<article> <p style="text-align: justify;">পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস যুগের অবসান ঘটেছে। বিধানসভার নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ভারতের সবচেয়ে অগ্রসর রাজ্য বলে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে এবার বিপুলভাবে জিতেছে হিন্দুত্ববাদে বিশ্বাসী একটি দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপি ‘পদ্মা’ পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তাদের পাপড়ি মেলেছে। পশ্চিমবঙ্গ ভারতের বাংলাভাষী দুটি রাজ্যের একটি। সংগত কারণেই সেখানকার নির্বাচনে বাংলাদেশ বরাবরই একটি ফ্যাক্টর। অনেকের ধারণা সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ‘হাসিনা কার্ড’ ভোটযুদ্ধের ভাগ্য নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে।</p> <p style="text-align: justify;">জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান বাংলাদেশের কর্তৃত্ববাদী শাসক শেখ হাসিনা। এ গণ অভ্যুত্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও ব্যাপক সাড়া জাগায়। বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা শেখ হাসিনার পতনকে বাহবা দেয়। এর বিপরীতে তৃণমূল কংগ্রেসের একসময়ের দ্বিতীয় প্রধান নেতা এবং পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কর্ণধার শুভেন্দু অধিকারী আবির্ভূত হন ভিন্ন ভূমিকায়। তিনি জোরেশোরে দাবি তোলেন শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশে ফেরত যাবেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। শুভেন্দুর হাসিনাচর্চার মূল কারণ পশ্চিম বাংলার অধিবাসীদের এক বড় অংশের আদিনিবাস এপার বাংলায়। যাদের মন জয় করা। পশ্চিম বাংলায় মুসলিম ভোটের সংখ্যা প্রায় এক-চতুর্থাংশ। একসময় সিপিএমের পক্ষে যেত এই ভোট। তারপর সে ভোটের ‘মালিকানা’ অর্জন করে তৃণমূল কংগ্রেস। এই অর্জন তাদের দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকতে মদত জোগায়। বিজেপি মুসলিম ভোটে ভাঙন ধরাতে কূটকৌশলের পথ বেছে নেয়। তারা ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে মদত জোগায় নানাভাবে।</p> <p style="text-align: justify;">পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের সুবাদে ভারতের বাংলাভাষী দুটি রাজ্যে ধর্মভিত্তিক দলের থাবা বিস্তার হলো। বাঙালিরা ভারতের সবচেয়ে প্রগতিশীল অংশ বলে যে গর্ব পোষণ করত, তার অবসান হলো। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ব্যক্তিগতভাবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির তুমুল সমালোচক হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গের জয়ী দলকে আমরা অভিনন্দন জানাতে চাই। আশা করতে চাই, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়লাভে তিস্তার পানি বণ্টন সমস্যার সম্মানজনক সমাধান হবে। তিস্তার পানি বণ্টনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজি হলেও মমতার আপত্তির অজুহাতে তারা চুক্তি করেনি। মমতা যুগের অবসানে দিল্লি সরকার প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে পানি বণ্টনের ব্যাপারে ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে আমরা এমনটিই দেখতে চাই।</p> <p style="text-align: justify;">গঙ্গার পানি বণ্টনেও বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়। ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। আমাদের তিন দিকেই ভারত। মুক্তিযুদ্ধের মিত্র এ দেশটির সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক রক্ষায় বাংলাদেশের সদিচ্ছার অভাব নেই। বড় দেশ হিসেবে এ ব্যাপারে ভারতকেও উদার হতে হবে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে নিতে হবে কার্যকর ব্যবস্থা। ভারতীয় নেতৃত্বকে বুঝতে হবে সীমান্ত হত্যা দুই দেশের সম্পর্কে চিড় ধরায়। পুশব্যাকের জংলি নীতির চর্চা থেকেও ভারতকে সরে আসতে হবে। ভারতের কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ সন্নিবেশিত প্রধান দুই রাজ্য পশ্চিম বাংলা ও ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতায় আসায় প্রতিবেশীকে উত্ত্যক্ত করার ভুল পথ থেকে সরে আসতে তারা  সক্ষম হবেন আমরা এমন আশাই করতে চাই। দুই দেশের মেলবন্ধন ঘনিষ্ঠ করার স্বার্থে একে অপরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক না গলানোর নীতি অনুসরণ করা হবে এমনটিও প্রত্যাশিত।