• ই-পেপার

আইসিডিডিআরবির গবেষণা

গ্রামাঞ্চলে প্রতি ৩ জনে দুজন কিশোরী ভুগছে মাসিক সংক্রান্ত সমস্যায়

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস : নীরব ধমনী রোগ

ডা. ফারজানা সুমি
টাকায়াসু আর্টেরাইটিস : নীরব ধমনী রোগ
সংগৃহীত ছবি

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বিরল হলেও এমন এক প্রদাহজনিত রোগ, যা মূলত দীর্ঘসময় ধরে শরীরের বড় রক্তনালী, বিশেষ করে মহাধমনী ও এর প্রধান শাখাগুলোকে নীরবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকে। তাই একে ‘পালসলেস ডিজিজ’ও বলা হয়। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণত ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণীদের মধ্যে টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বেশি দেখা যায়। তবে পুরুষরাও ঝুঁকির বাইরে নয়। এটি তুলনামূলকভাবে বিরল হলেও এশিয়ায়, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে প্রাদুর্ভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়। রোগের শুরুতে সাধারণত অস্পষ্ট কিছু উপসর্গ দেখা যায়, যেমন—জ্বর, ক্লান্তি, ওজন কমে যাওয়া, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রক্তনালীগুলো সরু হয়ে রক্তপ্রবাহ কমে যেতে পারে এবং মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, দৃষ্টিজনিত সমস্যা, বুকে ব্যথা বা হাত নাড়াতে অসুবিধা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কব্জিতে নাড়ির স্পন্দন দুর্বল বা অনুপস্থিত থাকতে পারে। আর এই কারণে এই রোগকে ‘পালসলেস ডিজিজ’ বলা হয়।

টাকায়াসু আর্টেরাইটিসের নির্দিষ্ট ও সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে টাকায়াসু আর্টেরাইটিসকে একটি অটোইমিউন রোগ হিসেবে ধরা হয়, যেখানে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত রক্তনালীর দেয়ালে আক্রমণ করে। ফলস্বরূপ প্রদাহ ও শরীরে দাগ তৈরি হয়। বংশগত ও পরিবেশগত কারণেও এটি হয়ে থাকতে পারে। 

প্রাথমিক উপসর্গগুলো অন্যান্য রোগের মতো হওয়ায় অনেকসময় সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়। চিকিৎসকরা শারীরিক পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা এবং সিটি ও এমআর এঞ্জিওগ্রাফি’র মতো ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তনালীর সংকোচন বা অ্যানিউরিজম শনাক্ত করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর প্রধান চিকিৎসা হলো কর্টিকোস্টেরয়েড, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ইমিউনোসাপ্রেসিভ ওষুধের প্রয়োজন হয়। যদি রক্তনালী গুরুতরভাবে সংকুচিত হয়ে যায়, তাহলে ভাস্কুলার সার্জারি বা স্টেন্ট বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। সুস্থতার পরও রোগটি পুনরায় সক্রিয় হতে পারে, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

যদিও এটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তবে সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মমাফিক চলাফেরা রোগীদের স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করতে পারে। দ্রুত রোগ নির্ণয়, নিয়মিত ফলো-আপ এবং লাইফস্টাইলে পরিবর্তন, যেমন; রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, সঠিক খ্যাদাভ্যাস ইত্যাদি স্ট্রোক বা হৃদযন্ত্রের জটিলতার মতো গুরুতর সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। 

টাকায়াসু আর্টেরাইটিস বিরল হলেও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোন তরুণ/তরুণী অজানা কারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি, নাড়ির স্পন্দন না পাওয়া বা দুই হাতে রক্তচাপের অস্বাভাবিক পার্থক্য অনুভব করেন, তাহলে দ্রুত অভিজ্ঞ রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো শনাক্তকরণ ও সঠিক চিকিৎসাই পারে জীবন রক্ষা করতে। 

লেখক :

কনসালট্যান্ট, রিউমাটোলজি,
এভারকেয়ার হসপিটাল, ঢাকা।

হাম উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরো সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ছয়জন। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮৭ জন। শনিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৭৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৮৪ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১০ হাজার ৯৪৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯১ হাজার ৭৮৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০৪ জন ও আক্রান্ত ৪৯ হাজার ৭৮৩ জন।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু

সারা দেশে সন্দেহজনক হামে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৭৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৯৮২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৮৬৯ জন।

স্বজননির্ভর সংস্কৃতি বদলের তাগিদ

স্বেচ্ছায় রক্তদান মাত্র ৩০ শতাংশ, শতভাগ করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বেচ্ছায় রক্তদান মাত্র ৩০ শতাংশ, শতভাগ করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

বাংলাদেশে এখনো রক্তের বড় অংশের চাহিদা পূরণ হয় রোগীর স্বজন ও পরিচিতজনদের মাধ্যমে। অথচ নিরাপদ ও টেকসই রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রয়োজন স্বেচ্ছায় রক্তদানের একটি শক্তিশালী সংস্কৃতি। বর্তমানে দেশে মোট রক্তের চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ আসে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কাছ থেকে। এই হার শতভাগে উন্নীত করতে সামাজিক সচেতনতা, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রক্ত কোনো কারখানায় তৈরি হয় না। একজন মানুষের দেওয়া রক্তই আরেকজন মানুষের জীবন বাঁচানোর একমাত্র মাধ্যম। তাই রক্তদানকে জরুরি মুহূর্তের প্রতিক্রিয়া হিসেবে নয়, বরং নিয়মিত সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

রাজধানীর মালিবাগে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং নিয়মিত রক্তদাতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

৩০ শতাংশ থেকে শতভাগে পৌঁছানোর লক্ষ্য

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মনজুর মোরশেদ। তিনি জানান, বর্তমানে ফাউন্ডেশনের প্রয়োজনীয় রক্তের প্রায় ৩২ শতাংশ আসে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের কাছ থেকে। আগামী বছরের মধ্যে এই হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদানের হার বাড়ানো কেবল একটি আকাঙ্ক্ষা নয়; এর জন্য প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা। উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে স্বেচ্ছায় রক্তদানের হার প্রায় শতভাগের কাছাকাছি। বাংলাদেশেও ধাপে ধাপে সেই পর্যায়ে যেতে হবে।

অধ্যাপক মোরশেদ বলেন, থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জীবন নিয়মিত রক্ত পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। সময়মতো রক্ত না পেলে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি, চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তাই পর্যাপ্ত ও নিরাপদ রক্ত নিশ্চিত করা থ্যালাসিমিয়া চিকিৎসার অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।

পেশাদার রক্তদাতা থেকে নিরাপদ ব্যবস্থায় অগ্রগতি

অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. মুরাদ সুলতান বলেন, বাংলাদেশের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও স্বেচ্ছায় রক্তদানের ক্ষেত্রে এখনো বড় ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, একসময় দেশে বিপুল পরিমাণ রক্ত আসত পেশাদার রক্তদাতাদের কাছ থেকে, যা নিরাপত্তার দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বর্তমানে সেই প্রবণতা প্রায় বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো রক্তের বড় অংশের জন্য রোগীর পরিবার ও স্বজনদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

মুরাদ সুলতান বলেন, নিরাপদ রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে স্বজননির্ভর ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাভিত্তিক একটি জাতীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে রক্ত সংগ্রহ কেন্দ্রগুলোর সেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, অনেক সময় রক্তদাতারা প্রতিকূল পরিবেশে রক্ত দেন। রক্তদান কেন্দ্রগুলো এমন হওয়া উচিত, যেখানে একজন রক্তদাতা সর্বোচ্চ সম্মান, স্বাচ্ছন্দ্য ও যত্ন পান। রক্তদাতাদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে তিনি কেন্দ্রগুলোকে ‘ফাইভ স্টার’ মানের সেবামুখী করার পরামর্শ দেন।

জাতীয় ডাটাবেজ ও ডিজিটাল রিমাইন্ডারের প্রস্তাব

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, একটি জাতীয় ডাটাবেজ থাকলে প্রয়োজনের সময়ে দ্রুত রক্তদাতা শনাক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় পরপর মোবাইল বার্তা বা ডিজিটাল রিমাইন্ডারের মাধ্যমে রক্তদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা গেলে নিয়মিত রক্তদাতার সংখ্যা বাড়বে।

ডা. মুরাদ সুলতান স্কুল পর্যায় থেকে রক্তদান সম্পর্কে ইতিবাচক শিক্ষা চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন। ১৮ বছর বয়সের আগে কেউ রক্ত দিতে না পারলেও ছোটবেলা থেকেই মানবিকতা ও রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, রক্তদানের পর তাৎক্ষণিক স্বীকৃতি, সার্টিফিকেট প্রদান এবং নিয়মিত যোগাযোগ রক্তদাতাদের দীর্ঘমেয়াদে যুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রক্তদাতাদের সম্মাননা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়

অনুষ্ঠানে নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতা মোহাম্মদ হাবিব তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১৮ সাল থেকে তিনি নিয়মিত রক্তদান করছেন। রক্তদানের পর ফাউন্ডেশন থেকে যোগাযোগ ও খোঁজখবর নেওয়ার বিষয়টি তাকে আরো উৎসাহিত করে।

বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে স্বেচ্ছায় রক্তদানকে কেবল একটি কর্মসূচি নয়, বরং একটি সামাজিক সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে। থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জীবন বাঁচাতে সরকার, চিকিৎসক, গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভা শেষে থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যকবার রক্তদানকারী ব্যক্তি, বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও রক্তদাতা সংগঠনকে সম্মাননা স্মারক ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

সম্মাননা পাওয়া প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মধ্যে ছিল রবি আজিয়াটা, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, লা মেরিডিয়ান ঢাকা, রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেল, ব্যাবিলন গ্রুপ, আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, পুলিশ ব্লাড ব্যাংক, সন্ধানী, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, বাঁধন এবং মেডিসিন ক্লাব।

এদিকে, বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে দিনব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। তরুণ স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের কর্মীরাও থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জন্য রক্তদান করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা মাসুমা রহমান, মুগদা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. সাজিয়া ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফাউন্ডেশনের ব্লাড ট্রান্সফিউশন স্পেশালিস্ট ডা. রাজিয়া সুলতানা।