‘গরিব গো আবার কিয়ের ঈদ’

এম সোহেল, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
এম সোহেল, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)
শেয়ার
‘গরিব গো আবার কিয়ের ঈদ’

নদীর কিনারে সারি সারি নৌকা, এরই একটির গলুইতে বসে আছেন ঝুমুর বেগম। ছোট্ট শিশু মুন্নি নায়ের নৌকার বৈঠায় হাত রেখে আনমনা তাকিয়ে রয়েছে। চোখের সামনে শান্ত নদী। কিন্তু বুকের ভেতর তোলপাড় করে কষ্ট।

ঝলমলে আকাশে খাঁ খাঁ রৌদ্দুর। সব জায়গায় ঈদের আমেজ। কিন্তু তাদের ভাসমান এই জীবনে সেই আমেজের ছিটেফোঁটাও নেই।

‘গাঙে মাছ নাই, হাতে টাহা (টাকা) নাই।

গরিব গো আবার কিয়ের (কিসের) ঈদ’—এমন কথাই আক্ষেপের সুরে বেরিয়ে এলো ঝুমুর বেগমের মুখ থেকে। তাঁর স্বামী শহীদ হাওলাদার চুপচাপ নৌকার ছইয়ে শুয়ে আছেন। নদীতে মাছ ধরে সংসার চলত, এখন নদী যেন অভিমান করে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নদীতে তেমন মাছ নেই, যাও পাওয়া যায়, তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চলাই দায়।

আরো পড়ুন
রামুতে গরু চোরাচালান নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১

রামুতে গরু চোরাচালান নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ১

 

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নঘেঁষা বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতীরে মান্তা পল্লীতে বাস করেন ঝুমুর-শহীদ দম্পতি। ঝুমুর বেগমের পাশের নৌকাটি সোহেল ভূঁইয়ার। তাঁর নৌকায় তাকাতেই আরেক দৃশ্য। ছোট্ট মেয়ে জমেলা নৌকার সামনেই বসা। তীরের শিশুদের দিকে তাকিয়ে আছে।

আরেক বোন মিমিলা নৌকার পেছনের দিকে বসা। নৌকার কাছে যেতেই সোহেল বললেন, ‘নদীতে মাছ নাই। অনেক কষ্টে ধারদেনা করে বাচ্চার পোশাক কিনছি। নিজেরা অহনও (এখনো) লই নাই। বাজারে গেছিলাম দুইজনার কাপড় কিনতে, দাম কইল দুই হাজার টাকার বেশি। এত টাকা কই পাব?’ হতাশ কণ্ঠে বলেন তিনি।

এই হতাশার গল্প শুধু এই দুই পরিবারেরই নয়। ঈদ সামনে রেখে মান্তা পল্লীর বেশির ভাগ পরিবারের উত্সবের গল্পে এমন করুণ সুর বাজছে। মান্তা সম্প্রদায়ের লোকজনের ভাষ্যমতে—গাঙে (নদীতে) তেমন মাছ নেই, ঈদের আনন্দ নেই। ঈদ মানেই তাদের কাছে শুধুই বিলাসিতা। নদীই মান্তা সম্প্রদায়ের জীবন। কিন্তু এবার ঈদের আগে সেই নদীর বুকে নৌকাগুলোতে কেবল হতাশা আর দারিদ্র্যের ছাপ।

আরো পড়ুন
ভারতে পটকা বানানোর সময় বিস্ফোরণ, চার শিশুসহ নিহত ৭

ভারতে পটকা বানানোর সময় বিস্ফোরণ, চার শিশুসহ নিহত ৭

 

ঝুমুর বেগমের মতো মায়েরা সন্তানদের নতুন জামা দিতে পারেননি, পুরনো কাপড় ধুয়ে ঈদের দিন কাটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সোহেল মাঝির মতো বাবারা ঈদের বাজারে গিয়ে সন্তানের জন্য কিছু কিনলেও নিজেদের জন্য কিনতে পারেননি। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে ফিরে এসেছেন শূন্য হাতে। শহীদ হাওলাদারের মতো জেলেরা কাজ হারিয়ে নৌকার ছইয়ে শুয়ে থাকেন। দিন পার করেন দুশ্চিন্তায়। গ্রামে ঈদের বাজার জমজমাট। কিন্তু মান্তা পল্লীতে নেই কোনো খুশির ঝলকানি।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান বলেন, ‘সরকার ও প্রশাসন তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। মান্তা পল্লীর জেলেদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করব।’

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ক্রিকেটে কোকোর বিরাট অবদান রয়েছে : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
শেয়ার
ক্রিকেটে কোকোর বিরাট অবদান রয়েছে : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ক্রিকেটে বিরাট অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়ামোদী মানুষ।’ গতকাল (৩ মার্চ) বৃহস্পতিবার উপজেলার ওয়ার্শী ইউনিয়নের মসদই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মতো অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতন করতে চাই না।

