• ই-পেপার

জিদানের ছেলেকে রেখে বিশ্বকাপ দল আলজেরিয়ার

ত্রিদেশীয় সিরিজ

টানা দুই হারের পর জিতল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
টানা দুই হারের পর জিতল বাংলাদেশ
ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে জ্যোতি। ছবি : বিসিবি

অবশেষে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজে আজ স্কটল্যান্ডকে ৩৪ রানে হারিয়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা।

এডিনবরা জয়ে একটা প্রতিশোধও নেওয়া হলো নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষেই ৮ উইকেটের হার দিয়ে সিরিজ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ফিরতি ম্যাচে আবার হার। এবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৮ রানের ব্যবধানে।

জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক জ্যোতি। তার ৫৮ রানের ইনিংসে ভর করে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে ১৫২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। ৬ চার ও ১ ছক্কার ইনিংস খেলা উইকেটরক্ষক ব্যাটারের বিপরীতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেছেন সোবহানা মোস্তারি। ইনিংসটি সাজান ৫ চার ও ১ ছক্কায়।

রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্কটল্যান্ড। দলীয় ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় তারা। পরে দুই বোন ক্যাথরিন ব্রেইস ও সারাহ ব্রেইস ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে তা হতে দেননি মারুফা আক্তার ও রিতু মণি। অধিনায়ক ক্যাথরিনকে ২১ রানে ফেরান মারুফা।

বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪০ রান করা সারাহকে আউট করেন ম্যাচে ৪ উইকেট নেওয়া রিতু। শেষ দিকে তার বোলিং তোপেই ১১৮ রানে থামে স্কটল্যান্ডের ইনিংস। তবে ২ ওভার শেষে ১২ রানে ৪ উইকেট নিলেও ম্যাচসেরা হয়েছেন অধিনায়ক জ্যোতি। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মারুফা ও সানজিদা আক্তার মেঘলা। বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ৪ জুন, প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।

ত্রিদেশীয় সিরিজ জিততে চাইলে শেষ ম্যাচে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। তবে তাতেও সাফল্য নাও পেতে পারেন জ্যোতিরা। কেননা স্কটল্যান্ড যদি আগামীকাল নেদারল্যান্ডসকে হারায় তাহলে তারাই চ্যাম্পিয়ন হবে। তাই বাংলাদেশের জিতলেই চলবে না প্রার্থনা করতে হবে স্কটল্যান্ড যেন অন্য ম্যাচেও হারে। এমন কিছু হলে তিন দলের পয়েন্ট তখন সমান হবে। নেট রানরেটে এগিয়ে থাকা দলই তখন টি-টোয়েন্টি সিরিজটির চ্যাম্পিয়ন হবে। 

বর্তমানে ৩ ম্যাচ শেষে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে স্কটল্যান্ডের। সমান ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট ২। বিপরীতে ২ ম্যাচ খেলে ২ পয়েন্টে সবার নিচে নেদারল্যান্ডস।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে কোচ ও কর্মকর্তা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে কোচ ও কর্মকর্তা
সৌজন্য ছবি

দেশের বাস্কেটবলের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত! আজ বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির চমৎকার উডেন (কাঠের) বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মেজর মোহাম্মদ আতিকুল হাফিজ (অব.) এবং বাংলাদেশ জাতীয় বাস্কেটবল দলের প্রধান কোচ ম্যাকক্যামন উইলিয়াম ফ্রেজার।

পরিদর্শনকালে তাদের স্বাগত জানান বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোহাম্মদ মহসিনুল করিম। কোর্ট পরিদর্শনের সময় কোর্টের আন্তর্জাতিক মান, বিশেষ করে এর চমৎকার উডেন ফ্লোরের ভূয়সী প্রশংসা করেন অতিথিরা। বিশ্বমানের ভেন্যুতে আগামীতে আন্তর্জাতিকসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তারা। 

সঙ্গে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দক্ষতা বাড়াতে এই আধুনিক কোর্টটিতে নিয়মিত প্র্যাকটিস সেশনের জন্য ব্যবহার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন জাতীয় দলের কোচ ও ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক।
​বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির এই আধুনিক অবকাঠামো দেশের বাস্কেটবলকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

বিসিবি নির্বাচনকে বৈধতা না দেওয়ার দাবি বুলবুলের বোর্ডের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিসিবি নির্বাচনকে বৈধতা না দেওয়ার দাবি বুলবুলের বোর্ডের
বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড গত এপ্রিলে ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ছবি: বিসিবি

তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটি বাতিল চেয়ে গত মাসে হাইকোর্টে রিট করেছিল ক্ষমতাচ্যুত আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। সেই বোর্ড এবার আইসিসির প্রতিনিধিদের কাছে আসন্ন বিসিবি নির্বাচনকে বৈধতা না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। 

আইসিসির দুই প্রতিনিধি দক্ষিণ আফ্রিকার ড. মোহাম্মদ মোসাজে ও জিম্বাবুয়ের তাভেংওয়া মুকুলানি গতকাল ঢাকায় এসেছেন। আজ সকালে তারা বৈঠক করেছেন বুলবুলের নেতৃত্বাধীন আগের বোর্ডের চার পরিচালক আসিফ আকবর, আহসান ইকবাল চৌধুরী, এম নাজমুল ইসলাম ও হাসানুজ্জামানের সঙ্গে। বৈঠকে ৭ জুন হতে চলা বিসিবি নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দিতে মোসাজে ও মুকুলানির কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৈঠকের পর আজ নিজেদের বিসিবির ‘নির্বাচিত নেতৃত্ব’ দাবি করে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুলবুলের ক্ষমতাচ্যুত বোর্ড জানায়, আইসিসির দুই প্রতিনিধির ঢাকায় আসা নিয়ে তামিম ইকবালের বোর্ড বিভ্রান্তিকর দাবি করেছে। গত ৩১ মে অ্যাডহক কমিটি জানিয়েছিল, নির্বাচন ব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে ঢাকায় আসছেন আইসিসির প্রতিনিধিরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে নয়; বরং বিসিবির বর্তমান পরিচালনা ব্যবস্থা দেখতেই ঢাকায় এসেছেন আইসিসির দুই প্রতিনিধি। 

আজকের বৈঠকে আইসিসির প্রতিনিধিরাই নাকি জানিয়েছেন, তারা মূলত তথ্য অনুসন্ধানকারী দল। বিসিবির নির্বাচন তদারকি বা পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব আইসিসি তাদের দেয়নি।

বৈঠকে আইসিসির প্রতিনিধিদের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন বুলবুলের বোর্ডের পরিচালকেরা। এর মধ্যে আছে বিসিবির পরবর্তী নির্বাচনকে বৈধতা না দেওয়া। এ ছাড়া ঢাকায় আসা প্রতিনিধিদল যেন বিবৃতি দিয়ে জানায় যে, তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে এখানে আসেনি, সে দাবিও জানানো হয়েছে।

বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে কোন জার্সি পরবে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে কোন জার্সি পরবে আর্জেন্টিনা
২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হোম ও অ্যাওয়ে জার্সি। ছবি: এক্স

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান কাতার বিশ্বকাপে ঘুচিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৩৬ বছর পর তৃতীয়বারের মতো সোনালি ট্রফিটা ছুঁয়েছে তারা। এবার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে রাজত্ব ধরে রাখার পালা। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে শিষ্যদের নিয়ে তাঁবু গেড়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

এখন অপেক্ষা লড়াইয়ে নামার। ‘জে’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে কোন জার্সিতে খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, সেটা ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে আলবিসেলেস্তাদের।

শুরুর অভিযানে লিওনেল মেসিদের গায়ে থাকবে তাদের ঐতিহ্যবাহী আকাশি-নীল ও সাদা রঙের জার্সি। শর্টস আর মোজার রং হবে নেভি ব্লু। অন্যদিকে তিন কাঠির নিচের প্রহরীর জার্সি, শটস ও মোজার রং হবে কমলা।

 

ফিরতি ম্যাচেও আউটফিল্ড খেলোয়াড়রা পরবেন আকাশি-নীল ও সাদা জার্সিই। তবে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২২ জুনের ম্যাচে বদলে যাবে গোলরক্ষকের জার্সি ও শর্টসের রং। গোলরক্ষক পরবেন হালকা সবুজ রঙের জার্সি।

আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ জর্ডান। ২৮ জুন সেদিন ডালাসে অ্যাওয়ে জার্সি পরে মাঠে নামবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। মেসি-হুলিয়ান আলভারেজদের কিটসে থাকবে কালো রঙের সঙ্গে নীল ও আকাশির ছোঁয়া। শর্টস ও মোজা হবে সম্পূর্ণ কালো। তবে নম্বর, নাম ও লোগো থাকবে সাদা রঙের। গোলরক্ষকের কিটসের রং থাকবে গাঢ় সবুজ।