• ই-পেপার

আম বাজারে ওজন নিয়ে প্রতারণা কেন

রাস্তার করুণ দশা

রাস্তার করুণ দশা

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার বাট্রা বাজার থেকে স্বল্প হয়ে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত সড়কটির বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ, ভাঙন ও জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি কাদাময় হয়ে পড়ে। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই সড়কটি বাট্রা, স্বল্প ও রামচন্দ্রপুর গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই রাস্তা ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার করুণ দশার কারণে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছতে পারে না। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষও প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও হয়ে উঠেছে কষ্টসাধ্য। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি, জনস্বার্থে বাট্রা-স্বল্প-রামচন্দ্রপুর সড়কের সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হোক। একটি নিরাপদ ও টেকসই সড়ক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, কৃষকদের উৎপাদন, ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করবে।

মো. রেজাউল করিম রনি

তারাকান্দা, ময়মনসিংহ

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

ভাওয়াল কলেজে বাস চাই

গাজীপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করলেও শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য নিজস্ব কোনো কলেজ বাস নেই। প্রতিদিন অতিরিক্ত ভাড়া, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, যানজট, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নিরাপত্তাজনিত নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে ছাত্রীদের জন্য এই দুর্ভোগ আরো বেশি। অনেক শিক্ষার্থী দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা-যাওয়া করে। তাদের জন্য সময়মতো কলেজে পৌঁছানো এবং ক্লাস শেষে নিরাপদে বাড়ি ফেরা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

সরকারি কলেজ হওয়া সত্ত্বেও এখানে নিজস্ব কোনো পরিবহন সুবিধা না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সত্যিই হতাশাজনক। কলেজ বাস চালু হলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে, নিয়মিত উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে এবং নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত হবে।

তাই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে দ্রুত কলেজ বাস চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কল্যাণে এটি সময়ের দাবি।

মো. রাসেল আহম্মেদ

অর্থনীতি বিভাগ

ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুর

ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ জরুরি

ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ জরুরি

চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়গুলোতে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুট ওভারব্রিজ নেই। এর ফলে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালতগামী ও সাধারণ পথচারীদের রাস্তা পারাপার অনিরাপদ হয়ে উঠছে। কিছু সড়কের মোড়ে পথচারীদের রাস্তা পারাপারের সর্বনিম্ন সুরক্ষাব্যবস্থাটিও নেই। নিরাপদ রাস্তা পারাপারে জেব্রা ক্রসিং ও ফুট ওভারব্রিজ না থাকায় পথচারীরা ট্রাফিক আইন উপেক্ষা করে রাস্তা পারাপার হয়। ফলে নগরীর ব্যস্ততম সড়কের মোড়গুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। নগরীর ২ নম্বর গেট, জিইসি, দেওয়ানহাট, লালখান বাজার ও টাইগারপাস এলাকায় পথচারীরা আতঙ্কে রাস্তা পারাপার হয়। বিষয়টি আরো উদ্বেগজনক অবস্থা তৈরি করে, যখন আড়াআড়াড়িভাবে রাস্তা পারাপারে প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটে। সড়কের মোড়গুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের চতুর্মুখী চলাচলের ফলে সৃষ্ট তীব্র যানজট কর্মজীবী মানুষের সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে ভোগান্তি সৃষ্টি করছে।

নগরীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কের উল্লিখিত মোড়গুলোতে দ্রুত ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণ অতীব জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করছি।

মো. দ্বীন ইসলাম

শিক্ষার্থী, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, চবি

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত তাঁতশিল্প

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত তাঁতশিল্প

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রাম তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরে তাঁতশিল্পের জন্য সুপরিচিত। আধুনিক তাঁতশিল্পের বেশির ভাগ কার্যক্রম বিদ্যুিনর্ভর হওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বল্লাসহ আশপাশের তাঁতশিল্প অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ঘন ঘন লোডশেডিং থাকায় তাঁতশিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে তাঁত মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থা চলমান থাকলে ঐতিহ্যবাহী এই তাঁতশিল্প আরো বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে এবং একসময় সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিদ্যুতের এই সংকট শুধু তাঁতশিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও।

একবিংশ শতাব্দীতে এসে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার এই সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার এমন নাজুক দশা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, বল্লাসহ আশপাশের তাঁতশিল্পনির্ভর গ্রামগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

সোনিয়া ক্যাথি

গভ. কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্স