অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ। তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিখ্যাত বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। একই সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ। তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের বিখ্যাত বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। একই সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়।
রিয়াজ সুমন : আপনি ঈদ কিভাবে উদযাপন করেন?
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : সারা বছরই তো ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয়, ঈদের সময় বেশ কয়েকদিন একসাথে ছুটি পাওয়া যায়। তখন আত্মীয়স্বজন যারা আছেন তাদের সাথে দেখা সাক্ষাতের সুযোগ হয়, তাদের সাথে কিছুটা সময় কাটানো যায়। বিশেষত পরিবারের সাথে তো অবশ্যই কিছুটা সময় ব্যয় করতে পারি। আমার তিন বোন আছেন ঢাকা শহরে, আমার আব্বা আছেন, তাঁর বয়স ৯৬ বছর; ঢাকায় যাঁরা থাকেন আমার আব্বা আমার বোনরা তাদের সাথে কিছুটা সময় আমি দিতে পারি।
রিয়াজ সুমন : এখনকার ঈদ এবং আপনার ছোটবেলার ঈদের মধ্যে পার্থক্য কী?
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : আমার জীবনের প্রথম কয়েকটি বছর কেটেছে নানার বাড়িতে। সেটা ফেনীতে। মাঝে মাঝে দাদার বাড়ি যেতাম যেটা ছাগলনাইয়ে।
রিয়াজ সুমন : আপনাকে আমরা সব সময় দেশের অর্থনীতি, গবেষণা এবং সার্বিক অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে শুনি। আমরা আজ আপনার আপনার স্কুল জীবন ও বাল্যকাল সম্পর্কে জানতে চাই।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : ছোটবেলায় আমি আমার নানার বাড়িতে থেকে সোনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি ক্লাস ফোর পর্যন্ত।
রিয়াজ সুমন : আপনার কর্মজীবন কোথা থেকে শুরু হলো?
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : দেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করলাম শিক্ষকতার জন্য। মাঝখানে আমি বিআইবিএমে কয়েক মাস কাজ করেছি। তারপরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিস ফ্যাকাল্টিতে একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টে অর্থনীতি পড়ানোর নির্বাচিত হলাম। এসিস্টেন্ট প্রফেসর হিসেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার জীবন শুরু করে। তারপর তো ২৫ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। একই সাথে ১৯৯৩ সালে যখন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ করলেন প্রফেসর রেহমান সোবহান তখন তার সাথে সমান্তরালভাবে সেখানে কাজ করেছি।
রিয়াজ সুমন : এই শিক্ষকতার মতো একটি মহান পেশা ছেড়ে আপনি গবেষণায় চলে আসেন এবং এই সংস্থায় কাজ করার পেছনের গল্পটা যদি একটু বলতেন, কেন এলেন আপনি?
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : শিক্ষকতাটা আমার খুবই ভাল লাগতো এবং আমার সবসময় মনে হত যে আমার বোধহয় ন্যাচারাল প্রবণতাই হল শিক্ষকতার দিকে। ২৫ বছর পড়ালাম কিন্তু তারপরে আমাকে খুব কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হল। ১৯৯৩ সালে যখন অধ্যাপক রেহমান সোবহান স্যার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ করলেন তখন আমি আমার সময়ের বড় অংশ শিক্ষকতার বাইরে তার সাথে থাকতাম, গবেষণা করতাম। সিপিডি গড়ে তোলার ব্যাপারে ডক্টর দেবপ্রিয় ও আমি স্যারের সাথে সবসময় ছিলাম। পরবর্তীতে যখন ডক্টর দেবপ্রিয় দেশের বাইরে চলে গেলেন, তিনি ছিলেন স্যারের পরে প্রথম নির্বাহী। তখন আমার একটা দায়িত্ব চলে আসলো বলা যায়। আমি চার বছরের জন্য এক্সট্রা অর্ডিনারি লিভ উইদাউট পে নিলাম। কিন্তু তারপর প্রশ্ন আসলো যে, এখন কি করা হয়, ছুটির পরে ইউনিভার্সিটিতে ফিরে যাওয়া অথবা সিপিডিতে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে এটা কন্টিনিউ করা। তো তখন সিপিডি গড়ে উঠছে, খুবই একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়; তখন আমি এই সিদ্ধান্তটা নিলাম।
রিয়াজ সুমন : আপনার দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে জানতে চাই।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : ১৯৮৯ সালে আমাদের বিয়ে হয়। আমার একজন পরিচিত বড় ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তার মাধ্যমে আসলে আমাদের এই বিয়েটা অনেকটা বলা যায় ঘটকালির মাধ্যমেই হয়। খুব পূর্ব পরিচিত যে ছিল সেটা না। আমার স্ত্রী তখন একটা ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে শিক্ষকতা করলেন। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। আমাদের দুউজন সন্তান। আমার ছেলে এখানে পড়াশোনা করে তারপরে আন্ডারগ্রেড এবং মাস্টার্স বাইরে করেছে। দেশে ফেরত এসে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করছে। আইএফসিতে ছিল, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে ছিল, তারপর ইউএনডিপিতে তারপর আবার ব্যাংকে। সম্প্রতিকালে আমার মেয়েও আন্ডারগ্রেড এবং মাস্টার্স বাইরে করেছে৷ এখনও কানাডাতে পিএইচডি করছে মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কারদের উপরে। আমার স্ত্রী এক পর্যায়ে বাচ্চাদের পড়াশোনার দেখভাল ইত্যাদি করার জন্য স্কুলের চাকরি ছেড়ে দেন।
