স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত আছে। সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের রক্ত ঝরলেও সীমান্ত সুরক্ষিত থাকবে। আমাদের পাশে এখন জনগণ আছে।
রক্ত ঝরলেও সীমান্ত সুরক্ষিত থাকবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সীমান্ত শান্ত, বিজিবির সতর্ক টহল চলছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

গতকাল রবিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে বিসিএস ক্যাডার ও জুডিশিয়াল সার্ভিস কর্মকর্তাদের সার্ভে ও সেটলমেন্ট প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘বর্ডারে ঝামেলা হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে হামলা এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঘটনার সূত্রপাত জমির ধান ও গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে।
আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কিরনগঞ্জ সীমান্তের বৌবাজার এলাকায় ভারতীয়দের গম কাটা নিয়ে দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে গত শনিবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনার পর গতকাল বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত ছিল। সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ দায়িত্ব পালন করছে।
১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামাল উদ্দিন বলেন, গত শনিবার বিকেলে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের পর সীমান্ত পরিস্থিতি ভালো। তবে কিছু উত্সুক মানুষ দূর থেকে ভিড় করছে। গত শনিবারের ঘটনায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতীয়দের ছোড়া পাথর ও ইটের আঘাতে সামান্য আহত হলেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে সীমান্তের বিশ্বনাথপুর গ্রামের এক যুবককে। তাঁর ডান পায়ে ভারতীয়দের হাঁসুয়ার কোপ লেগেছে।
কিরনগঞ্জ সীমান্তের পাশের একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকা সীমান্ত এলাকার ইউপি সদস্য মো. বাদশাহ বলেন, ভারতীয়দের জমির গম বাংলাদেশি কয়েকজন মহিলা কেটে ফেলেছে—এই অভিযোগ তুলে বিএসএফ ও ভারতীয়রা বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে আমগাছ, বরইগাছ, ভুট্টা ও রসুনক্ষেত বিনষ্ট করে। তারা বাংলাদেশিদের গাছ কাটে এবং ১৫-২০টি গ্যাসবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এর পরই শুরু হয় দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষ। চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট ছোড়াছুড়ি। সামনাসামনি সংঘর্ষে বিশ্বনাথপুরের ওই যুবক আহত হন। এ ছাড়া কালীগঞ্জ বাবুপাড়া গ্রামের আরেক যুবক বাবলুর পায়ে ইট লাগলে তিনি আহত হন। এক বিজিবি সদস্যও হাতের আঙুলে আঘাত পেয়ে আহত হন। তবে রবিবার পরিস্থিতি ছিল যথেষ্ট শান্ত।
রবিবার সকাল ১০টার দিকে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। বিজিবি রুটিন কাজ করছে। সীমান্তে টহল চলছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে। দুপুরে তিনি জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। তিনি নিজেই সীমান্তে রয়েছেন। গত শনিবারের ঘটনায় বিজিবি সদস্যসহ সীমান্তবাসীদের তেমন আহত হওয়ার ঘটনা তিনি নাকচ করেন। বলেন, উভয় পক্ষ ঢিল ছোড়াছুড়ি করেছে। এ সময় কারো ইট লেগে থাকতে পারে।
এর আগে গত শনিবার রাত ৯টার দিকে আরেক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি অধিনায়ক বলেছিলেন, ভারতীয় নাগরিকরা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশি নাগরিকের আমগাছের ডাল কাটে। কিরনগঞ্জ বিওপির অধীন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৭৭/৩-এস-এর কাছে ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ শূন্যরেখায় ঘটনাটি ঘটে। ওই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে তিন-চার শ ভারতীয় ও তিন-চার হাজার বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্তের শূন্যরেখায় সমবেত হয়ে পরস্পরের প্রতি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে বিএসএফ ভারতীয় নাগরিকদের লক্ষ্য করে সাত-আটটি ককটেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় তিনি নিজেসহ ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক মেজর ইমরুল কায়েস ও ব্যাটালিয়ন সহকারী পরিচালক তাত্ক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বোঝানোর পর পরিস্থতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরপর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কিরনগঞ্জ ও চৌকা বিওপির মাঝামাঝি চৌকা বিওপির অধীন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৭৭/২-এস-এর কাছে ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্টের সঙ্গে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তিনিসহ বিজিবির কর্মকর্তা এবং অন্য পক্ষে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট সুরাজ সিং ও তিনজন ষ্টাফ অফিসার অংশ নেন। বৈঠকে বিএসএফ কমাড্যান্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া তিনি তাত্ক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে ভারতীয়দের সীমান্ত থেকে সরিয়ে নেন। বিএসএফকেও শূন্যরেখা থেকে দেড় শ গজ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান। এর পরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে।
উল্লেখ্য, এ ঘটনার মাত্র ১০ দিন আগে গত ৫ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা চার দিন চৌকা সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করে। বিএসএফ স্থানীয় ভারতীয়দের সহায়তায় আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করে অবৈধ স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাংলাদেশিদের তীব্র বাধার মুখে বিএসএফ কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়।
সম্পর্কিত খবর

ড. ইউনূসের মন্তব্যে জয়শঙ্করের দাবি
বঙ্গোপসাগরে রয়েছে ভারতের দীর্ঘতম উপকূলরেখা
কালের কণ্ঠ ডেস্ক

