• ই-পেপার

রিয়াল মাদ্রিদের স্বস্তির জয়

বিসিবি নির্বাচন ৭ জুন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিসিবি নির্বাচন ৭ জুন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৭ জুন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। 

আজ শনিবার (১৬ মে) বিসিবি নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আহসানুল করিমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৭ জুন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় ফল প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ১৭ মে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১৮ মে খসড়া ভোটার তালিকার ওপর আপত্তি গ্রহণের পর ১৯ মে সকালে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানি শেষে ১৯ মে বিকেলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এরপর ২০ ও ২১ মে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় ২১ ও ২২ মে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। 

২৩ মে মনোনয়নপত্র বাছাই ও তালিকা প্রকাশ করার কথা জানানো হয়েছে তফসিলে। এরপর ২৪ মে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আপিল গ্রহণ ও দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শুনানির সময় ধার্য করা হয়েছে।

২৫ মে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও দুপুর ২টার দিকে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। পোস্টাল বা ই-ব্যালটের জন্য আবেদনের শেষ সময় রাত ১২ পর্যন্ত।

বিসিবি বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি দিয়ে। 

আগের নির্বাচনে নানা অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। 

এরপর তামিমকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিকে বিসিবির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের মূল দায়িত্ব ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা। সেটিই বাস্তবায়ন হতে চলেছে।

বাবার এক ফোনেই বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ছেলে

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবার এক ফোনেই বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ ছেলে
সংগৃহীত ছবি

প্রত্যেক খেলোয়াড়েরই স্বপ্ন বিশ্বকাপে খেলা। তেমনি এক সুযোগ পেয়েছেন তিউনিসিয়ার লুই বেন ফারহাত। তবে উদীয়মান তারকার স্বপ্ন পূরণে বাদ সাধলেন তার বাবা। কোচকে ফোন দিয়ে তার বাবা জানিয়েছেন, ছেলেকে যেন স্কোয়াডে রাখা না হয়। অথচ, ছেলে বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়ায় খুশি হওয়ার কথা বাবার।

শেষ পর্যন্ত স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে বাবার সিদ্ধান্তই মেনে নিলেন ফারহাত। ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের হয়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তরুণ ফুটবলার। সরে যাওয়ার স্পষ্টত কারণ জানা না গেলেও তিউনিসিয়ার একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে জার্মান লিগে সম্ভাব্য দলবদল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই সরে গেছেন তিনি।

এই সিদ্ধান্তে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। সমর্থকদের একাংশ বিস্মিত, অন্য অংশ ক্ষুব্ধ। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এমন ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে তিউনিসিয়া শিবিরও।

সম্প্রতি তিউনিসিয়া জাতীয় দলের সর্বশেষ অনুশীলন ক্যাম্পে ছিলেন লুই বেন ফারহাত। কোচ সাবরি লামুশির পরিকল্পনায়ও ছিলেন তিনি। তবে শুক্রবার সকালে হঠাৎ করেই পরিস্থিতি বদলে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে সাবরি লামুশি জানান, সকালে ফুটবলারের বাবার কাছ থেকে ফোন পান তিনি। সেখানে জানানো হয়, এখনই জাতীয় দলে বিশ্বকাপ খেলার জন্য প্রস্তুত নন বেন ফারহাত এবং তিনি দলে যোগ দেবেন না।

ঘটনায় নিজের ক্ষোভও লুকাননি তিউনিসিয়া কোচ। লামুশি বলেন, ‘আজ সকালে লুই বেন ফারহাতের বাবার ফোন পাই। তিনি বলেন, এখনই তাকে জাতীয় দলে নেওয়ার সময় হয়নি এবং তারা রাজি নন। আমি বিস্মিত হয়েছি। পরে আমি লুইকে ফোন করি, সে ধরেনি। আবার তার বাবাকে ফোন করি, তিনিও ধরেননি। এটা অসম্মানজনক আচরণ। এই অধ্যায় এখানেই শেষ।’

তিউনিসিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, খেলোয়াড়ের পরিবার আশঙ্কা করছে বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্স হলে জার্মান বুন্দেসলিগায় সম্ভাব্য ট্রান্সফার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বর্তমানে কার্লসরুহের হয়ে খেলছেন বেন ফারহাত এবং জার্মানির বেশ কয়েকটি ক্লাব তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

তবে জাতীয় দলের ডাকে সাড়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সহজভাবে নিচ্ছেন না সমর্থকেরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এটিকে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, নিজের ক্যারিয়ারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অধিকার একজন খেলোয়াড়ের রয়েছে। 

বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানছেন লেভানডোভস্কি

ক্রীড়া ডেস্ক
বার্সেলোনার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানছেন লেভানডোভস্কি
সংগৃহীত ছবি

চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার সঙ্গে পোলিশ তারকা রবার্ট লেভানডভস্কির চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষে এই গ্রীষ্মে বার্সা ছাড়ছেন ৩৭ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার। শনিবার (১৬ মে) নিজ ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এমনটি জানান তিনি।

