• ই-পেপার

মধ্যবিত্ত প্রশ্ন জুলাইপন্থীরা মোকাবেলা করতে পারেনি : মাহফুজ আলম

ফেসবুকে এমপি হানজালা

চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে

মাদারীপুর প্রতিনিধি
চিড়িয়াখানায় আমি থাকব বাঘের সঙ্গে, রাশেদকে রাখব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর কাছে
সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এবং বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় সম্প্রতি এক সালিস-বৈঠকে বিএনপির এক কর্মীকে ধমক দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা। এ আচরণের জেরে এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক মন্তব্য করে ফেসবুকে পোস্ট করেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খান।

এবার এই মন্তব্য প্রতিক্রিয়ায় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্টে রাশেদ খানকেও চিড়িয়াখানায় রাখায় রাখার দাবি জানান এমপি হানজালা।

আজ রবিবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে দেওয়া পোস্টে এমপি সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা এ কথা লেখেন। হানজালা বলেন, ‘রাশেদ খান আমাকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিতে চান। আমি তো যাবই, তবে থাকব বাঘের সাথে—বাঘ অন্তত নিজের পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত না! আর রাশেদ খানকে রেখে আসব ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের এক গরুর (মহিষ) পাশে। দেখি, দুজন মিলে কতক্ষণ গল্প করতে পারে! চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষকে শুধু একটা অনুরোধ—গরুটা (মহিষ) যেন পরে নাম পরিবর্তনের আবেদন না করে।’

এর আগে শনিবার দুপুর থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালিস-বৈঠকের এক পর্যায়ে সংসদ সদস্য হানজালা উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছেন।

এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?’ এক পর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, ‘ওই মিয়া চুপ করেন, চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।’

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এমপি হানজালার সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন রাশেদ খান। তিনি লেখেন, ‘এমপি হানজালারে চিড়িয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিড়িয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে।’

এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

অনলাইন ডেস্ক
এমপি হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা রাশেদ!

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালাকে চিড়িয়াখানায় দেখতে চান বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। শনিবার (২০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, এমপি হানজালারে চিরিয়াখানায় রাখা হোক, যাতে চিরিয়াখানার কাউন্টার থেকে সবাই এই অদ্ভুত প্রাণীটাকে টিকিট কেটে দেখতে পারে! আজকে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে তার যে আচরণ দেখলাম, সত্যিই লজ্জা লাগছে, এসব ম্যানারলেস লোকজন কীভাবে এমপি হলো?

রাশেদ লেখেন, এর আগে বিএনপিকে নিয়ে মন্তব্য করেছিল আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এই দেশে থাকতে পারবে না। আওয়ামী আমলে এদের এসব গর্জন তো দেখিনি। এরা তখন কোথায় ছিলো? আজকাল এসব লোকদের এত বেশি ঔদ্ধত্য যে, সরকারি দলের লোকজনকে এরা আওয়ামী জামানার বিরোধীদলের মতো ট্রিট করে।

তিনি আরো লেখেন, হানজালাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে ওরাই ক্ষমতায় আর বিএনপি বিরোধীদলে। বিএনপির দুর্ভাগ্য যে, এদের হজম করা লাগছে। রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট না থাকলে আমি নিশ্চিত ওই বিএনপি নেতা এমপি নামক অদ্ভুত প্রাণীটাকে কানের নীচে দুই পাঁচটা লাগিয়ে দিত।

ফেসবুকে রাশেদ খান

শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই জামায়াতের পতন হবে, ঘণ্টা বেজে গেছে
রাশেদ খান।

খুব শিগগির বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পতন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। জামায়াতের এই পতনের জন্য তাদের নেতাকর্মীরা দায়ী হবেন বলেও জানান রাশেদ।

শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন তিনি।

যৌক্তিক সমালোচনা করার জন্য প্রতিনিয়ত তাকে গালাগাল করা হয় বলে দাবি করেন রাশেদ খান। উদাহরণ হিসেবে তিনি একটি স্ক্রিনশর্ট শেয়ার করেন ফেসবুক পোস্টে।

রাশেদ খান বলেন, ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাব। মূলত আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু এই গালিবাজরা বুঝতেছে না,  সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের পতন ঘণ্টা বাজা শুরু হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আমরা ইতিপূর্বে শুধু সরকারি দলের পতন দেখেছি। কিন্তু এবার ভিন্নতা ঘটবে। ইতিমধ্যে পতনের ঘণ্টা বাজা শুরু হয়ে গেছে। তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান। তারা যত মুখ খুলবে, তত তাদের ভুল ও অযোগ্যতা বের হয়ে আসবে।

রাশেদ খান বলেন, খুব শিগগির ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধী দল জামায়াতের নির্মম পতন হবে। আর এই পতনের জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বাংলাদেশি দুই যুবকের বাঁচার আকুতি
ভিডিও থেকে নেওয়া

রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন বাংলাদেশি দুই যুবক। সম্প্রতি এক ভিডিওতে দেখা যায় দুই বাংলাদেশি যুবক দেশে ফিরতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও দেশবাসীর সহযোগিতা চান।

ভিডিও বার্তায় শোনা যায়, এক যুবক অপরজনকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন—মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন। উনার বাড়ি চাঁদপুর। তাবে তার পরিচয় দেননি তিনি।

বাঁচার আকুতি জানিয়ে ভিডিও বার্তায় তারা বলেন, আপনার কাছে একটা অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। চেষ্টা করেন। যেকোনো সময় আমাদের ফ্রন্টলাইনে পাঠিয়ে দেবে। আমরা মারা যেতে পারি যেকোনো সময়। ড্রোন হামলায়, গ্রেনেড হামলা অথবা মাইনে পা পড়ে মারা যেতে পারি। এভাবে মৃত্যু চাই না আমরা। আমরা চাই আমাদের মৃত্যুর পরে আমাদের জানাজা হোক। এভাবে শিয়াল কুকুরের মতো আমরা মরতে চাই না।

তারা বলেন, আমরা ৩০ জন লোক একসাথে রাশিয়াতে আসছিলাম। ৩০ জন একসাথে আসার পরে আমাদের এজেন্সি দুজন রাশিয়ানের হাতে তুলে দেয়। তারা আমাদেরকে কম্পানিতে কাজ দেবে, কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ দেবে—এই সমস্ত কথাবার্তা বলে আমাদেরকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়ে দিয়েছে। 

এখানে আসার পরে আমাদের একটা ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। ১৪ জনকে এক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। আর আমাদের ১৬ জনকে আরেক ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এখানে নিয়ে আসার পর আমাদেরকে তিন থেকে চার দিন ট্রেনিংয়ে পাঠানোর পর পাঁচজন-ছয়জন করে ফ্রন্টলাইনে পাঠানো হয়েছে যুদ্ধ করার জন্য। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা বলেন, আমাদের এখান থেকে ১২ জন মানুষ মারা গেছে। আমরা চারজন এখন জীবিত আছি। তবে আমরা চারজনই আহত। এই যে মাইনুদ্দিন ভাই আমার সঙ্গে আছেন, উনার বাড়ি চাঁদপুরে। উনি মাথায় ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন। আমি বাম হাতে আঘাত পেয়েছি। এখন আপনাদের কাছে, দেশবাসীর কাছে একটাই অনুরোধ, দেশের সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদেরকে বাঁচান। আমাদেরকে রক্ষা করুন। হেল্প করুন।