• ই-পেপার

গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারের কাজ এক বছরে শেষ করার নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
বাবার পথ ধরেই হাঁটছেন তারেক রহমান

জাতীয় বাজেট ঘোষণার ক্ষেত্রে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনটি বাজেট ঘোষণা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যার প্রথমটিতেই তিনি শিক্ষা, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়াকে মূলনীতি হিসেবে বেছে নেন। এ ছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের ধারণাকে সঙ্গী করে কৃষি ও উৎপাদনব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিপর্যস্ত বাংলাদেশের প্রথম বাজেট (১৯৭৬-৭৭) ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। যার আকার ছিল ১ হাজার ৯৮৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর প্রায় ৫০ বছর পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানও এক বৈষম্যহীন দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন। যেখানে তিনি সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন শিক্ষা খাতকে। এ খাতে এর আগে কোনো সরকারই এত বেশি গুরুত্ব দেয়নি। তিনি একক খাত হিসেবে এই শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন করে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে চান। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড কর্মসূচি চালু করেছেন। ব্যাপকভিত্তিক কর্মসৃজনের জন্য সৃজনশীল অর্থনীতির প্রবর্তন করতে যাচ্ছেন লাল-সবুজের বাংলাদেশে। দেশের বিপর্যস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা সত্ত্বেও আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সংকোচননীতিকে পাশ কাটিয়ে বিশাল আকারের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। সামরিক শাসক হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁর জীবদ্দশায় তিনি আরও দুটি বাজেট ঘোষণা করেন (১৯৭৭-৭৮ এবং ১৯৭৮-৭৯ অর্থবছর), যে বাজেটে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন শিক্ষা খাতকে। একই সঙ্গে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতি ধারণার প্রবর্তন করেন বাংলাদেশে। পরের দুটি বাজেটেও তিনি সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। যার ফলে মাত্র চার বছর এক মাস নয় দিনের শাসনামলে দেশকে স্বনির্ভতার দিকে নিয়ে যান।

একই সঙ্গে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মুক্তবাজার অর্থনীতির ধারণা বিশ্বব্যাপী খুবই প্রশংসা পায়। উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা ও ঋণ পেতে খুবই সহায়ক ভূমিকা রাখে মুক্তবাজার অর্থনীতির এ ধারণা। একই সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত রাখতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনও করেন জিয়াউর রহমান। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা জরুরি বলে তিনি মনে করতেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চষে বেড়িয়েছেন খাল খনন কর্মসূচি সফল করতে। কেননা, সে সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে নলকূপ বসিয়ে কৃষিক্ষেত্রে সেচ দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না বাংলাদেশের। এজন্য তিনি বৃষ্টির পানি ধরে রেখে সেচব্যবস্থাকে সহজ করতে ব্যাপকতর খাল খনন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেন। ব্যক্তি খাত ও বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করেন। রাষ্ট্রব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে কর আদায় ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেন। এজন্য উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করেন। অর্থনীতিকে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ধারা থেকে অপেক্ষাকৃত বাজারমুখী ধারায় নেওয়ার চেষ্টা করেন।

একইভাবে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম বাজেটে দেশের অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়নের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক কাঠামোয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে বিনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছেন। এটা শুধু অর্থনীতিই নয়, বিনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানের অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ হ্রাস করা হবে। সরকারি সময় সাশ্রয় ও কর্মসম্পাদনে প্রতিবন্ধকতা কমানো হবে।

ওয়ান-স্টপ পদ্ধতি : একাধিক দপ্তরে ঘোরাঘুরি ও একই নথি বারবার দাখিল পরিহার করা হবে। যথাসময়ে ফাইল ও প্রস্তাব অনুমোদন। ব্যক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত এবং স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা পরিহার করা হবে। বেসরকারি খাতের সুবধার্থে ফর্মের সংখ্যা হ্রাস, রেকর্ডপত্র সংশোধন/সহজীকরণ, রেজিস্টার একীভূতকরণ, বন্দরব্যবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও সেবা প্রদান উন্নীতকরণ।

বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ, সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম, লাইসেন্স প্রক্রিয়ার সময় ও ব্যয় হ্রাস, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ সহায়তা করা হবে। রাজস্ব খাতে কর-ভ্যাট-শুল্ক আধুনিকীকরণ, তথ্যভিত্তিক নিরীক্ষা, ই-ভ্যাট ও ই-কর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। দেশকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত থেকে বেকারত্ব দূর করা হবে। এ জন্য সৃজনশীল অর্থনীতির মধ্য দিয়ে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে। প্রান্তিক মানুষকে স্বস্তি দিতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির প্রসার ঘটানো হবে। এ ছাড়া সামাজিক সুরক্ষার আওতা ব্যাপক হারে বাড়ানো হবে। এজন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতে রেকর্ড পরিমাণ ১ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হবে ১১ জুনের বাজেটে। জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাজেটের মূলনীতি ও অর্থনৈতিক দর্শনের ভিত্তি ছিল মুক্তবাজার অর্থনীতি, ব্যক্তি খাতের প্রসার এবং স্বনির্ভরতা। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয়করণ নীতি থেকে সরে এসে তিনি উৎপাদনমুখী মিশ্র অর্থনীতি চালু করেছিলেন। তাঁর বাজেটের মূলনীতিগুলো ছিল অর্থনৈতিক উদারীকরণ ও বেসরকারীকরণ। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়া এবং দেশে পুঁজি ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা।

কৃষির সবুজ বিপ্লব : খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি খাতে ভর্তুকি প্রদান, সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং উন্নত বীজের ব্যবহার বৃদ্ধি।

স্বনির্ভর অর্থনীতি : বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ এবং এজন্য গ্রাম সরকার ব্যবস্থা চালু করা।

জনশক্তি রপ্তানি : মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করা।

অবকাঠামো উন্নয়ন : খাল খনন এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন করা। এসব ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারও একই রকম নীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের তিন বছরমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনাতেও এসব নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

জিয়াউর রহমান তাঁর প্রথম বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের করমুক্ত সীমা ৮ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করেন। এ বছর মূল্যস্ফীতির কথা মাথায় রেখে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হচ্ছে।

শিল্প ও বাণিজ্যে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানো হয়। অনেক খাতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হয়। উদ্যোক্তাদের নতুন শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হয়। জাতীয়করণ করা কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়। শিল্প পরিচালনায় বেসরকারি উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হয়। আমদানি-নীতির সংস্কার করা হয়। কাঁচামাল ও শিল্পযন্ত্রপাতি আমদানিতে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। শিল্প উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি সহজ করা হয়। তৈরি পোশাক, পাটজাত পণ্য ও অন্যান্য রপ্তানিমুখী শিল্পকে উৎসাহ দেওয়া হয়। বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ব্যবসা ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে কিছু কর-সুবিধা দেওয়া হয়। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য তুলনামূলক অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। যৌথ উদ্যোগে শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হয়।

২০২৬-২৭ অথর্বছরের বাজেটে বিএনপির দেওয়া নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। শিল্প ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। বাংলাদেশকে কর্মসংস্থানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে। নতুন শিল্প ও উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বিকাশ এবং সরকারি সেবার একক জানালা চালু করা হবে। দক্ষ জনবল গড়ে তোলে, বিদেশে কর্র্মী পাঠানো হবে। সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দীন মাহমুদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সরকার এই মুহূর্তে একটা ভঙ্গুর ও বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এটাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে কিন্তু ইরান যুদ্ধ এসে সেটাকে আবারও সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের উচিত হবে একটা স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেওয়া। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এটা তাদের প্রথম বাজেট। সেজন্য অনেক চাপ ও প্রত্যাশাও রয়েছে। অতীতে জিয়াউর রহমানও অনেক সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে মুক্তবাজার অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের উচিত হবে শিক্ষা এবং বেসরকারি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১১ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (১১ জুন)
করে পিষ্ট জনগণ, ঋণে কাবু দেশ

করে পিষ্ট জনগণ, ঋণে কাবু দেশ

প্রায় দুই দশক পর বিএনপি জোট ক্ষমতায়। নেতৃত্বেও আমূল পরিবর্তন। দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্থলে...

 

এবারের বাজেটে সবার জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে

এবারের বাজেটে সবার জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে

সবার জন্য সুন্দরভাবে ব্যবসা করার সুবিধা তৈরি করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন,...

 

সঞ্চয়পত্রে দ্বিগুণ কর, কমছে রেয়াত

সঞ্চয়পত্রে দ্বিগুণ কর, কমছে রেয়াত

সম্পদশালী মানুষের সম্পদে বাড়ানো হচ্ছে না করের হার। তবে আইনের মারপ্যাঁচে গরিব-মধ্যবিত্তের টিকে থাকার সম্বল...

 

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা নিয়ে সংসদে আলোচনা

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা নিয়ে সংসদে আলোচনা

প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সমস্যা সমাধানে সংসদীয় টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা....

 

চট্টগ্রাম বন্দর ২০২৯ সালে সিঙ্গাপুর-কলম্বোর মতো দক্ষ হবে

চট্টগ্রাম বন্দর ২০২৯ সালে সিঙ্গাপুর-কলম্বোর মতো দক্ষ হবে

চট্টগ্রাম বন্দরের সব পরিকল্পিত কনটেইনার টার্মিনাল চালু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি...

 

আজ উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর সামনে সেই দক্ষিণ আফ্রিকা

আজ উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকোর সামনে সেই দক্ষিণ আফ্রিকা

বিশ্বকাপ আসে, বিশ্বকাপ যায়, অনেক গোল হয়, কত ধরনের উদযাপন করতে দেখা যায়...কিন্তু এখনো কানে বাজে সেই কয়েকটি বাক্য, সেই...

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের অপেক্ষায় দেশ-দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফুটবলের অপেক্ষায় দেশ-দুনিয়া

আবার ঘরে ঘরে ফুটবল। রাত জাগার ফুটবল। আনন্দ, বেদনা, আশা ও নিরাশার ফুটবল। ঘরে ঘরে তর্ক, মান-অভিমান, আবার মধুর মিলনের...

 

রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে সহিংসতা

রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে সহিংসতা

রাষ্ট্র একটি সংগঠিত রাজনৈতিক কাঠামো, যেখানে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সর্বোপরি সার্বভৌমত্ব...

 

২০৩১ সাল পর্যন্ত করছাড় পাচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর খাত

২০৩১ সাল পর্যন্ত করছাড় পাচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর খাত

প্রযুক্তি নির্ভরশীল বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ এখন কৌশলগত পণ্য। সেই দৌড়ে পা রাখতে যুগান্তকারী এক সিদ্ধান্ত...

 

পাঁচ বছর অপরিবর্তিত থাকছে করপোরেট কর

পাঁচ বছর অপরিবর্তিত থাকছে করপোরেট কর

শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট করের হার আগামী পাঁচ বছর অপরিবর্তিত রাখার...

 

চিকিৎসাসামগ্রী-ওষুধের দাম কমবে

চিকিৎসাসামগ্রী-ওষুধের দাম কমবে

আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধীসেবা, ক্যান্সার, অটিজম,...

 

সোনা ও স্বর্ণালংকারে উৎস কর ও ভ্যাট কমছে

সোনা ও স্বর্ণালংকারে উৎস কর ও ভ্যাট কমছে

সোনা ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে ৫ শতাংশ উৎস কর কমিয়ে ০.৫০ শতাংশ, এ ছাড়া ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরিতে দুই হাজার...

 

৩০ বছর পর নায়ক সালমান শাহর লাশ তোলার নির্দেশ

৩০ বছর পর নায়ক সালমান শাহর লাশ তোলার নির্দেশ

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তাঁর দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের...

 

যেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

যেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন

দীর্ঘদিন ধরে ব্রেন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন গুণী অভিনেতা ও নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।...

