থানায় জিডি করলেন ভোক্তা অধিকারের আব্দুল জব্বার মণ্ডল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
থানায় জিডি করলেন ভোক্তা অধিকারের আব্দুল জব্বার মণ্ডল
আব্দুল জব্বার মণ্ডল।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল থানায় জিডি করেছেন। তার নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ খোলায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।

নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন। সোমবার (৩১ মার্চ) তেজগাঁও থানায় করা জিডিতে (জিডি নম্বর: ১৬৯৯)।

সাধারণ ডায়েরিতে আব্দুল জব্বার মন্ডল উল্লেখ করেন, তার নামে এবং তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ খোলা হয়েছে। এতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

পোস্টে তিনি ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজগুলোর স্ক্রিনশট যুক্ত করে দেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তিনি লেখেন, ‘আমার নামে এবং আমার ছবি ব্যবহার করে কিছু নকল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জিডি করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হলো।’

পোস্টের শেষে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদ মোবারক।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

রাতে ক্রিকেট মাঠে সারজিস, খেললেন ক্যারমও

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
রাতে ক্রিকেট মাঠে সারজিস, খেললেন ক্যারমও
ছবি : ফেসবুক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন। এতে তাকে রাতে ক্রিকেট মাঠে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে গ্রাম্য দোকানে ক্যারম খেলতেও দেখা গেছে তাকে।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে সারজিস আলম ছবিগুলো পোস্ট করে লিখেছেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হলে মাঠের দিকে খেলাধুলামুখী করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে তরুণদের সঙ্গ দিতে এবং উদ্বুদ্ধ করতে একসাথে মাঠে।’

ছবিতে দেখা গেছে, রাতে আলো জ্বালিয়ে ক্রিকেট খেলার আয়োজন করা হয়। এতে ব্যাট হাতে সারজিস আলমকে দেখা যায়। দর্শকদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়ও করেন তিনি।

অন্যদিকে, আরেকটি ছবিতে তাকে স্থানীয়দের সঙ্গে ক্যারম খেলতে দেখা যায়।

সারজিস আলম এবার নিজ এলাকা পঞ্চগড়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

ঈদের পরদিনের অভিজ্ঞতা জানালেন ডা. তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঈদের পরদিনের অভিজ্ঞতা জানালেন ডা. তাসনিম জারা
ছবি : ফেসবুক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ঈদুল ফিতরের পরদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজবাড়ীতে এবার ঈদের পরদিন সফর করেছেন শত কিলোমিটার।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন ডা. তাসনিম জারা।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ঈদের পরদিন রাজবাড়ীতে ছিলাম।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এক শ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়েছি। এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে, এক উঠান থেকে আরেক উঠানে গিয়েছি।’

তিনি লিখেছেন, ‘কোনো মঞ্চ ছিল না, কোনো মাইক্রোফোন ছিল না। আমরা গোল হয়ে বসেছি মানুষের ঘরের উঠানে।

কখনো খোলা আকাশের নিচে, কখনো টিনের চালার নিচে, আবার কখনো গাছতলায়। আশপাশের বাড়ির মানুষরা এসে বসেছেন। বলেছেন তাদের জীবনের গল্প, ছোট ছোট সমস্যার কথা যার সমাধান হলে জীবনটা হয়তো একটু সহজ হয়ে উঠত।’

তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘এরমধ্যে একটা বৈঠকে পারভীন আপা এমন একটা গল্প বললেন, যা আমি সহজে ভুলতে পারব না।

উনি দুই মাস আগে স্বামীকে হারিয়েছেন। গ্রামের সরু, ভাঙা পথে গাড়ি চলার উপায় নেই, তাই গাড়ি দিয়ে স্বামীর মরদেহ বাড়িতে আনতে পারেননি। আনতে হয়েছে ভ্যানে করে।’

‘কথাগুলো বলার সময় পারভীন আপা কেঁদে ফেললেন। তার কথায় ছিল গভীর এক অসহায়ত্ব।

পারভীন আপার এই কথাগুলো বারবার মনে পরে। ঘুমাতে গেলে চোখ বুজতেই তার মুখটা দেখতে পাই। সেই অসহায় চোখ, যেখানে সম্মান হারানোর কষ্ট বড় ক্ষত হয়ে বসে গেছে।’

তিনি আরো জানান, ‘আমরা দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথাই বলি। বলি যে দেশ থেকে হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। কিন্তু সেদিন আমি নিজের চোখে দেখে এসেছি, কার কাছ থেকে টাকাগুলো লুট করা হয়েছে। সেই টাকা লুট করা হয়েছে পারভীন আপাদের মতো মানুষের কাছ থেকে, যাঁরা সামান্য একটু রাস্তা, একটু সম্মান ছাড়া আর কিছুই চান না। অথচ সেটুকুও তারা পান না।’

‘যারা দেশটাকে লুট করেছে, আমার মনে হয় না কখনো তারা পারভীন আপার মতো কারো উঠানে বসে জীবনের গল্প শুনেছেন। শুনলে হয়তো তারাও রাতে ঘুমাতে পারতেন না।’

মন্তব্য

ড. ইউনূস ও মোদির পাশাপাশি বসা ছবি ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ড. ইউনূস ও মোদির পাশাপাশি বসা ছবি ভাইরাল
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেদ্র মোদির পাশাপাশি চেয়ারে বসা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই ফেসবুকে ঘুরছে ছবিটি।

ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি দুজনই এখন বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাঙ্ককে আছেন।

মূলত প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন।

সেখানেই ছবি দেখা যায় ড. ইউনূস ও মোদির পাশাপাশি বসে থাকা অবস্থায়।

ওই পোস্টে শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এগুলো ব্যাঙ্ককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজের ছবি।

প্রবাসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামিও ড. ইউনূস ও নরেদ্র মোদির পাশাপাশি বসে থাকা একটি ছবি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসব ছবি প্রচার করে হৃদরোগীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধান উপদেষ্টা। দুপুর ১২টার দিকে ব্যাঙ্ককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান দেমটির মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই।

বিকেলে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় বিমসটেক ইয়ুথ জেনারেশন ফোরামের কনফারেন্সে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

সেখানে তিনি তরুণদের নতুন সভ‍্যতা গড়তে হলে তরুণদের নতুন পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নতুন সভ্যতা গড়তে চাকরির পেছনে না ঘুরে তরুণদের উদ্যোক্তা হতে হবে।’

ড. মুহম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘তরুণরা চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। দেশ বদলাতে চাইলে পরিচালনার পদ্ধতি বদলাতে হবে। বিশ্বকে পরিবর্তন করতে হলে আগে নিজের গ্রাম থেকে পরিবর্তন শুরু করতে হবে।

মন্তব্য

প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে যা বললেন তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়ে যা বললেন তাসনিম জারা
ডা. তাসনিম জারা।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস মানুষকে সততা ও নিষ্ঠার স্বাদ দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।

জনগণ আর চাঁদাবাজদের কাছে ফিরবেন না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন।

তাসনিম জারা ওই পোস্টে লিখেছেন, ‘ইউনূস স্যার সততা আর নিষ্ঠার স্বাদ দিয়েছেন মানুষকে।

তারা আর ফিরবে না চাঁদাবাজদের কাছে। এখন নতুনদের সময়। এখন নতুন বাংলাদেশের সময়।’

এই রিপোর্ট লেখার সময় ওই পোস্টে প্রায় ১৭ হাজার আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।

যাদের অনেকে ডা. তাসনিম জারার সঙ্গে একমত বলে জানিয়েছেন। আবার অনেকে বিপরীত মতও জানিয়েছেন মন্তব্যের ঘরে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