• ই-পেপার

বাংলাদেশ ফুটবল লিগ

জয় দিয়েই মৌসুম শেষ করল বসুন্ধরা কিংস

ছিটকে গেল মিলান-জুভেন্টাস, প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগে কোমো

ক্রীড়া ডেস্ক
ছিটকে গেল মিলান-জুভেন্টাস, প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগে কোমো

ইতালির সেরি-আ লিগের শেষ দিনে ঘটল বড় অঘটন। এসি মিলানের হারের দিনে, ক্রেমনেজেকে ৪-১ হারিয়ে প্রথমবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল কোমো। দুই মৌসুম আগে সেরি-আ তে সুযোগ পাওয়া সেস ফ্যাব্রেগাসের শিষ্যরা লিখলেন রূপকথা। এতে আরেক ইতালিয়ান ঐতিহ্যবাহী দল জুভেন্টাসও ছিটকে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে। আগামী মৌসুমে ইউরোপের সবচেয়ে বড় ক্লাব প্রতিযোগিতায় নামতে চলেছে ফ্যাব্রেগাসের শিষ্যরা

মৌসুমের শেষ দিনে কঠিন এক সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এসি মিলান-জুভেন্টাস। তবে রোমা-কোমোর সমীকরণ ছিল সহজ। কোমোকে জিতলেই হবে। আর এসি মিলান বা রোমার মধ্যে অন্তত এক দলকে পয়েন্ট হারাতে হবে। কোমো নিজেদের ম্যাচটি আধিপত্য বিস্তার করে জয় তুলে নেয়। অন্যদিকে ক্যালিয়ারির কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় এসি মিলান। তাতেই পয়েন্ট টেবিলে আসে পরিবর্তন।

এদিকে দশজনের ভেরোনাকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে রোমা। ফলে সাতবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন এসি মিলান ছিটকে যায় চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন থেকে। আর চতুর্থ দল হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবারের মতো সুযোগ পায় কোমো।

ম্যাচের পর আবেগে আপ্লুত কোচ ফ্যাব্রেগাস বলেন, ‘কিভাবে এবং কাদের নিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেছি, সেই দিক থেকে এটা আমার সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটা। আমাদের প্রায় সব ফুটবলারের বয়স ২৩ বছরের নিচে। এত কম বয়সী দল নিয়ে এটা করে দেখানো অবিশ্বাস্য।’

রোমা এবং কোমোর জয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় জুভেন্টাস। দিনের শুরুতে তাদের আশা ছিল শীর্ষ চারে থাকবে তারা। কিন্তু রোমা এবং কোমো জিতে যাওয়ায় জুভেন্টাসের ম্যাচ চলাকালীনই বুঝে যান, আর চ্যাম্পিয়নস লিগে যাওয়া হচ্ছে না। ফলে টোরিনোর বিরুদ্ধে ২-২ ড্র করে শেষ পর্যন্ত ইউরোপা লিগেই তাঁদের সন্তুষ্ট থাকতে হলো।

বিসিবি নির্বাচন

নান্নুসহ ৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

ক্রীড়া প্রতিবেদক
নান্নুসহ ৮ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত
মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। ছবি: কালের কণ্ঠ

সব ঠিক থাকলে আগামী ৭ জুন হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। কিন্তু এরই মধ্যে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন হয়ে পড়েছে। ব্যালট বাক্সে ভোট পড়ার আগেই যে চূড়ান্ত হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি পদের ভাগ্য! 

আজ সোমবার (২৫ মে) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৮ জন পরিচালক, যে তালিকায় আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিসিবির নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ কে ছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ক্যাটাগরি-১ (বিভাগ ও জেলা) থেকে এখন মাত্র দুটি বিভাগে ভোট গ্রহণ হবে। 

আর মূল নির্বাচনী লড়াই ও উত্তেজনা জমে উঠতে পারে ক্যাটাগরি-২ বা ক্লাব ক্যাটেগরিতে, যেখানে ১২টি পরিচালক পদের বিপরীতে লড়বেন ১৬ জন হেভিওয়েট প্রার্থী। 

বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রধান ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও এই ক্লাব ক্যাটাগরি থেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিনে ক্যাটাগরি-১-এর চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে সরে দাঁড়ান ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর শরীফুল ইসলাম অপু। তিনি সরে দাঁড়ানোয় চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু এবং লক্ষ্মীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার মঈন উদ্দিন চৌধুরী।

এ ছাড়া এই ক্যাটাগরি থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত অন্য পরিচালকরা হলেন ঢাকা বিভাগ থেকে সাইদ বিন জামান ও এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ, সিলেট বিভাগ থেকে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, রাজশাহী বিভাগ থেকে মীর শাকরুল আলম সীমান্ত এবং রংপুর বিভাগ থেকে মির্জা ফয়সাল আমীন।

অন্যদিকে ক্যাটাগরি-৩ (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক অধিনায়ক ও সংস্থা) থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে একক মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর ও অভিজ্ঞ সংগঠক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর। 

২০০৫ সালে প্রথমবার বিসিবির পরিচালক হওয়া আলমগীর নাজমুল হাসান পাপনের প্রথম মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদেও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এখন শুধু খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা বিভাগের দুটি পরিচালক পদের জন্য লড়বেন তিনজন—শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম ও আব্দুছ সালাম। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের একমাত্র পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মিজানুর রহমান এবং মুনতাসির আলম চৌধুরী।

