এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মাঠে গড়াবে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। ইতোমধ্যে নিজেদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে কয়েকটি শক্তিশালী দল। তালিকায় আছে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের মতো পরাশক্তিরা। তবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এখনো ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল প্রকাশ করেনি, যদিও প্রাথমিক স্কোয়াড আগেই ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আলাদা পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে বাড়তি কয়েকজন ফুটবলারকে নিয়ে প্রস্তুতি ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। মূলত ইনজুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই অতিরিক্ত খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখতে চান তিনি।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের শেষ সপ্তাহে বুয়েনস এইরেসের এজেইজায় অনুশীলন শুরু করবে আলবিসেলেস্তেরা। এরপর বিশ্বকাপ ক্যাম্পের জন্য দল উড়াল দেবে যুক্তরাষ্ট্রে। ফিফার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ৩০ মে’র মধ্যে চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের তালিকা জমা দিতে হবে সব দলকে।
স্কালোনির এই সতর্কতার পেছনে রয়েছে আগের বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইনজুরিতে ছিটকে গিয়েছিলেন নিকোলাস গঞ্জালেস ও হোয়াকিন কোরেয়া। পরে জরুরি ভিত্তিতে কাতারের দোহায় নেওয়া হয়েছিল আনহেল কোরেয়া এবং থিয়াগো আলমাদাকে।
এবার তাই আগেভাগেই বিকল্প প্রস্তুত রাখতে চাইছেন স্কালোনি। বিশেষ করে আক্রমণভাগের উইঙ্গার পজিশনের জন্য অতিরিক্ত কিছু ফুটবলারকে নজরে রাখা হচ্ছে। সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও মাতিয়াস সুলে।
অ্যাস্টন ভিলার মিডফিল্ডার বুয়েন্দিয়াকে সবশেষ জাতীয় দলে দেখা গিয়েছিল ২০২৫ সালের নভেম্বরে অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচে। অন্যদিকে রোমার ফরোয়ার্ড সুলে কয়েকবার দলে ডাক পেলেও এখনো আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয়নি।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। ৬ জুন টেক্সাসে হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ৯ জুন আলাবামায় আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে লিওনেল মেসিরা।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে আছে আর্জেন্টিনা। একই গ্রুপে রয়েছে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ১৬ জুন, আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।