রিয়াজ সুমন : শিক্ষকতা তারপরে সিপিডির পাশাপাশি আপনি আন্তর্জাতিক অনেক সংস্থার সাথে কাজ করেছেন, সেই অভিজ্ঞতা যদি বলতেন।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : আমি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছি, কুইন এলিজাবেথ হাউসে ছিলাম, তারপরে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র ফুলব্রাইট ফেলো হিসেবে ছিলাম। যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট ডক ফেলো হিসেবে ছিলাম। তারপর সিঙ্গাপুরে, দিল্লিতে ও ইসলামাবাদসহ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফেলো হিসেবে কাজ করেছি।
রিয়াজ সুমন : স্যার, আমরা একটু অর্থনীতি নিয়ে জানতে চাই, আমাদের অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : দেখুন মূল্যস্ফীতির একটা চাপ গত কয়েক বছরে শুধুমাত্র প্রান্তিক মানুষ না, এখানে নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত যারা আছেন, তারাও এই চাপের মধ্যে আছেন। আমাদের কর্মসংস্থান-বিনিয়োগ এগুলোও একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। আবার অন্যদিক থেকে অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে। বৈদেশিক খাতটা একটা ইতিবাচক অবস্থার মধ্যে আছে, আমাদের এক্সচেঞ্জটা স্ট্যাবল আছে, রিজার্ভ যেভাবে অবনমন হচ্ছিল সেটা রোধ করা গেছে। আমদানি আরো একটু উদার করা সম্ভব হচ্ছে, যেটা নিয়ন্ত্রিত করতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে। ব্যাংকিং সেক্টরকে কিছুটা পুনর্গঠন করা, সংস্কার করা; এগুলো সহজ না এবং এগুলো এই সরকারও পারবে বলে মনে হয় না। সেইজন্য সংস্কার কর্মসূচিগুলোকে শুরু করা, সেগুলোতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যাতে তাদের অঙ্গীকার করেন, ইশতেহারে যাতে তাদের প্রতিফলন করেন। যাতে জনগণের কাছে তাঁরা বলেন এবং জনগণ যাতে সেটাকে মনিটর করতে পারে, একবার ইলেকশন হয়ে যাওয়ার পরে সেটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
রিয়াজ সুমন : আপনারা তো শ্বেতপত্র করলেন এবং সেখানে আপনি সদস্য ছিলেন। তার মূল্যায়ন বর্তমান সরকার কিভাবে করেছে বা করছে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : আমাদের ম্যানডেট ছিল ‘স্টেট অব দ্য ইকোনোমি’টা কি? প্রকৃত অবস্থা কি- আমরা সেটা বের করার চেষ্টা করেছি। কোন জায়গাগুলোতে সমস্যা আছে সেটা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হোক, টাকা পাচারের ক্ষেত্রে হোক, ব্যাংকিং সেক্টরের ক্ষেত্রে হোক, শিক্ষা-স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে হোক আমরা ‘স্টেট অব দ্য ইকোনোমি’টা কি- আমরা একটা স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার কারণ তথ্য উপাত্তের অনেক বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখার প্রবণতা ছিল। তো সেটাকে আমরা চেষ্টা করছি যে প্রকৃত কী অবস্থা সেটা তুলে ধরার। আমরা যেরকম আশা করেছিলাম আশানুরূপভাবে হয়নি। এখন প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে বলা হচ্ছে, একটা হলেও সংস্কার যাতে তারা বাস্তবায়ন করেন। কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা কিন্তু আরো অনেক ব্যাপক এবং এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তো একটা সাময়িক সময়ের জন্য আসছে; তাঁরা যে সবটা করতে পারবেন তা না, তবে একটা ভালো শুরু তাঁরা করে দিতে পারেন এবং রাজনৈতিক দলগুলির কাছ থেকে তারা যে অঙ্গীকারটা নিতে চাচ্ছেন, আমার মনে হয় যেটা ভালো। আমরা দেখব যে, তারা অঙ্গীকার পরবর্তীতে বাস্তবায়ন কতটুকু করতে পারেন।
রিয়াজ সুমন : সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান : আপনাকেও ধন্যবাদ।
সম্পর্কিত খবর
বায়ুদূষণে বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় আজ ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে ১৫২ স্কোর নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিন দূষণের শীর্ষ দুই শহর নেপালের কাঠমাণ্ডু ও ভারতের দিল্লি।
১৫২ একিউআই স্কোর নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
বায়ুদূষণ থেকে নিরাপদে থাকতে বাইরে শরীরচর্চা এড়িয়ে চলতে বলেছে আইকিউএয়ার। এ ছাড়া ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে ও ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
আজ ঢাকার শীর্ষ তিন দূষিত এলাকা বেচারাম দেউড়ি (১৭২), সাভারের হেমায়েতপুর (১৬৩) ও বেজ ইজওয়াটার আউটডোর (১৬১)।
একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান।
সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।
থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা থাইল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সকালের নাশতা করেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ব্যাঙ্ককে অবস্থান করছেন।
এ ছাড়া বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।
বাংলাদেশ থেকে আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এত দিন গড়ে এই হার ছিল ১৫ শতাংশ। নতুন...
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তরুণদের চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি...
পাল্টা শুল্কনীতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড...
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৩৭ শতাংশ শুল্ক আমাদের জন্য অতিরিক্ত।
বাংলাদেশি পোশাকের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। মোট রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রে।...
বাংলাদেশি সব পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানির ওপর উচ্চহারে শুল্কারোপের যে ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট...
ঈদের ছুটি এখনো চলছে। আপনজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে ঢাকার বাইরে যাওয়া মানুষের ফেরার স্রোত এখনো শুরু হয়নি। এ জন্য...
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডের...
সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যেকোনো আনুষ্ঠানিক...
চীন সফরে গিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে করা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ইউনূসের মন্তব্যের পাল্টা...
গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-এমপি, আমলাসহ দেড় শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি...
মা ও নবজাতকের যত্নে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে। এখানে প্রতি ৪১ শিশুর একটি মৃত অবস্থায় জন্ম নিচ্ছে।
পৃথিবীজুড়ে ক্যাসিয়ার অনেক প্রজাতি ছড়িয়ে আছে। তবে বর্তমানে ক্যাসিয়ার কিছু কিছু প্রজাতির পরিবর্তিত নাম সেন্না।...
গত অর্থবছরে দেশে কাঁচা তুলা আমদানি হয়েছে প্রায় ৮১ লাখ বেল। টাকার অঙ্কে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা। তবে পরিমাণে মোট...
আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
চৈত্রের খরতাপে দিনের বেলায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। কিন্তু রাত হলে ক্রমে তাপমাত্রা কমে ভোরে দেখা মিলছে কুয়াশার। দেশের...
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন ছিল ইয়াসিন শেখের। অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি তিনি। তবে রাশিয়ার...
দীর্ঘ ৯ দিনের ঈদের ছুটিতে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সচল রয়েছে এটিএম বুথ, ইন্টারনেট...
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার মলিন চেহারা এখন রসাল হয়ে গেছে। তাঁরা...
চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে বলে মন্তব্য...
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী রবিবার থেকে আবার শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের...
দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে নেওয়া ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণের...
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ঘোষণাতেই অনিশ্চয়তায় ডুব দিল বিশ্ব অর্থনীতি। পণ্য আমদানিতে...
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে। বিপরীতে বৃদ্ধি পেয়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা...
জুলাই অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু বাসিত খান মুসা (৬) চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরে সে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাহিদা বুশরা শিশু বাসিত খান মুসার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দেশে নিয়ে আসার পর তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, গত বছরের ১৯ জুলাই বাসার নিচে মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে নেমে নাতিসহ দাদি মায়া ইসলাম (৬০) গুলিবিদ্ধ হন। মায়া পরদিন মারা যান। মুসার মাথার এক পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে অন্য পাশে চলে যায়। এরপরও সে বেঁচে যায়।
গুলিবিদ্ধ মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। এরপর ২৬ আগস্ট তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। গত ২২ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠায় সরকার। সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছে।