পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।’

মন্তব্য

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ৩৪১ জন

বাসস
বাসস
শেয়ার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ৩৪১ জন
প্রতীকী ছবি

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী যৌথবাহিনীর অভিযানে গত এক সপ্তাহে ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ কর্তৃক অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সকল যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, একাধিক মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৩টি বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, জাল নোট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

আটকদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় আইএসপিআর।

এ ছাড়াও, ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনের টার্মিনাল ও স্টেশনসমূহে টহল, সচেতনতামূলক মাইকিং, কালোবাজারি রোধ ও টিকিটের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

 

পাশাপাশি, মহাসড়কে বিকল্প রুট, পার্কিং ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং রোড ব্লক প্রতিরোধে দিনরাত কাজ করেছে সেনা টহল দল, যা ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাকে করেছে সহজ ও নিরাপদ।

শিল্পাঞ্চলে সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সমঝোতার মাধ্যমে বেতন-বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করেছে সেনাবাহিনী। ফলে শ্রমিকদের ঈদ উদযাপন হয়েছে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন। এ ছাড়া, রোবাস্ট টহল, চেকপোস্ট, মাইকিং ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ, সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনী
ছবি : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট গ্রামে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সহায়তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ইউনিটের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটের সদস্যরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে সমন্বয় করে বাঁধ মেরামতের কাজ বাস্তবায়ন করছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্থানীয় জনগণ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় দুই পাশ থেকে রিং বাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে মোট পাঁচটি বাল্কহেড বাঁধ মেরামতের কাজ করছে।

গতকাল ৯৬ মিটার এবং আজ পর্যন্ত ২৪০ মিটার জিওটেক্সটাইল ব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, আজকের মধ্যে ৫০% নির্মাণকাজ সম্পন্ন হতে পারে। এ ছাড়াও, ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী আজ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের পানিবন্দী মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সকাল ১১টার দিকে উল্লেখিত বেড়িবাঁধটির একটি অংশ ভেঙে প্রায় ১৫০ ফুট জায়গা খোলপেটুয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