ক্যাটাগরি-২ তথা ঐতিহ্যবাহী ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ক্লাব কাউন্সিলরদের এই গ্রুপে ১২টি পদের বিপরীতে মাঠে আছেন ১৬ জন প্রার্থী। 
এই ক্যাটাগরির চূড়ান্ত প্রার্থীরা হলেন ফাহিম সিনহা, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানী, ফৈয়াজুর রহমান, ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, তামিম ইকবাল, আমজাদ হোসেন, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, অধ্যাপক ডা. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, শানিয়ান তানিম নাভিন, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, সৈয়দ বোরহানুল হোসেন, সাকিব আহমেদ সালাম এবং মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে শিক্ষার্থীর রসিকতা, হাসিতে ফেটে পড়লেন নীতা আম্বানিও

ক্রীড়া ডেস্ক
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়ে শিক্ষার্থীর রসিকতা, হাসিতে ফেটে পড়লেন নীতা আম্বানিও

আইপিএলের চলতি মৌসুমে ভালো পারফর্ম করতে পারেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকেই মৌসুম শেষ করতে হলো ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। তাতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কর্ণধার নীতা আম্বানিকে পড়তে হলো ট্রলের মুখে। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়েই এক শিক্ষার্থীর এই ট্রল করেন। সেই ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ধীরুভাই আম্বানি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এক শিক্ষার্থী নিজের জীবনের খারাপ সময়কে এ মৌসুমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মতো অবস্থার সঙ্গে তুলনা করেন। শিক্ষার্থীর এমন বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যে হাসির রোল পড়ে যায়।

এ সময় সেই শিক্ষার্থী বলেন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মতো জীবনেও কঠিন সময় আসবে, যা শুনে পুরো অডিটরিয়াম হেসে ওঠে। ক্যামেরায় ধরা পড়া নীতা আম্বানিও এই মন্তব্যে হেসে ফেলেন। পরে সেই ছাত্র, জীবনসংগ্রাম, ঐতিহ্য এবং আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করে। 

বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানগুলো সাধারণত আবেগঘন স্মৃতি, অনুপ্রেরণামূলক বার্তা এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নে পরিপূর্ণ থাকে। কিন্তু এবার মঞ্চে থাকা এক ছাত্র ক্রিকেটীয় এমন এক মোড় এনে দিল যে, পুরো অডিটরিয়াম হাসিতে ফেটে পড়ল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই রসিকতার লক্ষ্যবস্তু নীতা আম্বানিও নিজের হাসি ধরে রাখতে পারেননি।

৫০ বলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২৫ বলেই সেঞ্চুরি সূর্যবংশীর

ক্রীড়া ডেস্ক
৫০ বলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২৫ বলেই সেঞ্চুরি সূর্যবংশীর
বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: এক্স

বৈভব সূর্যবংশীকে বলা হয় ভারতীয় ক্রিকেটের বিস্ময় বালক। তবে ব্যাট হাতে যেভাবে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন, তাতে অচিরেই যে বিশ্ব ক্রিকেটের বিস্ময় হয়ে উঠবেন; সেটিরই যেন আভাস দিলেন। 

আইপিএলে আলো ছড়াতে থাকা সূর্যবংশী এবার ৫০ বলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২৫ বলেই করলেন সেঞ্চুরি! ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনের জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল শো দ্য সুইচে হাজির হয়ে এই কীর্তি গড়েছেন বাঁহাতি বিস্ফোরক ব্যাটার। 

পিটারসেন সূর্যবংশীকে ৫০ বলে ১০০ রান করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তবে মাঠের চারপাশে ছক্কার বৃষ্টি নামিয়ে মাত্র ২৫ বলেই সেঞ্চুরি পূরণ করেন ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর।

অবশ্য পিটারসেনের দ্য সুইচ শোতে এটিই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড নয়। এর আগে ভারতের ওয়ানডে দলের মিডল অর্ডার ব্যাটার ও আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার মাত্র ২২ বলে সেঞ্চুরি করেন। ২৮ বলে সেঞ্চুরি করে তালিকার তিনে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরান।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ডটি ক্রিস গেইলের। ২০১৩ আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ইউনিভার্স বসখ্যাত এই ক্যারিবীয় ব্যাটিং দানব।

পিটারসেন যখন গেইলের ১৭৫ রানের কথা মনে করিয়ে দেন, তখন আত্মবিশ্বাসী সূর্যবংশী উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, আমি গেইলের ওই রেকর্ডটি ভেঙে টি-টোয়েন্টিতে ২০০ রান করতে চাই। কোনো ম্যাচে যদি আমি পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করার সুযোগ পাই, তাহলে আমি নিশ্চিতভাবেই গেইলের রেকর্ড ভেঙে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান হব।’

এবারের আইপিএলে রান সংগ্রাহকদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে আছেন সূর্যবংশী। আর যে স্ট্রাইক রেটের কারণে তিনি বোলারদের জন্য আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছেন, সেটিতে তার ধারেকাছেও (২৩২.২৭) কেউ নেই।  

সূর্যবংশীর দুর্দান্ত ব্যাটিং রাজস্থান রয়্যালসকে আইপিএলের প্লে-অফে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছে। আগামী বুধবার এলিমিনেটর ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মুখোমুখি হবে সূর্যবংশীর রাজস্থান।