যে ভিটামিনের অভাবে ফ্যাটি লিভার হয়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
যে ভিটামিনের অভাবে ফ্যাটি লিভার হয়
সংগৃহীত ছবি

সময়ের সঙ্গে আমাদের জীবনযাপনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, ধূমপান, শরীরচর্চায় অনীহা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাসহ বিভিন্ন কারণে শরীরে বাসা বাঁধে নানা জটিল রোগ। এমনই একটি অসুখ হল নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। আজকাল কম বয়সিদের মধ্যেও এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

 

অতিরিক্ত মদ্যপান ও কয়েকটি ওষুধের খাওয়ার জন্য যকৃতে অবাঞ্ছিত মেদ জমে। যাকে বলা হয় অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। কিন্তু যখন এই দুই কারণ ছাড়াই ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ দেখা দেয়, তখন সেই রোগকে বলা হয় নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। বেশিরভাগ মানুষের ধারণা, মদ্যপান করলেই শুধু ফ্যাটি লিভার হয়।

আরো পড়ুন
স্তন্যদানকারী মায়েদের রোজায় করণীয়

স্তন্যদানকারী মায়েদের রোজায় করণীয়

 

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই ধারণা একেবারেই সত্য নয়। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। এই রোগের হাত ধরে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে লিভার সিরোসিসের মতো মরণব্যাধি। তাই প্রথম থেকেই সতর্ক হওয়া জরুরি।

ফ্যাটি লিভার সংক্রান্ত জটিলতা হওয়ার একাধিক কারণ আছে। গবেষণা বলছে, নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা হতে পারে। আর যে ভিটামিনের অভাবে ফ্যাটি লিভার হওয়ার আশঙ্কা সব থেকে বেশি তা হলো ভিটামিন ডি। তাই ডায়েটে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি রাখা জরুরি।

আরো পড়ুন
শক্ত নাকি নরম, কী ধরনের বালিশে ঘুমানো ভালো

শক্ত নাকি নরম, কী ধরনের বালিশে ঘুমানো ভালো

 

শুধু ফ্যাটি লিভার নয়, ভিটামিন ডি-এর অভাবে হতে পারে ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যাও।

সারা শরীরে বিশেষ করে তলপেটে মেদ জমে। এমনকি গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ মানুষের মাঝে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শরীরে ভিটামিন ডি কম থাকলে ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, ব্লাড সুগারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতাও বাড়ে।

ভিটামিন ডি-এর সবচেয়ে ভালো উৎস সূর্যের আলো। তাই শীতে রোদ পোহাতে ভুলবেন না। এ ছাড়া ডিমের কুসুম, সামুদ্রিক মাছ, মাংসের মেটে, মাশরুমসহ বেশ কিছু খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি আছে। নিয়মিত এই সব খাবার ডায়েটে রাখতে চেষ্টা করুন।

আরো পড়ুন
ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়ানোর কৌশল

ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়ানোর কৌশল

 

সূত্র : আজকাল

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে কী করবেন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে কী করবেন
সংগৃহীত ছবি

গরম শুরু হতে না হতেই শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। পানি খেতে একটু ভুল হলেই হতে পারে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা ডায়রিয়ার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে এই গরমে সাবধানতা অবলম্বন করা খুবই জরুরি।

ডায়েরিয়ার সমস্যা খুব অল্প সময়ের জন্য। যা কয়েকদিনের মধ্যে নিজেই সেরে যায়। কিন্তু ডায়েরিয়ার সমস্যা যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে থাকে, তাহলে তা অন্ত্রের রোগ বা অন্ত্রে সংক্রমণ বা প্রদাহ হতে পারে।

ডায়রিয়ার লক্ষণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত সংক্রমণের কারণে ডায়রিয়া হয় এবং এর কারণে পুরো শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

বমি ও ডায়রিয়ার মতো গুরুতর সমস্যাগুলো ডায়রিয়ায় দেখা দিতে শুরু করে। ঘন ঘন মলত্যাগ, আলগা মল, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, ডিহাইড্রেশন সমস্যা, পেট ফোলা ও ডিহাইড্রেশন, জ্বরের সমস্যা।

আরো পড়ুন
চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

 

ডায়েরিয়া হলে কী খাবেন

ডায়েরিয়ার সমস্যা দ্রুত সারাতে কলা, ভাত, আপেল ও রুটি খেতে হবে। এই জিনিসগুলো বেশ হালকা।

এগুলো আপনার পরিপাকতন্ত্রে খারাপ প্রভাব ফেলবে না। এগুলো মলের মধ্যে ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

ডায়েরিয়ার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া উচিত যাতে, আপনার শরীর হাইড্রেটেড থাকে। পানি ছাড়াও কম পাতার চা, নারকেল পানিও খেতে পারেন। এ ছাড়া ডিম বা রান্না করা শাক-সবজি খেতে পারেন।

এতে তাড়াতাড়ি একটু ভালো অনুভব করতে শুরু করবেন।

ডায়েরিয়া হলে যা খাবেন না

ডায়েরিয়া হলে এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা খাওয়া উচিত নয়। এই জিনিসগুলো আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া এই জিনিসগুলো আপনার সমস্যা কমানোর পরিবর্তে বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আরো পড়ুন
চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

 

এই অবস্থায় দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ফল, চর্বিযুক্ত ও মসৃণ জিনিস, মশলাদার খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, শূকরের মাংস, কাঁচা শাক-সবজি, পেঁয়াজ, ভুট্টা, সাইট্রাস ফল, অ্যালকোহল, কফি, সোডা, কৃত্রিম মিষ্টি জাতীয় খাবার একেবারেই খাবেন না।

ডায়রিয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে যা করবেন

ডায়রিয়া হলে টানা বিশ্রাম নিন এবং সাধারণ খাবার খান। এই অবস্থায় আপনি সহজে হজমযোগ্য জিনিস যেমন কলা, ভাত ও টোস্ট খেতে পারেন। এ ছাড়া এই সময়কালে দুগ্ধজাত পণ্য, ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ এবং কিছু ওষুধ এর লক্ষণগুলো কমাতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু উপসর্গগুলো যদি অব্যাহত থাকে বা অবস্থার অবনতি হতে দেখা যায়, তাহলে তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আরো পড়ুন
ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

ওজন-ডায়াবেটিস, দুটিই নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ফল

 

নিজেকে যেভাবে নিরাপদ রাখবেন

আপনি যদি ডায়রিয়া বা গ্রীষ্মের অন্যান্য রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চান, তাহলে সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং হারিয়ে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইট পূরণের জন্য পানি, বাটারমিল্ক বা টাটকা নারকেলের পানি পান করুন।

এ ছাড়া এই প্রচণ্ড গরমে আপনি যাই খান না কেন সে ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। ফল ও শাক-সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং রাস্তার খাবার বা কম রান্না করা বা ভুলভাবে তৈরি করা খাবার এড়িয়ে চলুন।

ডায়ারিয়া এড়াতে খাওয়ার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। এ ছাড়া শুধু বোতলজাত বা ফুটানো পানি পান করুন। ভ্রমণের সময় বা দাঁত মাজার সময় পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন।

আরো পড়ুন
মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

 

কখন ডাক্তার দেখাবেন

সাধারণত বিশ্রাম, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ওষুধের সাহায্যে ডায়েরিয়া নিরাময় করা যায়। কিন্তু আপনি যদি ২ দিনের বেশি সময় ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হন এবং খুব ডিহাইড্রেটেড বোধ করেন তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডিহাইড্রেশন ছাড়াও যদি আপনার শরীরে অন্য কোনো উপসর্গ দেখা যায়, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

আরো পড়ুন
পুরনো ও গুরুত্বপূর্ণ মেইল সহজে খুঁজে বের করবে জিমেইল

পুরনো ও গুরুত্বপূর্ণ মেইল সহজে খুঁজে বের করবে জিমেইল

 

সূত্র : আজতক বাংলা

মন্তব্য

ফাস্টফুডের সঙ্গে মেয়োনিজ, উপকার নাকি ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ফাস্টফুডের সঙ্গে মেয়োনিজ, উপকার নাকি ক্ষতি
সংগৃহীত ছবি

মেয়োনিজ খেতে কমবেশি সবাই ভালোবাসেন। তবে এই মেয়োনিজ খাওয়া কি আদৌ স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, নাকি ক্ষতিকর। বর্তমান সময়ে মেয়োনিজের চাহিদাও কিন্তু বাজারে বাড়ছে। কোনো খাবারের ওপরে মেয়োনিজ ছড়িয়ে দিলে কিন্তু খেতে অনেক সুস্বাদু লাগে।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই মেয়োনিজ কিন্তু খুব ক্ষতিকর। এতে মনোসোডিয়াম, গ্লুটামেট থাকে। যা শরীরে গিয়ে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করে। অনেক সময় এতে মাথা ঘোরে, দুর্বলতার মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়।

তাই মেয়োনিজ খাওয়ার আগে সাবধান হোন আপনিও। না হলে বড় সমস্যা হতে পারে।

আরো পড়ুন
মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

মাথা ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেনের সমস্যা?

 

মেয়োনিজ তৈরির উপকরণ

তেল, ডিমের কুসুম, লেবুর রস, ভিনেগার দিয়ে মেয়োনিজ তৈরি করা হয়। তার সঙ্গে লবণ, গোলমরিচ, সাদা সরিষা এবং অন্যান্য মসলা দেওয়া হয়।

তারপরে ঘন পেস্ট করা হয়। বর্তমানে বাজারে প্রচুর পরিমাণে মেয়োনিজ পাওয়া যায়। এতে অনেক ধরনের ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করার ফলে বহুদিন ধরে প্রিজারভেটিভ থাকে। যে কারণে এটি বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া আর কী সমস্যা হতে পারে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

হার্টের সমস্যা

স্যান্ডউইচ, মোমো, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সিঙ্গারা, চিপস মেয়োনিজ দিয়ে খেতে অসাধারণ লাগে। তবে এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব বিপদজ্জনক। এটি খাওয়ার ফলে আপনার ওজন বাড়তে পারে। হজমের সমস্যা হতে পারে। আবার খাবারে বিষক্রিয়াও হতে পারে। এর ক্ষেত্রে হার্টের নানান সমস্যা দেখা দেয়। আবার শরীরে অঙ্গে নানান সমস্যা দেখা দেয়।

আরো পড়ুন
চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

 

ওজন বেড়ে যায়

অতিরিক্ত মেয়োনিজ খেলে আপনার ওজন বাড়তে থাকবে। এতে ক্যালরির পরিমাণ সবথেকে বেশি থাকে। যা খেলে মেয়েদের ওজন হু হু করে বাড়বে। তাই এর থেকে দূরে থাকুন।

কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়বে

শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে মেয়োনিজ। এতে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। এ ছাড়া বাড়বে হৃদরোগে ঝুঁকিও। এমনকি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও হতে পারে। তাই আগেই সাবধান হোন।

রক্তচাপ বৃদ্ধি করে

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াতে চাইলে ভুলেও মেয়োনিজ খাবেন না। এতে শরীরের রক্তচাপের মাত্রাও বাড়তে পারে। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৬ ফ্যাটি আছে মেয়োনিজে। যা রক্তচাপ বাড়াতে পারে। ডায়াবেটিক রোগীদের মেয়োনিজ থেকে দূরে থাকা উচিত। আবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে মেয়োনিজ।

আরো পড়ুন
চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

চিনি খাওয়া এতটা খারাপ কেন

 

সূত্র : আজতক বাংলা

মন্তব্য

কানে পোকা ঢুকে গেলে করণীয়

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
কানে পোকা ঢুকে গেলে করণীয়
সংগৃহীত ছবি

কানে পোকা ঢুকে গেলে অস্বস্তি ও ব্যথা হওয়া সাধারণ ব্যাপার। অনেকেই কানের পোকা বের করার জন্য কানে খোঁচাখুঁচি করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আতঙ্কিত না হয়ে কিছু সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। 

চলুন, জেনে নিই কানে পোকা ঢুকলে কী করবেন এবং কী করবেন না।

যা করবেন :

শান্ত থাকুন
প্রথমে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। আতঙ্কিত হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে, তাদের শান্ত রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা ভয় পেয়ে বেশি নড়াচড়া করলে পোকা কানে কামড়াতে পারে।

আলোর ব্যবহার করুন
টর্চলাইট বা অন্য কোনো আলোর উৎস ব্যবহার করে দেখুন পোকাটি আলোর দিকে আসে কি না। অনেক পোকা আলোর প্রতি সংবেদনশীল, তাই আলোর দিকে তারা বেরিয়ে আসতে পারে।

তেল ব্যবহার করুন
অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল বা বেবি ওয়েল কানের ভেতর কয়েক ফোঁটা দিন। তেল পোকাকে মেরে ফেলে বা বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।

তবে, কানের কোনো সমস্যা থাকলে তেল ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকুন।

মাথা কাত করুন
যে কানে পোকা ঢুকেছে, সেই কানটি নিচের দিকে কাত করুন। এতে তেল ও পোকা বেরিয়ে আসতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে, মাথা কাত করে আলতোভাবে কান ঝাঁকাতে পারেন।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিন                                                                                                                               যদি কানে ব্যথা, রক্তপাত বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দেয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

যা করবেন না :

কটন বাড বা ধারালো কিছু দিয়ে কানে খোঁচাখুঁচি করবেন না। এতে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

পোকা বের করার জন্য কানে পানি দেবেন না, এটি বিপদ বাড়াতে পারে।

কানে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করবেন না,

সূত্র : আজকাল

মন্তব্য

চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
চুইংগাম চিবানোতে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি
ছবি : পেক্সেলস

চুইংগাম চিবিয়ে মুখের স্বাদ পরিবর্তনের অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। এ ছাড়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও অনেকে চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতিটি চুইংগামে শত শত মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে, যা চিবানোর মাধ্যমে সরাসরি মানবদেহে প্রবেশ করে।

দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত চুইংগাম চিবালে বিপুল পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক গিলে ফেলার সম্ভাবনা থাকে। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

গবেষণায় যা উঠে এলো

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় ৭টি ভিন্ন ব্র্যান্ডের চুইংগাম পরীক্ষা করা হয়। গবেষকরা জানিয়েছেন, মাত্র এক গ্রাম চুইংগাম চিবালেই গড়ে ১০০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক নির্গত হয়।

কিছু চুইংগামে এই সংখ্যা বেড়ে ৬শরও বেশি হতে পারে! সাধারণত একটি চুইংগামের ওজন প্রায় ১.৫ গ্রাম হয়। অর্থাৎ, প্রতিবার চুইংগাম চিবিয়ে মানুষ কয়েকশো মাইক্রোপ্লাস্টিকের টুকরা মুখে নিচ্ছেন।

আরো পড়ুন
রাতে দাঁত ব্রাশ করলে কী উপকার

রাতে দাঁত ব্রাশ করলে কী উপকার

 

গবেষকদের মতে, যদি কেউ বছরে ১৮০টি চুইংগাম খান, তাহলে প্রায় ৩০হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক গিলে ফেলেন, যা শরীরের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়।

চুইংগামে কিভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ চুইংগাম সিন্থেটিক গাম থেকে তৈরি।

যাতে পেট্রোলিয়ামভিত্তিক পলিমার ব্যবহার করা হয়। এটি চুইংগামকে চিবানোর মতো নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক করে তোলে। কিন্তু এই পলিমার থেকেই মাইক্রোপ্লাস্টিক তৈরি হয়, যা চিবানোর সময় মুখে প্রবেশ করে।

গবেষকরা আরো জানিয়েছেন, গামভিত্তিক উপাদান বলতে প্রায়ই প্লাস্টিক বোঝানো হয়। যদিও এটি প্যাকেজিংয়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় না।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি চুইংগামেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে, যা গবেষকদেরও বিস্মিত করেছে।

আরো পড়ুন
কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতে সমস্যা দেখা দেয়

কোন ভিটামিনের অভাবে দাঁতে সমস্যা দেখা দেয়

 

মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাব

গবেষণায় বলা হয়েছে, ইতোমধ্যেই মানুষের ফুসফুস, রক্ত ও মস্তিষ্কে মাইক্রোপ্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যদিও এখনো এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি। তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, প্লাস্টিকের উপস্থিতি শরীরে জটিলতা তৈরি করতে পারে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, মানুষকে ভয় দেখানো আমাদের উদ্দেশ্য নয়। তবে নিয়মিতভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ, তা স্পষ্ট নয়।

বিকল্প কী

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, প্লাস্টিকভিত্তিক চুইংগামের পরিবর্তে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি চুইংগাম বেছে নেওয়া ভালো। পাশাপাশি চুইংগাম চিবানোর পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত, যাতে শরীরে প্লাস্টিক প্রবেশের সম্ভাবনা কমে।

আরো পড়ুন
রাতে ঘুমানোর আগে যে ৩ খাবার থেকে দূরে থাকবেন

রাতে ঘুমানোর আগে যে ৩ খাবার থেকে দূরে থাকবেন

 

সূত্র : আজতক বাংলা

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