</p> <p style="text-align: justify;">দুই. কদিন আগে চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম শ্যালিকাকন্যা পরমার বউভাতে। টানা ৪৮ ঘণ্টার সে সফরটি ছিল অনির্ধারিত। হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া। চট্টগ্রামের বন্ধুদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করিনি ইচ্ছা করেই। সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম, পুরো সফরটা হবে বউভাতকেন্দ্রিক। কিন্তু কথায় বলে, ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে। চট্টগ্রামে বন্ধুদের কারও সঙ্গে দেখা না হলেও পাহাড়তলীতে পত্রিকা কিনতে গিয়ে পড়তে হয় এক পাঠকের পাল্লায়। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রতি বুধবার ‘স্পষ্ট ভাষণ’ কলামে আমার লেখা ছাপা হয়। এ বছর পয়লা বৈশাখ ছিল মঙ্গলবার। পত্রিকা অফিসও ছিল ছুটি। ফলে বুধবার বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইনে অস্তিত্ব বজায় রাখলেও ছাপার অক্ষরে প্রকাশ পায়নি। এ অবসরে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার সাহিত্য পাতায় ছাপা হয় আমার ‘বাঙালির নববর্ষ’ নামের লেখাটি।</p> <p style="text-align: justify;">বাংলাদেশ প্রতিদিনের কপি সংগ্রহে পত্রিকার স্টলে হাজির হতে না-হতেই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন ভাইয়ের ফোন। লেখাটি সম্পর্কে দীর্ঘ প্রতিক্রিয়াও জানালেন তিনি। আলাপচারিতা থামতেই স্টলে দাঁড়ানো একজন বললেন, আমি আপনার লেখা নিয়মিত পড়ি। চায়ের আমন্ত্রণও জানালেন। আমন্ত্রণ না বলে জোর করে নিয়ে গেলেন চায়ের স্টলে। চায়ের আড্ডায় বললেন, ড. ইউনূস আমাদের চট্টগ্রামের লোক। তাঁকে নিয়ে আপনার বেশ কয়েকটি লেখা বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি। তাঁর উপলব্ধি, ইউনূসকে নিয়ে গর্ব করেন এমন লোক চট্টগ্রামে এখন সত্যিকার অর্থেই কম। অথচ তিনি যখন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান, তখন শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষ সেটিকে সুখবর হিসেবে নিয়েছিলেন। সে আনন্দে জেগে উঠেছিল বাংলাদেশ। এ আনন্দ নিষ্প্রভ হয়ে যায় ওয়ান-ইলেভেনে। যখন জানা যায়, পশ্চিমা শক্তি ও ভারতের ইচ্ছা পূরণে বিরাজনীতিকরণের সে ষড়যন্ত্রে ইউনূসের হাত ছিল। তাঁর নিজেরই স্বীকারোক্তি, জেনারেল মইন উ আহমেদ, মাসুদ উদ্দিন গং তাঁকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ইউনূস সাহেব স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতার তখ্তে তাউসে বসতে চাননি। তিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর বন্ধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমদের নাম প্রস্তাব করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় নেপথ্যে থেকে ড. ইউনূস কলকাঠিও নাড়িয়েছেন। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ‘নাগরিক শক্তি’ নামে দল গঠনের উদ্যোগ নেন। কিন্তু ইউনূসের মিষ্টিকথায় কাজ হয়নি। তার পেছনে জড়ো হয়নি দেশের মানুষ। ড. ইউনূসের রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ ফ্লপ মারে। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা থেকে তিনি পিছু হটেন।</p> <p style="text-align: justify;">চায়ের আড্ডায় চট্টগ্রামের পাঠক বন্ধুকে বললাম, চট্টগ্রামের মানুষ গর্ব করতে পারে যাঁদের জন্য তাঁদের একজন আহমদ ছফা। বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা যাঁরা করেন, তাঁদের কাছে ছফা একটি প্রাতঃস্মরণীয় নাম। হুমায়ূন আহমেদের মতো প্রতিভার বিকাশ ঘটেছিল আহমদ ছফার হাত ধরেই। শিল্পী এস এম সুলতানের আবিষ্কারকও তিনি। আহমদ ছফাকে অনেকে বলেন দিব্যদর্শী। বর্তমান নয়, আগামীর চিত্র ধরা পড়ত তাঁর চোখে। আহমদ ছফাকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের বয়ান, ‘আমি আমার যৌবনে হন্টন পীরের মতো একজনকে পেয়েছিলাম। আমরা দলবেঁধে তাঁর পেছনে হাঁটতাম। তিনি যদি কিছু বলতেন মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। গভীর রাতে নীলক্ষেত এলাকায় তিনি হাঁটতে হাঁটতে আবেগে অধীর হয়ে দুই হাত তুলে চিৎকার করতেন “আমার বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ”। আমরা গভীর মুগ্ধতায় তাঁর আবেগ এবং উচ্ছ্বাস দেখতাম। তাঁর নাম আহমদ ছফা। আমাদের সবার ছফা ভাই।’