রানের হিসাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল ব্যাটার। দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ছুঁয়েছেন ১০০তম টেস্ট খেলার মাইলফলক। উইকেটকিপার হিসেবেও সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল তার।
সব মিলিয়ে মুশফিকুর রহিম নিজেকে দেশের ক্রিকেটের কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন। খেলার পাশাপাশি পড়াশোনাতেও মুশফিক যে কতটা ভালো, তা অনেকেরই জানা। দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে উচ্চ শিক্ষিত।
এবার শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিজেকে আরো উঁচুতে নিজে যাওয়ায় ইচ্ছা প্রকাশ করলেন মুশফিক। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা জানালেন, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে তিনি পিএইডি করতে চান। তার গবেষণার বিষয় হবে দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট ইতিহাস।
ক্রিকেট বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম বিডিক্রিকটাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুশফিক বলেছেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের ইতিহাস নিয়ে আমার পিএইচডি করার ইচ্ছা আছে। এখনো সেই কাজ শুরু করিনি। তবে আশা করি, একদিন এটা শেষ করতে পারব।’
শৈশবে বগুড়া জিলা স্কুলের মেধাবী ছাত্র ছিলেন মুশফিক। ক্রিকেটার হওয়ার নেশায় পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তি হন তিনি। সেখান থেকেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।
এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন মুশফিক। এই বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পর এমফিল কোর্স সম্পন্ন করেছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সূচির মধ্যেও মুশফিক নিয়মিত পড়াশোনা করেছেন। কোথাও সফরে গেলে বই ও নোটপত্র নিয়ে গেছেন এবং সুযোগ পেলেই টিম হোটেলে পড়াশোনা করেছেন। লেখাপড়া এগিয়ে নিতে তাকে সহযোগিতা করেছেন সহপাঠীরা।
পেশাদার ক্রিকেটার হয়েও পড়াশোনার প্রতি মুশফিকের যে ঝোঁক, তা ক্রীড়াঙ্গনে এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।




