ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের কড়া জবাব দেবে ইউরোপ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের কড়া জবাব দেবে ইউরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি শুল্ক বাড়ান, তাহলে দেশটির বিরুদ্ধে যাতে প্রয়োজনে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে একটি শক্ত পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইউরোপ। ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য আমদানির ওপর গতকাল বুধবার বড় আকারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার কথা ট্রাম্পের। এর এক দিন আগে গত মঙ্গলবার ইউরোপের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এই হুঁশিয়ারি দেন।

২ এপ্রিলকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লিবারেশন ডে হিসেবে প্রচার করে আসছেন ট্রাম্প।

এরই অংশ হিসেবে গতকাল নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার কথা তাঁর। এরই মধ্যে দেশটিতে স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ি আমদানির ওপর উচ্চহারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন গত মঙ্গলবার বলেছেন, ইউরোপ এই বিবাদ শুরু করেনি (শুল্ক আরোপ)। আমরা আবশ্যকীয়ভাবে প্রতিশোধ নিতে চাই না।

কিন্তু যদি প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশোধ নেওয়ার শক্ত পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেটি আমরা ব্যবহার করব।

তিনি আরো বলেন, ইউরোপ সমঝোতার জন্য মন খুলে বসে আছে। আমরা শক্ত অবস্থানে থেকেই এমন সমঝোতায় এগোব। বাণিজ্য থেকে প্রযুক্তি, আমাদের বাজারের আকারসহ অনেক কার্ডই ইউরোপের রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান বলেন, প্রয়োজনে কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। এটিই আমাদের শক্ত অবস্থানের ভিত্তি। পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার সব উপকরণ আমাদের আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি করা পণ্যের বড় ক্রেতা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো। মার্কিন পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি করা পণ্যের একক বৃহত্তম বাজার।

এদিকে ফরাসি সরকারের মুখপাত্র সোফি প্রিমাস বলেছেন, এপ্রিলের আগেই যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত নতুন শুল্কের প্রতিক্রিয়া জানাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া হবে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য ঘোষণার পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে কানাডা ও এশিয়ার কিছু দেশ। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আছে চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। সূত্র : সিএনএন, এএফপি

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

গুজরাটে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত পাইলট নিহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
গুজরাটে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত পাইলট নিহত

ভারতের গুজরাটে দেশটির বিমানবাহিনীর একটি জাগুয়ার যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে একজন পাইলট প্রশিক্ষণ বিমানটি থেকে সফলভাবে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হলেও গ্রামবাসী অন্যজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। স্থানীয় সময় গত বুধবার রাতে রাজ্যটির জামনগর বিমানঘাঁটির কাছে সুভারদা গ্রামের একটি খোলা মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ) এই কথা জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) এক পোস্টে আইএএফ লিখেছে, পাইলটরা কারিগরি ত্রুটির সম্মুখীন হয়ে বিমানঘাঁটি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষতি এড়িয়ে বিমানটি থেকে বেরিয়ে পড়েন। একজন পাইলটের মৃত্যুর খবর জানিয়ে আইএএফ লিখেছে, প্রাণহানির জন্য আইএএফ গভীরভাবে দুঃখিত এবং শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইএএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টুইন-সিটের জাগুয়ার যুদ্ধবিমানটি প্রশিক্ষণ চলাকালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

সূত্র : এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

মন্তব্য

লোকসভায় মণিপুর প্রস্তাব পাস

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
লোকসভায় মণিপুর প্রস্তাব পাস

জাতিগত সহিংসতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে গত ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং। এরপর জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। নিয়ম অনুযায়ী, কোথাও রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে দুই মাসের মধ্যে সংসদীয় অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

গত বুধবার রাতে লোকসভায় সেই প্রস্তাব পাস হয়েছে। এর আগে লোকসভায় বিরোধীরা মণিপুর নিয়ে আলোচনার দাবি তোলে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধী নেতারা। কংগ্রেসের এমপি শশী থারুর কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে বলেন, মণিপুরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সময় সেখানে প্রধানমন্ত্রী একবারও যাননি।
তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি সায়নী ঘোষ বলেন, সারা বিশ্ব যখন মণিপুর নিয়ে উত্তাল, যখন নারীদের উলঙ্গ করে হাঁটানো হচ্ছে, তখনো প্রধানমন্ত্রীর কোনো তাপ-উত্তাপ দেখা যায়নি। এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, দুই জাতির সংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুর। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য
সংক্ষিপ্ত

পশ্চিমবঙ্গে ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
পশ্চিমবঙ্গে ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিলে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখলেন সুপ্রিম কোর্ট। এক বছর আগে কলকাতা হাইকোর্ট এই ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করেছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে দেওয়া পরীক্ষার ভিত্তিতে যে ২৫ হাজার ৭৫২ জন  শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, তার মধ্যে ব্যাপক দুর্নীতি ও জালিয়াতি হয়েছে। এখন এমন অবস্থা, যেখানে যোগ্য ও অযোগ্যদের পুরোপুরি আলাদা করা সম্ভব নয়।

অযোগ্য মানে যাঁরা দুর্নীতি করে চাকরি পেয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছেন, যাঁরা অযোগ্য বলে প্রমাণিত, তাঁদের বেতন ফেরত দিতে হবে। অন্যদের বেতন ফেরত দিতে হবে না। সর্বোচ্চ আদালতের মতে, পুরো বিষয়টি যাচাইয়ের বাইরে চলে গেছে।
তাই সবার চাকরি বাতিল করা হয়েছে। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বেশ কয়েকজন চাকরি প্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। সূত্র : ডয়চে ভেলে, আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য

পেঙ্গুইনের দ্বীপেও ট্রাম্পের শুল্ক!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
পেঙ্গুইনের দ্বীপেও ট্রাম্পের শুল্ক!
অস্ট্রেলিয়ার হার্ড দ্বীপে পেঙ্গুইনের দল। অ্যান্টার্কটিকার কাছে বরফে ঢাকা, জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ছবি : দ্য গার্ডিয়ান

অ্যান্টার্কটিকার কাছে বরফে ঢাকা, জনশূন্য আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপপুঞ্জ। সেখানে শুধু পেঙ্গুইনদের বাস। তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কারোপ থেকে রক্ষা পায়নি এসব দ্বীপ। এসব দ্বীপের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী ভূখণ্ড হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল।

পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে নৌকায় সেখানে পৌঁছাতে দুই সপ্তাহ লাগে। ধারণা করা হয়, একদম জনশূন্য এই দ্বীপে প্রায় এক দশক আগে শেষবার মানুষের পা পড়েছিল। তবু যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রকাশিত নতুন শুল্কের তালিকায় দেশ হিসেবে জায়গা পেয়েছে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেছেন, পৃথিবীর কোনো জায়গা নিরাপদ নয়।

হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের বাইরের আরো কিছু অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের তালিকায় আলাদা করে স্থান পেয়েছে, যেগুলোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে। অস্ট্রেলিয়ার এসব দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সরাসরি স্বায়ত্তশাসিত নয়, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিশেষ প্রশাসনিক সম্পর্ক রয়েছে। শুল্ক তালিকায় থাকা অন্য দ্বীপের মধ্যে কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ ও নরফোক দ্বীপও রয়েছে।

সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