আমরা মানুষকে বিগত দিনের মতো ভালোবাসতে চাই।  ভাল কাজ করে মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকতে চাই। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে এমন কোন কর্মকান্ড ও রাজনীতি চাই না।

টুর্ণামেন্ট আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোবারক উল্লাহ খান ও সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম, ওয়ার্শী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান লিমটন, সাধারণ সম্পাদক লিপ্টন মল্লিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওয়াজেদ মৃধা, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি লাভলু সিদ্দিকী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম স্বপন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর নামে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের আয়োজন করায় মসদই গ্রামবাসী ও আয়োজক কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে মসদই ভোট কেন্দ্রে যে ভোট হয়েছে ওই মার্কা নির্বাচন আর দেখতে চাই না। আমরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হতে চাই। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে্য বলেন, অন্যায় কাজ করবেন না। জনগণের পাশে থাকবেন। কোনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হবেন না। মানুষের ক্ষতি হবে এমন কোনো কাজ করবেন না। আমরা যদি খবর পাই বিএনপির কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজি করেছেন, মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন, জবর দখল করেছেন তার বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দিনব্যাপী আয়োজিত খেলায় ধামরাই এক্সপ্রেস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৯৮ রান সংগ্রহ করে। পরে  টাঙ্গাইল জয়েন্ট ক্রিকেট ৫ উইকেট হাতে রেখেই ১৯৯ রান করে জয়লাভ করে। 

মন্তব্য

ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র-বোমাসহ আটক ৫

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলা প্রতিনিধি
শেয়ার
ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র-বোমাসহ আটক ৫
ছবি: কালের কণ্ঠ

ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২১টি হাত বোমা ও ৫৬৯টি ইয়াবাসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্টাফ অফিসার (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রিফাত আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটককৃতরা হলেন- মো. জাহাঙ্গীর (৬৫), মো. মঞ্জু (৩৫), মো. জিয়া (৩০), আব্দুল আব্বাস (৩০) ও মো. সেলিম (২৬)। আটক জাহাঙ্গীর ভেদুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মঞ্জু ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাকীরাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

তাদের সবার বাড়ি ভোলা সদর উপজেলাধীন ভেদুরিয়া ইউনিয়নে।

আরো পড়ুন
টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ নগদ টাকা জব্দ

টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ নগদ টাকা জব্দ

 

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রিফাত আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘ দিন ধরে একদল দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ভেদুরিয়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগণকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলো। স্থানীয়রা কোস্ট গার্ডের শরণাপন্ন হলে কোস্ট গার্ড উক্ত এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শুক্রবার রাত ২টার দিকে কোস্ট গার্ড ভোলা বেইস কর্তৃক ভেদুরিয়া ইউনিয়নে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘অভিযানে ওই এলাকা থেকে ৫ জন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীকে ১টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ২১টি হাত বোমা, ৫৬৯ পিস ইয়াবা ও নগদ ৪৪ হাজার ৫১০ টাকাসহ আটক করা হয়। আটককৃতদের নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পরে সব আলামতসহ আটককৃত সন্ত্রাসীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা টহল জারি রেখেছে।

যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে।কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।’

মন্তব্য

টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ নগদ টাকা জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
শেয়ার
টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ নগদ টাকা জব্দ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারে টেকনাফের শীর্ষস্থানীয় ডাকাত সর্দার হারুন ডাকাতের ঘরে অভিযান চালিয়ে নগদ ৩০ লক্ষাধিক টাকাসহ অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী গ্রামের হারুন ডাকাতের ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করেন কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।

আরো পড়ুন
‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার বিএন মো. সিয়াম উল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঈদ উপলক্ষে হারুন ডাকাত তার গ্রামের ঘরে অবস্থান করার খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা গতকাল ভোরে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে হারুনের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ছয় রাউন্ড তাজা গোলা, পাঁচটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ ৩০ লাখ ৩৮ হাজার টাকা, ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, একাধিক চেকবই ও ১০টি মোবাইল সিমকার্ড ও মায়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের ১৯টি পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় হারুনকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, হারুন ডাকাত টেকনাফ সীমান্তের আতঙ্ক। তার দলে আরো সদস্য রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ, ছিনতাই এবং ইয়াবার চালান পাচারে জড়িত হারুন ডাকাতের বাহিনী।

ঈদের সময় নিজ ঘরে অবস্থান করার খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা অভিযান চালালেও ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে হারুন ডাকাত কৌশলে পালিয়েছেন।

মন্তব্য

গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২০

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
শেয়ার
গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ২০
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৯ টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোনাকুড়ে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ও একই সড়কের সোনাশুরে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পড়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি বাস ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোনাকুড়ে পৌছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে বাসের ১৫ যাত্রী আহত হয়।

এদিকে, একই সড়কের সুনাশুর নামক স্থানে সকাল ১০টার দিকে প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে একটি ইজিবাইককে ধাক্কা দিলে দুটি গাড়িই রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গিয়ে ৫ জন আহত হয়। উভয় ঘটনায় আহত ১০ জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মো. মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