 

প্রিমিয়ারে গাইলেন টেইলর সুইফট

প্রিমিয়ারে গাইলেন টেইলর সুইফট

হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এনিমেশন ফ্র্যাঞ্চাইজি টয় স্টোরির নতুন কিস্তি দেখার জন্য অপেক্ষা করছে ভক্তরা। দর্শকদের...

 

মাঝেমধ্যে দু-একটি কবিতা লিখি

মাঝেমধ্যে দু-একটি কবিতা লিখি

গত সপ্তাহে জন্মদিন গেল। দিনটি কেমন কেটেছে? ভালো কেটেছে। আমি আসলে বিশেষ দিনগুলোতে বাসায় থাকি। পরিবারের সঙ্গে...

 

সব ধরনের সিগারেট ও মদের দাম বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সব ধরনের সিগারেট ও মদের দাম বাড়ছে

সিগারেট ও তামাকপণ্যকে নিরুৎসাহ করতে চার স্তরের সিগারেটের দাম বাড়বে উল্লেখযোগ্য হারে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেবেন।

বাজারে থাকা নিুস্তরের সিগারেটের দাম সবচেয়ে কম বাড়ছে। বর্তমানে ১০ শলাকার এক প্যাকেট নিুস্তরের সিগারেটের মূল্য ৬০ টাকা, যা দুই টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা করা হয়েছে। উচ্চস্তরের সিগারেটের দাম প্রতি প্যাকেট ১৪০ থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হবে। এবারের বাজেটে অতি উচ্চস্তরের সিগারেটের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়ছে। এই স্তরে ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে একলাফে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

প্রতি ১০ গ্রাম নিকোটিন পাউচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি ১০ শলাকা হিট টোব্যাকোর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৬৭ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপর ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ রাখা হতে পারে।

এ ছাড়া বাংলাদেশে তৈরি মদের উৎপাদন পর্যায়ে প্রতি লিটার ৫০০ টাকা হারে সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ করা হতে পারে। সরকার বলছে, স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এমন পণ্যের ব্যবহার কমানো ও রাজস্ব আদায় বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

পাঁচ বছর অপরিবর্তিত থাকছে করপোরেট কর

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাঁচ বছর অপরিবর্তিত থাকছে করপোরেট কর

শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট করের হার আগামী পাঁচ বছর অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এ ঘোষণা দেবেন।

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কম্পানির ক্ষেত্রে আগের মতোই ৫ শতাংশ বহাল রেখে করপোরেট করহার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন সংযোজন হচ্ছে, আইপিওর পাশাপাশি সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করলে করহার হবে সাড়ে ২২ শতাংশ। তবে এ ধরনের কম্পানির সব আয় ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন হলে করহার হবে ২০ শতাংশ। অতালিকাভুক্ত কম্পানির করহার হবে সাড়ে ২৭ শতাংশ। তবে এই শ্রেণির কম্পানিও সব লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে করলে করহার হবে ২৫ শতাংশ। ব্যাংক, বীমা ও ফিন্যান্স কম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে করহার সাড়ে ৩৭ শতাংশ, তালিকাভুক্ত না হলে করহার হবে আগের মতো ৪০ শতাংশ।

এ ছাড়া সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী কম্পানির জন্য আগের মতোই সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ করহার থাকছে। সঙ্গে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ সারচার্জ যুক্ত থাকবে। মোবাইল অপারেটরদের জন্য সাধারণ করহার ৪৫ শতাংশই থাকছে। তবে কোনো কম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ১০ শতাংশ শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হলে করহার হবে ৪০ শতাংশ।

তবে মোবাইল কম্পানিগুলোকে আরো বেশি পরিমাণ শেয়ার ছাড়তে উৎসাহিত করতে কর রেয়াত দেওয়ার প্রস্তাব করা হতে পারে। খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো মোবাইল কম্পানি কমপক্ষে ২০ শতাংশ শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে বিক্রি করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরে প্রযোজ্য আয়করের ওপর ১০ শতাংশ হারে রেয়াত দেওয়া হবে।

জানা গেছে, দেশের বিনিয়োগের গতি ফেরানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যাবসায়িক পরিবেশকে সহজ-আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এমন প্রস্তাব রাখা হয়েছে।