২০২২ সালে বায়ার্ন মিউনিখ থেকে বার্সেলোনা যোগ দিয়েছিলেন লেভানডোভস্কি। বার্সেলোনার হয়ে ১৯১ ম্যাচে ১১৯ গোল করেছেন। লেভানডোভস্কি বার্সাকে এই মৌসুমের শিরোপাসহ তিনটি লা লিগা শিরোপা এবং ২০২৫ সালের কোপা দেল রে জিততে সাহায্য করেছেন।

স্যোশাল প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে লেভানডোভস্কি বলেন, ‌‌‘চার বছরের কঠোর পরিশ্রম ও চ্যালেঞ্জ পর, এখন এগিয়ে যাওয়ার সময়। মিশন সম্পূর্ণ , এই অনুভূতি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। চার মৌসুমে তিন শিরোপা।

চরম দুর্দিনে এবং আর্থিক সংকটে থাকা অবস্থায় বার্সায় যোগ দেন এই ফরোয়ার্ড। লা লিগা শিরোপা পুররুদ্ধারসহ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপার লড়াইয়েও সাহায্য করেন।

বার্সা তার যোগ্য স্থানে ফিরে এসেছে বলে যোগ করেন লেভানডোভস্কি।

আগামীকাল বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু স্টেডিয়ামে শেষবারের মতো রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে মাঠে নামবেন লেভানডোভস্কি। কোচ হানসি ফ্লিক নিশ্চিত করেছেন যে তিনি প্রথম একাদশেই থাকবেন।

সিলেট টেস্ট

শেষ বিকেলে উইকেট পেল না বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
শেষ বিকেলে উইকেট পেল না বাংলাদেশ
দিন শেষে মাঠ ছাড়ছেন শান্ত-মমিনুলরা। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

নিজেদের ব্যাটিং ইনিংস শেষে বোলিংয়ের জন্য ৬ ওভার পেল বাংলাদেশ। তবে কোনো সাফল্যের দেখা পেল না স্বাগতিকেরা। পাকিস্তানের দুই ওপেনার শেষটা করল স্বস্তিতে।

প্রথম দিন শেষে বিনা উইকেটে ২১ রান করেছে পাকিস্তান। আগামীকাল ২৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করবেন দুই অপরাজিত ব্যাটার আজান ওয়াইস ও আবদুল্লাহ ফজল। আজানের ১৩ রানের বিপরীতে ৮ রান করেছেন ফজল।

এর আগে সিলেট টেস্টে বাংলাদেশকে অল্প রানে আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। তবে তা হতে দেননি লিটন দাস। দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছেন তিনি।

অথচ একটা সময় বাংলাদেশ দেড় শ রান করতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা জেগেছিল। কেননা ইনিংসের শুরু থেকেই ধাক্কা খাচ্ছিল বাংলাদেশ। শুরুটা হয়েছিল মাহমুদুল হাসান জয়ের ‘ডাক’ মারা দিয়ে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

লিটন যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন বাংলাদেশের দলীয় স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০৬ রান। ক্রিজে নামার পর মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের বিদায়ও দেখলেন দ্রুত। স্বীকৃত ব্যাটার বলতে তখন শুধু তিনিই।

তবে অন্যরা উইকেটের মিছিলে যোগ দিলেও নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়ে গেলেন লিটন। শুধু লড়লেন না প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়া দিয়ে শীতল পানিও নামালেন তিনি। কাজটা করতে অবশ্য তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন বোলাররা। কেননা দলের সর্বোচ্চ ৬৪ রানের জুটিটি হয়েছে ৯ম উইকেটে। লিটনের সঙ্গী ছিলেন শরীফুল। তার আগে আরেকটি পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটি হয়েছে ৭ম উইকেটে। তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৬০ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

পরে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকালেন লিটন। মাঠের চতুর্দিকে মোহাম্মদ আব্বাস-খুররাম শেহজাদদের বল আছড়ে ফেললেন তিনি। সেঞ্চুরিটাও করেছেন দেখার মতো। তিন অংক স্পর্শ করতে যখন ১ রানের প্রয়োজন তখন শেহজাদকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ১২৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৬ চার ও ২ ছক্কায়। 

লিটনের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন শেহজাদ। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩টি নিয়েছেন আব্বাস।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ৭৭ ওভারে ২৭৮ অলআউট (লিটন ১২৬, শান্ত ২৯, তানজিদ ২৬, মুশফিক ২৩; খুররম ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫, হাসান ২/৪৯, সাজিদ ১/৯৬)।
পাকিস্তান ১ম ইনিংস : ৬ ওভারে ২১/০ (আজান ১৩*, ফজল ৮*; মিরাজ ০/০, শরীফুল ০/৬)।
* প্রথম দিন শেষে পাকিস্তান ২৫৭ রানে পিছিয়ে।