চীন সফরে গিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে করা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ইউনূসের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলটি বিমসটেকের জন্য একটি সংযোগ কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে; যেখানে সড়ক, রেলপথ, জলপথ, গ্রিড এবং পাইপলাইনের অসংখ্য নেটওয়ার্ক রয়েছে।’
বিমসটেক ঘিরে জয়শঙ্করের সেই বার্তাকে ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতিতে বেশ তাৎপর্যবাহী বলে মনে করছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো।
এখন ব্যাঙ্ককে চলছে বিমসটেকের শীর্ষ সম্মেলন।
কিছুটা পরে হলেও জয়শঙ্কর বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে আমাদের দীর্ঘতম উপকূলরেখা রয়েছে, প্রায় ছয় হাজার ৫০০ কিলোমিটার। ভারত শুধু পাঁচটি বিমসটেক সদস্যের সঙ্গেই সীমান্ত ভাগ করে না, তাদের বেশির ভাগকেই সংযুক্ত করে। বরং ভারতীয় উপমহাদেশ এবং আসিয়ানের মধ্যে সংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশও প্রদান করে।

টিউলিপের আইনজীবীরা দুর্নীতিসংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত
কালের কণ্ঠ ডেস্ক

সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যেকোনো আনুষ্ঠানিক প্রশ্নের উত্তর দিতে তাঁর আইনজীবীরা প্রস্তুত। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে টিউলিপ নিজে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরেই একাধিক অভিযোগ আনা হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়নি।
গত জানুয়ারিতে টিউলিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক দুর্নীতিতে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তের স্বার্থে অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর জনসমক্ষে এটি ছিল তাঁর প্রথম বক্তব্য।
স্কাই নিউজকে গত মাসে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর একটি চিঠি লিখেছিলেন টিউলিপের আইনজীবীরা। সাবেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেন তাঁরা।
কয়েক সপ্তাহ আগে লেখা ওই চিঠিতে আরো বলা হয়, টিউলিপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসংক্রান্ত সব জিজ্ঞাসা যেন ২৫ মার্চের মধ্যে প্রেরণ করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাবেক মন্ত্রী লিখেছেন, সময়সীমা অতিক্রম হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। স্কাই নিউজ বাংলাদেশ সরকারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র : স্কাই নিউজ

চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার বানচালে অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার বানচাল করতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এতে পতিত সরকারের লোকজন মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করছে। যার সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে প্রসিকিউশন। এসব ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিচার বানচাল করতে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের তথ্য আমরা পেয়েছি। জড়িতদের অনেককে শনাক্ত করা হয়েছে। এখনই বিস্তারিত প্রকাশ করছি না।

মুরগির দাম কিছুটা কম টমেটো ও পেঁপে বাড়তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদের ছুটি এখনো চলছে। আপনজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ঢাকার বাইরে যাওয়া মানুষের ফেরার স্রোত এখনো শুরু হয়নি। এ জন্য রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চিরচেনা সেই হাঁকডাক নেই। এমন পরিস্থিতিতে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর রামপুরা, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের চতুর্থ দিন পরও রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতার তেমন আনাগোনা নেই।
বিক্রেতারা বলছেন, রাজধানীর বাজারগুলোতে চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে মুরগি ও কিছু সবজির দাম কমেছে। আবার সরবরাহ সংকটের কারণে কিছু সবজির দাম বেড়েছে।
বাজারে সব মুদি ও সবজির দোকান এখনো খোলেনি।
রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের বাজারে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় উঠেছিল। সোনালি মুরগি মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা কেজি, যা ঈদের আগে ৩১০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। গরু ও খাসির মাংস আগের সেই চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে।
জোয়ারসাহারা বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. হেলাল উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাজারে ক্রেতা কম থাকায় মুরগির চাহিদা কমে গেছে। তাই দামও কিছুটা কমেছে। চাহিদা কম থাকায় অনেক মুরগির দোকান এখনো খোলেনি।’
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ সংকটে টমেটো ও পেঁপের দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে চাহিদা কম থাকায় বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। ঈদের আগে বাজারে প্রতি কেজি ঢেঁড়স ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এখন তা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। পটোল প্রতি কেজি ছিল ১০০ টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যদিও ঈদের কয়েক দিন আগে বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। বেগুন প্রতি কেজি মানভেদে ৬০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রমজান মাসে ছিল ৮০ থেকে ১২০ টাকা। দেশি শসা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঈদের আগে ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
টমেটোর দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লম্বা লাউ আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আলু প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা।
বাড্ডার সবজি বিক্রেতা মো. সুমন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখন চাহিদা কম থাকার কারণে কিছু সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে। আবার আগামী সপ্তাহ থেকে সবজির চাহিদা বেড়ে গেলে দামও বেড়ে যাবে। কারণ এখন সবজির সরবরাহ তুলনামূলক কম। ঈদের আগে ঢেঁড়স, পটোল ও করলা প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। সেগুলোর দাম এখন ৮০ টাকার মধ্যে নেমে এসেছে। তবে মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে টমেটোর দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। সরবরাহ কম থাকায় পেঁপের দামও বাড়তি।’