</p> <p style="text-align: justify;">হুমায়ূন আহমদের সাড়াজাগানো উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’। এ বইটি প্রকাশে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন কথিত পীর আহমদ ছফা। হুমায়ূন আহমেদকে ছফা জোর করে নিয়ে যান বাংলাবাজারে প্রকাশকের কাছে। বইটি প্রকাশে প্রকাশককে উদ্বুদ্ধ করেন। নন্দিত নরকে প্রকাশিত হওয়ার পর সাড়া পড়ে যায়। বাংলা একাডেমি পুরস্কারও পান তিনি। পরে হুমায়ূন আহমেদ পিএইচডি করতে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তারপর ফিরে আসেন দেশে। হুমায়ূন আহমেদকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য লেখকের তালিকা তৈরির প্যানেলের সদস্য মনোনীত করা হয়। তিনি পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব করেন তাঁর ‘পীর’ আহমদ ছফার নাম। যথারীতি এ প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। কারণ আহমদ ছফা ছিলেন প্রথাবিরোধী লেখক। ক্ষমতার সঙ্গে যাঁরা আপস করেন না তাঁদেরই একজন। তাঁকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য হুমায়ূন আহমেদ প্রস্তাব দিয়েছেন, এ খবর শুনে ক্ষেপে গেলেন আহমদ ছফা। তিনি হুমায়ূন আহমেদকে ডেকে পাঠান। তাঁকে দেখেই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন। বলেন, ‘হুমায়ূন আপনার কত্তো বড় সাহস আপনি আমার নাম প্রস্তাব করেন। আপনি আর কক্ষনো আমার সামনে আসবেন না। আমি যেন আর কোনো সময় আপনার এই মুখখানি না দেখি।’</p> <p style="text-align: justify;">আহমদ ছফার যাপিত জীবন ছিল বেশ কষ্টের। তারপরও তিনি আমৃত্যু প্রতিভাবানদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। অনেকেরই জানা, মুক্তিযুদ্ধের সময় হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বাবাকে হারান। তিনি ছিলেন পিরোজপুরের মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা। রাজাকারদের ইন্ধনে হুমায়ূন আহমেদের বাবাকে নির্দয়ভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তাঁর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকার হুমায়ূন পরিবারকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে একটি বাড়ি বরাদ্দ দেয়। এক রাতে রক্ষীবাহিনী হানা দেয় বাড়িতে। তারা রত্নগর্ভা মা শহীদজায়া আয়েশা ফয়েজসহ পুরো পরিবারকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অসহায় পরিবারটির ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। উচ্ছেদের পর তাদের রাত কাটে রাস্তার পাশে। খবরটি পৌঁছে যায় আহমদ ছফার কাছে। তিনি পরদিন সকালে কেরোসিনের টিন নিয়ে হাজির হন শহীদ পরিবারের পাশে। হুমায়ূন আহমেদকে বলেন, রিকশায় উঠুন, গণভবনে যাব। বলেন, শহীদ পরিবারকে অপমান করা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। গণভবনের সামনে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার ঘোষণা দেন ছফা। হুমায়ূনকে বলেন, আপনি আমার চাদরটা ভালো করে জড়িয়ে দেবেন। আর টিনে কেরোসিন তো আছে। হুমায়ূন জানতেন, ছফা এক কথার মানুষ। তিনি সবই পারেন। হুমায়ূন আহমেদ আতঙ্কিত হয়ে বিভিন্নজনের সঙ্গে আহমদ ছফার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। বঙ্গবন্ধুর হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। রক্ষীবাহিনীর যে অফিসার বাসা দখলে নিয়েছিলেন, তিনি সরে যান। হুমায়ূন পরিবার ফিরে পায় তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই।</p> <p style="text-align: justify;">আহমদ ছফা ছিলেন দিব্যদর্শী। চট্টগ্রামের চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া গ্রামে তাঁর জন্ম ৩০ জুন ১৯৪৩ সালে। মৃত্যু ২৮ জুলাই ২০০১। আহমদ ছফার চেয়েও দুনিয়াজোড়া পরিচিত নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় যাঁর জন্ম ১৯৪০ সালের ২৮ জুন। ইউনূসের চেয়ে ছফা বয়সে তিন বছর দুই দিনের ছোট। আহমদ ছফা তাঁর চাটগাইয়া দেশিভাই সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘প্রফেসর ইউনূস পাটখেতে বট গাছের মতো পৃথিবীর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন। আমরা একটু গর্ববোধ না করে পারি না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি ছোট দেশ ওই রকম একটি বিশাল দানবীয় আকারের মানুষের ওজন বইতে পারবে কি না, সেটাই হলো কথা। তিনি বিধবা, বেওয়া, হাড় জিরজিরে ন্যাংড়া, নুলো এসব মানুষকে তাঁর সুদের কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলে আন্তর্জাতিক ধনবাদের সঙ্গে একটি গাটছড়া বেঁধে ফেলেছেন। পশ্চিমাদের এই ওয়ান্ডার বয় আমাদের সমাজকে কোথায় নিয়ে যাবে?... রামায়ণের হনুমান তার দিঘল লেজ দিয়ে একবার স্বর্ণলঙ্কা দাহ করেছিলেন। প্রফেসর ইউনূস তাঁর আন্তর্জাতিক লেজ দিয়ে সোনার বাংলার কী দশা করেন, সেটা দেখার অপেক্ষা।’</p> <p style="text-align: justify;">-মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন</p> <p style="text-align: justify;"><strong>লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন</strong></p> <p style="text-align: justify;"><strong>ইমেইল : sumonpalit@gmail.com</strong></p> </article>