বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো ক্রিকেটে বিরাট অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়ামোদী মানুষ।’ গতকাল (৩ মার্চ) বৃহস্পতিবার উপজেলার ওয়ার্শী ইউনিয়নের মসদই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মতো অন্যায় অত্যাচার ও নির্যাতন করতে চাই না।
আমরা মানুষকে বিগত দিনের মতো ভালোবাসতে চাই। ভাল কাজ করে মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকতে চাই। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে এমন কোন কর্মকান্ড ও রাজনীতি চাই না।
টুর্ণামেন্ট আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোবারক উল্লাহ খান ও সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের সিকদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম, ওয়ার্শী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান লিমটন, সাধারণ সম্পাদক লিপ্টন মল্লিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওয়াজেদ মৃধা, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি লাভলু সিদ্দিকী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম স্বপন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর নামে ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের আয়োজন করায় মসদই গ্রামবাসী ও আয়োজক কমিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে মসদই ভোট কেন্দ্রে যে ভোট হয়েছে ওই মার্কা নির্বাচন আর দেখতে চাই না। আমরা জনগণের ভোটে বিজয়ী হতে চাই। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে্য বলেন, অন্যায় কাজ করবেন না। জনগণের পাশে থাকবেন। কোনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হবেন না। মানুষের ক্ষতি হবে এমন কোনো কাজ করবেন না। আমরা যদি খবর পাই বিএনপির কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজি করেছেন, মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন, জবর দখল করেছেন তার বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দিনব্যাপী আয়োজিত খেলায় ধামরাই এক্সপ্রেস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৯৮ রান সংগ্রহ করে। পরে টাঙ্গাইল জয়েন্ট ক্রিকেট ৫ উইকেট হাতে রেখেই ১৯৯ রান করে জয়লাভ করে।