বাংলাদেশ ২-১ মালদ্বীপ (প্রথমার্ধ শেষে)
কেউ কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গোল!
গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ বিশেষ এক দৃশ্যের সাক্ষী হলো। কিক অফের পরই বল পান ঋতুপর্ণা চাকমা। বাঁ দিক থেকে ঋতুর বাড়ানো নিচু ক্রসে প্রথম প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের শটে আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী যখন মালদ্বীপের জাল কাঁপালেন, তখন ম্যাচের বয়স মাত্র ১১ সেকেন্ড!
আনিকার পর গোল পেয়েছেন উমেহ্লা মারমা। তাতে বাংলাদেশ অনেকটাই নির্ভার হয়ে পড়েছিল। কিন্তু বিরতিতে যাওয়ায় কয়েক মিনিট আগে মালদ্বীপ একটি গোল শোধ করেছে। তাই সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক শিরোপার অভিযানে নামার দিনে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে লাল-সবুজের দল।
সুইডেন প্রবাসী আনিকার বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয় গত মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি এশিয়ান কাপে। জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম তিন ম্যাচে গোল পাননি তিনি। চতুর্থ ম্যাচে এসে সেই অপেক্ষা ফুরাল স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলতে নেমে।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে ‘অলিম্পিক গোল’ পেয়ে যেতে পারতেন ঋতুপর্ণা। কিন্তু তার বাঁকানো কর্নার ফেরে দূরের পোস্টে লেগে। তবে মালদ্বীপের রক্ষণে চাপ ধরে রেখে সুযোগ তৈরি করতে থাকে বাংলাদেশ। দ্বাদশ মিনিটে ঋতুপর্ণার নিচু ক্রসে গোলমুখে থাকা শামসুন্নাহার জুনিয়র ঠিকঠাক সংযোগ করতে পারেননি। বল মালদ্বীপ গোলকিপারের গায়ে লেগে ফের শামসুন্নাহারের গায়ে লেগে যায় বাইরে।
২৮তম মিনিটে আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ায় ক্রসবার। ঋতুপর্ণার থ্রু পাস ধরে অধিনায়ক মারিয়া মান্দা আড়াআড়ি ক্রস বাড়ান বক্সে। দূরের পোস্টে থাকা শামসুন্নাহার জুনিয়রের শট ক্রসবারের ওপরের দিকে লেগে বেরিয়ে যায়।
ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ। শামসুন্নাহার জুনিয়রের ক্রস জোরালো নিচু শটে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন উমেহ্লা মারমা। একটু পর ডান দিক থেকে আফঈদা খাতুনের দূরপাল্লার শটে ফিস্ট করে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বের করে দেন মালদ্বীপ গোলকিপার।
বিরতির আগে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ ব্যবধানটা আরো বাড়িয়ে নেবে। কিন্তু হয়েছে উল্টোটা। খেলার ধারার বিপরীতে পাওয়া গোলে ব্যবধান কমায় মালদ্বীপ।
৪১ মিনিটে মরিয়ম নোরার দূরপাল্লার শট বাংলাদেশ গোলকিপার মিলি আক্তারের মাথার ওপর দিয়ে গিয়ে ক্রসবারে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।




